বাংলাদেশ বিক্রি হচ্ছে আবার, হুয়াওয়ে বিলাসে ভাসছে বিএনপি-জামাতের ফেরিওয়ালারা

দেখতে দেখতে আবারও সেই ২০০১-০৬ সালের দুঃস্বপ্নের বাংলাদেশে ফিরে গেলাম আমরা। বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় আসার পর যেন প্রকাশ্য দিবালোকে দুর্নীতির লংমার্চ শুরু হয়েছে। সর্বশেষ প্রমাণ মিলল ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের একটি নথিতে। যেখানে দুর্নীতি দমন কমিশনের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে, প্রকাশ্য অনুসন্ধান চলাকালীন সময়ে দেড়শ কোটির প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির বদলে তিনশ ছাব্বিশ কোটি টাকার অকাজের সরঞ্জাম গছাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে সরকার। আর পুরো তৎপরতার নেপথ্যে সেই চীনা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে।

ঘটনা কী? বিটিসিএলের ৫জি প্রকল্পের নামে বিশাল অংকের এই কারসাজির তদন্ত করছিল দুদক। তদন্তে প্রমাণ মেলে, বুয়েটের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা নাকচ করে প্রয়োজনের তুলনায় পাঁচ গুণ বেশি সক্ষমতার যন্ত্রপাতি কেনার চেষ্টা চলছে। দুদক স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেয়, এই ক্রয় প্রক্রিয়া আইনের ব্যত্যয়। এরপরও থামেনি বিএনপি-জামাতের দোসররা।

প্রথমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টার তৎকালীন বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব নিজের প্যাডে চিঠি দিয়ে দুদক চেয়ারম্যানকে চাপ দেন। সেটা ব্যর্থ হলে বিএনপি-জামাত ক্ষমতায় আসার পর এবার সরাসরি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে আবারও চিঠি পাঠিয়ে দুদকের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার হুমকি দেওয়া হয়েছে। নগ্ন ক্ষমতার দাপট আর কাকে বলে!

আর হুয়াওয়ে? তাদের বাংলাদেশের মুখপাত্র তানভীর আহমেদের বক্তব্য শুনলে চোখ কপালে উঠবে। তিনি নির্লজ্জের মতো স্বীকার করেছেন, “বাংলাদেশে কাজ করবেন আর কাউকে টাকা-পয়সা দেবেন না, এটা তো হয় না।” উৎকোচ দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তার এই উত্তর যেন বিএনপি-জামাতের বাংলাদেশে সবকিছুই যে টাকার বিনিময়ে কেনাবেচা হয় তার সত্যতা মেলে ধরেছে। শুধু তাই নয়, এই কর্মকর্তা দুদক ও গণমাধ্যমকে খোলাখুলি হুমকি দিয়ে বলেছেন, আপনারা আমাদের বিপক্ষে স্ট্যান্ড নিয়েছেন, এর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অর্থাৎ চোরেরাই এখন উল্টো ডাকাতের ভয় দেখাচ্ছে।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক স্পষ্ট বলেছেন, দৃশ্যত হুয়াওয়ের ইন্ধনেই এই তদন্ত প্রক্রিয়া রুদ্ধ করার চেষ্টা চলছে। যা বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের দুর্নীতিবিরোধী অঙ্গীকারের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। আইনজীবীরাও বলছেন, যারা বারবার এই চিঠি ইস্যু করছে তারাই এই দুর্নীতির টাকার সুবিধাভোগী। দুদকের তদন্তে ৪১ জনের বিরুদ্ধে মামলা আর হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্ত করার সুপারিশ ছিল। কিন্তু সেই ফাইল চাপা দিয়ে উল্টো অবৈধভাবে আনা যন্ত্রপাতির এলসির টাকা ছাড়াতে ব্যাংক ম্যানেজারকে চাপ দেওয়া হচ্ছে।

বিএনপি-জামাতের এই সরকার জনগণের টাকা লুট করে হুয়াওয়ের মতো বিদেশি কোম্পানিকে তোষণ করতে ব্যস্ত। দুদককে অপদস্থ করা, তদন্ত বন্ধ করা আর গণমাধ্যমের মুখে কুলুপ এঁটে দেওয়াই যেন তাদের একমাত্র লক্ষ্য।

দেখতে দেখতে আবারও সেই ২০০১-০৬ সালের দুঃস্বপ্নের বাংলাদেশে ফিরে গেলাম আমরা। বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় আসার পর যেন প্রকাশ্য দিবালোকে দুর্নীতির লংমার্চ শুরু হয়েছে। সর্বশেষ প্রমাণ মিলল ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের একটি নথিতে। যেখানে দুর্নীতি দমন কমিশনের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে, প্রকাশ্য অনুসন্ধান চলাকালীন সময়ে দেড়শ কোটির প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির বদলে তিনশ ছাব্বিশ কোটি টাকার অকাজের সরঞ্জাম গছাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে সরকার। আর পুরো তৎপরতার নেপথ্যে সেই চীনা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে।

ঘটনা কী? বিটিসিএলের ৫জি প্রকল্পের নামে বিশাল অংকের এই কারসাজির তদন্ত করছিল দুদক। তদন্তে প্রমাণ মেলে, বুয়েটের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা নাকচ করে প্রয়োজনের তুলনায় পাঁচ গুণ বেশি সক্ষমতার যন্ত্রপাতি কেনার চেষ্টা চলছে। দুদক স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেয়, এই ক্রয় প্রক্রিয়া আইনের ব্যত্যয়। এরপরও থামেনি বিএনপি-জামাতের দোসররা।

প্রথমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টার তৎকালীন বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব নিজের প্যাডে চিঠি দিয়ে দুদক চেয়ারম্যানকে চাপ দেন। সেটা ব্যর্থ হলে বিএনপি-জামাত ক্ষমতায় আসার পর এবার সরাসরি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে আবারও চিঠি পাঠিয়ে দুদকের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার হুমকি দেওয়া হয়েছে। নগ্ন ক্ষমতার দাপট আর কাকে বলে!

আর হুয়াওয়ে? তাদের বাংলাদেশের মুখপাত্র তানভীর আহমেদের বক্তব্য শুনলে চোখ কপালে উঠবে। তিনি নির্লজ্জের মতো স্বীকার করেছেন, “বাংলাদেশে কাজ করবেন আর কাউকে টাকা-পয়সা দেবেন না, এটা তো হয় না।” উৎকোচ দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তার এই উত্তর যেন বিএনপি-জামাতের বাংলাদেশে সবকিছুই যে টাকার বিনিময়ে কেনাবেচা হয় তার সত্যতা মেলে ধরেছে। শুধু তাই নয়, এই কর্মকর্তা দুদক ও গণমাধ্যমকে খোলাখুলি হুমকি দিয়ে বলেছেন, আপনারা আমাদের বিপক্ষে স্ট্যান্ড নিয়েছেন, এর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অর্থাৎ চোরেরাই এখন উল্টো ডাকাতের ভয় দেখাচ্ছে।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক স্পষ্ট বলেছেন, দৃশ্যত হুয়াওয়ের ইন্ধনেই এই তদন্ত প্রক্রিয়া রুদ্ধ করার চেষ্টা চলছে। যা বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের দুর্নীতিবিরোধী অঙ্গীকারের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। আইনজীবীরাও বলছেন, যারা বারবার এই চিঠি ইস্যু করছে তারাই এই দুর্নীতির টাকার সুবিধাভোগী। দুদকের তদন্তে ৪১ জনের বিরুদ্ধে মামলা আর হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্ত করার সুপারিশ ছিল। কিন্তু সেই ফাইল চাপা দিয়ে উল্টো অবৈধভাবে আনা যন্ত্রপাতির এলসির টাকা ছাড়াতে ব্যাংক ম্যানেজারকে চাপ দেওয়া হচ্ছে।

বিএনপি-জামাতের এই সরকার জনগণের টাকা লুট করে হুয়াওয়ের মতো বিদেশি কোম্পানিকে তোষণ করতে ব্যস্ত। দুদককে অপদস্থ করা, তদন্ত বন্ধ করা আর গণমাধ্যমের মুখে কুলুপ এঁটে দেওয়াই যেন তাদের একমাত্র লক্ষ্য।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ