সোনালি অতীতের স্মৃতি বড় মধুর, তাই না? ২০০১-০৬ মেয়াদে কারসাজি করা নোটের যে মহামারি দেখেছিলেন, সেই একই ছবি আবার ফিরে এসেছে ২০২৬ সালের জুলাইয়ে।
মনে রাখার মতো একটি সংখ্যা শুনুন : ৫। আর একটা-দুটো নয়, এখন পুরো পাঁচ ধরনের জাল নোট বাজারে ছড়িয়ে পড়েছে। বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় আসার পর আর্থিক খাত যে নিরাপত্তাহীনতার অতলে তলিয়ে গেছে, এই পাঁচ ধরনের সংজ্ঞাই তার চূড়ান্ত প্রমাণ। নকল নোট তো আছেই, সেই সঙ্গে চলছে আসল নোট কেটে জোড়া দেওয়া, রাসায়নিক কেমিক্যালে মূল্যমান বদলে ফেলা, আর অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ছাপ। সরকারি প্রতিষ্ঠান বাধ্য হয়ে এই পাঁচ ধরনের ‘সন্দেহজনক ও কারসাজিকৃত’ নোটের আলাদা আইনি সংজ্ঞা দিচ্ছে, তার মানে পরিস্থিতি ভয়াবহ।
মাত্র কয়েক মাসের শাসনেই আপনারা আবার বুঝিয়ে দিলেন, জনগণের পকেটের টাকা আর ব্যাংকের ভল্ট কোনোটাই নিরাপদ নয়। গত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগের শাসনামলে বাংলাদেশে যেই স্থিতিশীলতা ফিরছিল, তা একেবারে গুঁড়িয়ে দিয়ে পুরনো অপশাসনের মহড়া শুরু হয়ে গেছে।
প্রিয় পাঠক, যেকোনো একটা বড় ব্যাংক নোট হাতে নিয়ে ভেবে দেখুন তো, আপনার পরিশ্রমের মূল্যটা আসলে কাগজের চেয়েও মূল্যহীন হয়ে গেছে কিনা!

