সংসদে বিএনপি: সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে, সদিচ্ছা নেই

পাঁচ মাস হয়ে গেল। সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে বিএনপি সরকার বসে আছে, কোনো আইন পাশ করতে যাদের আর কারও মুখাপেক্ষী হতে হয় না। অথচ লাখো শিক্ষার্থীর তথ্য প্রতিদিন বিক্রি হয়ে যাচ্ছে বিদেশি সার্ভারে, একটা শব্দও খরচ হয়নি এই নিয়ে।

দীক্ষার মতো প্ল্যাটফর্মে নিরাপত্তা স্কোর শূন্য। টেন মিনিট স্কুলে চৌদ্দটা ট্র্যাকার বসে আছে, একটা কিশোরের পড়ার অভ্যাস, দুর্বলতা, এমনকি কখন সে একা বসে পড়ে, সব টুকে নিচ্ছে। এই তথ্য কোথায় যাচ্ছে, কে কিনছে, কেউ জানে না। জানার আইনও নেই, কারণ দেশে এখনো কোনো পূর্ণাঙ্গ তথ্য সুরক্ষা আইন তৈরিই হয়নি।

এইটুকু আইন বানানো কঠিন কাজ না, বিশেষ করে যাদের হাতে পার্লামেন্টে একতরফা ক্ষমতা। তাহলে আটকে আছে কোথায়? প্রশ্নটা সহজ, উত্তর সরকার এড়িয়ে যাচ্ছে।

ক্ষমতায় বসার আগে যা বলা হয়, রাষ্ট্র সংস্কার, প্রতিষ্ঠান গঠন, জনগণের স্বার্থ রক্ষা, সেগুলো ভাষণের শব্দ হয়েই থেকে যাচ্ছে। একটা শিশুর ফোন নম্বর আর তার দুর্বলতার তালিকা বিদেশি সার্ভারে জমা হওয়াটা বিমূর্ত কোনো সমস্যা না, এখনই বন্ধ করার মতো একটা কাজ। সরকার করছে না, এটাই আসল খবর।

পাঁচ মাস হয়ে গেল। সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে বিএনপি সরকার বসে আছে, কোনো আইন পাশ করতে যাদের আর কারও মুখাপেক্ষী হতে হয় না। অথচ লাখো শিক্ষার্থীর তথ্য প্রতিদিন বিক্রি হয়ে যাচ্ছে বিদেশি সার্ভারে, একটা শব্দও খরচ হয়নি এই নিয়ে।

দীক্ষার মতো প্ল্যাটফর্মে নিরাপত্তা স্কোর শূন্য। টেন মিনিট স্কুলে চৌদ্দটা ট্র্যাকার বসে আছে, একটা কিশোরের পড়ার অভ্যাস, দুর্বলতা, এমনকি কখন সে একা বসে পড়ে, সব টুকে নিচ্ছে। এই তথ্য কোথায় যাচ্ছে, কে কিনছে, কেউ জানে না। জানার আইনও নেই, কারণ দেশে এখনো কোনো পূর্ণাঙ্গ তথ্য সুরক্ষা আইন তৈরিই হয়নি।

এইটুকু আইন বানানো কঠিন কাজ না, বিশেষ করে যাদের হাতে পার্লামেন্টে একতরফা ক্ষমতা। তাহলে আটকে আছে কোথায়? প্রশ্নটা সহজ, উত্তর সরকার এড়িয়ে যাচ্ছে।

ক্ষমতায় বসার আগে যা বলা হয়, রাষ্ট্র সংস্কার, প্রতিষ্ঠান গঠন, জনগণের স্বার্থ রক্ষা, সেগুলো ভাষণের শব্দ হয়েই থেকে যাচ্ছে। একটা শিশুর ফোন নম্বর আর তার দুর্বলতার তালিকা বিদেশি সার্ভারে জমা হওয়াটা বিমূর্ত কোনো সমস্যা না, এখনই বন্ধ করার মতো একটা কাজ। সরকার করছে না, এটাই আসল খবর।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ