ক্ষমতা কি জনসেবার জন্য, নাকি ব্যক্তিগত সম্পদ বৃদ্ধির জন্য?

একজন সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা ব্যক্তি সালাউদ্দিন আহমেদ, যিনি ১৯৯১-১৯৯৫ সালে তৎকালিন প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়ার সহকারী একান্ত সচিব(এপিএস) হিসাবে নিযুক্ত ছিলেন, পরে ১৯৯৬ সালে সংসদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী এবং বিএনপির রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। আজ তার নামে বিপুল সম্পদ, একাধিক গাড়ি ও আর্থিক সক্ষমতা তবে কি বিএনপির এমপি মন্ত্রী হয়েই এই সকল সম্পদ গড়ে তুলেছেন!

জনগণ জানতে চায়, এই সম্পদের উৎস কী? রাজনৈতিক জীবনের বাইরে কী ব্যবসা, বিনিয়োগ বা বৈধ আয়ের মাধ্যমে এসব সম্পদ অর্জিত হয়েছে? নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো ব্যাখ্যা?

২০০৭-৮ দুর্নীতির দায়ে ২০০৯ এ নির্বাচন করতে পারেন নাই। ২০০৯ এ এমপি ছিল ওনার স্ত্রী। ২০১৪ থেকে ২০২৪ ভারতে আশ্রিত ছিলেন। তাহলে কি উপায়ে এতো সম্পদের মালিক হলেন ?

রাজনীতির নামে অবৈধ সম্পদ অর্জন, গাড়ি বাড়ির মালিক হওয়া এই গুলো বিএনপি সরকারী পুরনো ঐতিহ্য। সালাউদ্দিন সাহেবও এর বাইরে নয়। তা না হলে একজন রাজনীতিবিদ হিসাবে সালাউদ্দিন আহমেদ এর অঢেল সম্পত্তি কিভাবে আসলো, বিএনপির রাজনীতি যে সাধারণ মানুষের জন্য না তা সালাউদ্দিন সাহেব কে দেখলেই বোঝা যাই।

রাজনীতির নামে দুর্নীতি করে অঢেল সম্পদের মালিক যখন জাতীয় সংসদে নিজের সম্পদের দম্ভ দেখায়- তখনই বোঝা যাই বিএনপির রাজনীতি সাধারণ মানুষের স্বার্থে নয় বরং সাধারণ মানুষ কে নিঃস্ব করে তাদের এমপি- মন্ত্রীদের অঢেল সম্পদের মালিক হওয়ায় এদের উদ্দেশ্য ।

গণতন্ত্রে কোনো রাজনৈতিক নেতা বা মন্ত্রীর সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন তোলা অস্বাভাবিক নয়। বরং জনগণের কাছে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা একজন জননেতার দায়িত্ব।

একজন সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা ব্যক্তি সালাউদ্দিন আহমেদ, যিনি ১৯৯১-১৯৯৫ সালে তৎকালিন প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়ার সহকারী একান্ত সচিব(এপিএস) হিসাবে নিযুক্ত ছিলেন, পরে ১৯৯৬ সালে সংসদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী এবং বিএনপির রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। আজ তার নামে বিপুল সম্পদ, একাধিক গাড়ি ও আর্থিক সক্ষমতা তবে কি বিএনপির এমপি মন্ত্রী হয়েই এই সকল সম্পদ গড়ে তুলেছেন!

জনগণ জানতে চায়, এই সম্পদের উৎস কী? রাজনৈতিক জীবনের বাইরে কী ব্যবসা, বিনিয়োগ বা বৈধ আয়ের মাধ্যমে এসব সম্পদ অর্জিত হয়েছে? নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো ব্যাখ্যা?

২০০৭-৮ দুর্নীতির দায়ে ২০০৯ এ নির্বাচন করতে পারেন নাই। ২০০৯ এ এমপি ছিল ওনার স্ত্রী। ২০১৪ থেকে ২০২৪ ভারতে আশ্রিত ছিলেন। তাহলে কি উপায়ে এতো সম্পদের মালিক হলেন ?

রাজনীতির নামে অবৈধ সম্পদ অর্জন, গাড়ি বাড়ির মালিক হওয়া এই গুলো বিএনপি সরকারী পুরনো ঐতিহ্য। সালাউদ্দিন সাহেবও এর বাইরে নয়। তা না হলে একজন রাজনীতিবিদ হিসাবে সালাউদ্দিন আহমেদ এর অঢেল সম্পত্তি কিভাবে আসলো, বিএনপির রাজনীতি যে সাধারণ মানুষের জন্য না তা সালাউদ্দিন সাহেব কে দেখলেই বোঝা যাই।

রাজনীতির নামে দুর্নীতি করে অঢেল সম্পদের মালিক যখন জাতীয় সংসদে নিজের সম্পদের দম্ভ দেখায়- তখনই বোঝা যাই বিএনপির রাজনীতি সাধারণ মানুষের স্বার্থে নয় বরং সাধারণ মানুষ কে নিঃস্ব করে তাদের এমপি- মন্ত্রীদের অঢেল সম্পদের মালিক হওয়ায় এদের উদ্দেশ্য ।

গণতন্ত্রে কোনো রাজনৈতিক নেতা বা মন্ত্রীর সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন তোলা অস্বাভাবিক নয়। বরং জনগণের কাছে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা একজন জননেতার দায়িত্ব।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ