আর কত হত্যার রাজনীতি করবে বিএনপি? আর কত রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হবে মানুষের জীবন? যশোরের চৌগাছায় যুবলীগ নেতা জুয়েল আহমেদ রানাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা। নিহত জুয়েল আহমেদ রানা (৪০) মুক্তদাহ গ্রামের ওয়াদুদ খন্দকারের ছেলে। তিনি স্থানীয় পাতিবিলা ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন।
শুধু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে হত্যা করা প্রমাণ করে, বিএনপির রাজনীতি এখন সম্পূর্ণভাবে সহিংসতা, প্রতিশোধ আর রক্তের রাজনীতিতে পরিণত হয়েছে। একজন মতের ভিন্নতা থাকতে পারে, কিন্তু হত্যা কখনো রাজনীতির ভাষা হতে পারে না। যারা সহিংসতার মাধ্যমে ভয় সৃষ্টি করতে চায়, তারা গণতন্ত্রের নয়, নৈরাজ্যের পথ বেছে নেয়।
যে দল রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হত্যা করে, তারা কোনো রাজনৈতিক শক্তি নয়, তারা সংগঠিত সন্ত্রাসী চক্র।
আজ বাংলার মাটিতে আবারও প্রমাণ হলো, বিএনপির হাতে ক্ষমতা মানেই সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তাহীনতা।মনে রেখো বাংলাদেশ- ‘দিনে দিনে বাড়িতেছে দেনা, শুধিতে হইবে ঋণ’।

