সংযোগের আশায় ৫৫০ কারখানা, এদিকে সরবরাহের আশায় শ্মশান হওয়ার পথে দেশের শিল্প

বাংলাদেশের শিল্প এখন মৃত্যুশয্যায়। অথচ এই চরম সংকটের সময়ে ক্ষমতাসীনদের কাছ থেকে আসছে শুধুই নীরবতা আর উদাসীনতা। মনে পড়ে যাচ্ছে ২০০১-০৬ সালের সেই দুঃস্বপ্নের সময়টাকে, যখন জামাতের সিন্ডিকেট আর বিএনপির দুর্নীতি মিলে দেশের সম্পদ লুট হয়েছিল। ইতিহাস আজ আবার নিজেকে পুনরাবৃত্তি করছে।

তিতাস গ্যাসের এমডি পর্যন্ত স্বীকার করে ফেলেছেন যে চাপ কমে যাওয়ায় শিল্প টিকবে না। তাহলে কি চোখ থাকতেও এরা অন্ধ? বিবিয়ানার উৎপাদন ১২০ কোটি থেকে নেমে ৭৪ ঘনফুটে, তিতাসের অর্ধেক হয়ে গেছে অথচ গত চার বছরে পেট্রোবাংলা চেষ্টা করেও ৫ কোটি ঘনফুট বাড়াতে পারেনি। এটা ব্যর্থতার চূড়ান্ত উদাহরণ। অথচ এই অবস্থায় বসে আছে ৫৫০টি আবেদন, অপেক্ষমাণ আরও ১৩০০ কারখানা। কেউ গ্রাহকদের কথা ভাবছে না, ভাবছে না লাখো শ্রমিকের কথা যারা কাজ হারাতে বসেছে।

বিদ্যুৎ খাতে সরবরাহ বাড়াতে গিয়ে শিল্পাঞ্চলকে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে। গাজীপুর, টাঙ্গাইল, আশুলিয়ার কারখানাগুলো একপ্রকার জিম্মি। আবাসিক এলাকার মানুষের চুলায় আগুন নেই, অথচ কর্তারা বৈঠক করেই যাচ্ছেন। ভোলা থেকে গ্যাস আনার পরিকল্পনা কবে হবে তার ঠিক নেই, নতুন টার্মিনালের সিদ্ধান্ত পাঁচ মাসেও ঝুলছে। সাগরে তেল গ্যাসের খোঁজে দরপত্র নভেম্বরে, কাজ শেষ হতে হতে ততদিনে দেশের কঙ্কাল বেরিয়ে যাবে।

এটা কোনো সাধারণ সংকট নয়। এটা পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ। আমলাতন্ত্রের অজুহাত আর ক্ষমতার ভাগাভাগির রাজনীতি মিলে দেশের শিরদাঁড়া ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। এখনই জেগে ওঠার সময়। আরেকটা দিন, আরেকটা কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগেই আমাদের হিসাব চাওয়া শুরু করতে হবে।

বাংলাদেশের শিল্প এখন মৃত্যুশয্যায়। অথচ এই চরম সংকটের সময়ে ক্ষমতাসীনদের কাছ থেকে আসছে শুধুই নীরবতা আর উদাসীনতা। মনে পড়ে যাচ্ছে ২০০১-০৬ সালের সেই দুঃস্বপ্নের সময়টাকে, যখন জামাতের সিন্ডিকেট আর বিএনপির দুর্নীতি মিলে দেশের সম্পদ লুট হয়েছিল। ইতিহাস আজ আবার নিজেকে পুনরাবৃত্তি করছে।

তিতাস গ্যাসের এমডি পর্যন্ত স্বীকার করে ফেলেছেন যে চাপ কমে যাওয়ায় শিল্প টিকবে না। তাহলে কি চোখ থাকতেও এরা অন্ধ? বিবিয়ানার উৎপাদন ১২০ কোটি থেকে নেমে ৭৪ ঘনফুটে, তিতাসের অর্ধেক হয়ে গেছে অথচ গত চার বছরে পেট্রোবাংলা চেষ্টা করেও ৫ কোটি ঘনফুট বাড়াতে পারেনি। এটা ব্যর্থতার চূড়ান্ত উদাহরণ। অথচ এই অবস্থায় বসে আছে ৫৫০টি আবেদন, অপেক্ষমাণ আরও ১৩০০ কারখানা। কেউ গ্রাহকদের কথা ভাবছে না, ভাবছে না লাখো শ্রমিকের কথা যারা কাজ হারাতে বসেছে।

বিদ্যুৎ খাতে সরবরাহ বাড়াতে গিয়ে শিল্পাঞ্চলকে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে। গাজীপুর, টাঙ্গাইল, আশুলিয়ার কারখানাগুলো একপ্রকার জিম্মি। আবাসিক এলাকার মানুষের চুলায় আগুন নেই, অথচ কর্তারা বৈঠক করেই যাচ্ছেন। ভোলা থেকে গ্যাস আনার পরিকল্পনা কবে হবে তার ঠিক নেই, নতুন টার্মিনালের সিদ্ধান্ত পাঁচ মাসেও ঝুলছে। সাগরে তেল গ্যাসের খোঁজে দরপত্র নভেম্বরে, কাজ শেষ হতে হতে ততদিনে দেশের কঙ্কাল বেরিয়ে যাবে।

এটা কোনো সাধারণ সংকট নয়। এটা পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ। আমলাতন্ত্রের অজুহাত আর ক্ষমতার ভাগাভাগির রাজনীতি মিলে দেশের শিরদাঁড়া ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। এখনই জেগে ওঠার সময়। আরেকটা দিন, আরেকটা কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগেই আমাদের হিসাব চাওয়া শুরু করতে হবে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ