৯৫ ঘণ্টা, ৫০ গ্রাম, একটা অবৈধ সরকার যারা জনগণের পরোয়া করে না

শেরপুরের ৫০টা গ্রামে চার দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই। ৯৫ ঘণ্টা পেরিয়ে গেছে। মানুষ ফ্যানের নিচে ঘুমাতে পারছে না, মোবাইল চার্জ দিতে পারছে না, এসএসসি পরীক্ষার্থী পড়তে পারছে না। পল্লী বিদ্যুতের লাইনম্যানের দেখা নেই। জেনারেল ম্যানেজার বলছেন, “কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ নেই, এটা সত্যি।” ব্যস, এতটুকুই। এর বেশি কথা নেই তাদের কাছে।

এই সরকার ক্ষমতায় এসেছে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে, এমন একটা নির্বাচনের মাধ্যমে যেখানে দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো অংশ নেয়নি। সাধারণ মানুষ ভোট দিতে যায়নি। কেন্দ্রে কেন্দ্রে শূন্যতা ছিল। কিন্তু তাতে কিছু আসে যায়নি, বিএনপি তার নিজস্ব কায়দায় ক্ষমতার চেয়ারে বসে গেছে। আর বসার পর থেকে এই দলটি যা করছে, শেরপুরের অন্ধকার গ্রামগুলো তার একটা ছোট্ট কিন্তু নির্মম উদাহরণ।

বিএনপি কোনো নতুন দল না। এই দলের জন্ম সেনানিবাসে, জিয়াউর রহমানের হাতে, রাজনীতির স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার বাইরে। সেই শুরু থেকেই এই দলের সাথে জনগণের সম্পর্কটা ছিল উপর থেকে নিচে চাপিয়ে দেওয়ার সম্পর্ক। ক্ষমতায় থেকে দুর্নীতি করো, সন্ত্রাস পুষো, আর ভোটের সময় যা করার করো। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বরং এবার গণরায়ের ধার না ধেরে সরাসরি একটা পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করা হয়েছে।

এই সরকারের মন্ত্রীরা বসে আছেন ঢাকার শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষে। শ্রীবরদীর সোহেল তিন দিন ধরে অন্ধকারে বসে আছেন, সেটা তাদের ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায় না। ঝিনাইগাতীর আতিক আকন্দ বলছেন, “খুব তাড়াতাড়ি যেন বিদ্যুৎ আসে”, কিন্তু সেই অনুরোধ শোনার মানুষ কোথায়? যে সরকারের বৈধতাই নেই জনগণের কাছে, সে সরকার জনগণের কথা শুনবে কোন দায়ে?

এমনিতেই শেরপুরের এই এলাকাগুলোতে স্বাভাবিক সময়ে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং চলে। মানে আধা দিনের বেশি বিদ্যুৎ থাকে না এমনিতেই। সেই বাস্তবতায় কালবৈশাখীর পর চার দিন অন্ধকার মানে একটা গোটা জনপদ কার্যত থমকে যাওয়া। কিন্তু বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা মাঠে নেই, মেরামত হচ্ছে না, কোনো জবাবদিহি নেই। এটা কি শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতা? না, এটা একটা সরকারের পুরো চরিত্রের প্রতিফলন, যে সরকার জনগণের ভোটে আসেনি, তাই জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকার কোনো কারণ তারা খুঁজে পায় না।

পরীক্ষার্থী সুমন মিয়া বলছে সে পড়তে পারছে না। এই কিশোরের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই সরকারের কোনো মাথাব্যথা নেই। থাকার কথাও না, কারণ সুমন মিয়া এই সরকারকে ভোট দেয়নি। দেওয়ার সুযোগ পায়নি। আর না দিলে তার কথা শোনার দায় এই সরকারের নেই, অন্তত তারা সেটাই মনে করে।

বিএনপির এই মন্ত্রিসভা নামের প্রহসন চলছে। নামসর্বস্ব মন্ত্রীরা দায়িত্ব পালন করছেন কি না সেটা শেরপুরের অন্ধকার গ্রামগুলোই বলে দিচ্ছে।

শেরপুরের ৫০টা গ্রামে চার দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই। ৯৫ ঘণ্টা পেরিয়ে গেছে। মানুষ ফ্যানের নিচে ঘুমাতে পারছে না, মোবাইল চার্জ দিতে পারছে না, এসএসসি পরীক্ষার্থী পড়তে পারছে না। পল্লী বিদ্যুতের লাইনম্যানের দেখা নেই। জেনারেল ম্যানেজার বলছেন, “কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ নেই, এটা সত্যি।” ব্যস, এতটুকুই। এর বেশি কথা নেই তাদের কাছে।

এই সরকার ক্ষমতায় এসেছে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে, এমন একটা নির্বাচনের মাধ্যমে যেখানে দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো অংশ নেয়নি। সাধারণ মানুষ ভোট দিতে যায়নি। কেন্দ্রে কেন্দ্রে শূন্যতা ছিল। কিন্তু তাতে কিছু আসে যায়নি, বিএনপি তার নিজস্ব কায়দায় ক্ষমতার চেয়ারে বসে গেছে। আর বসার পর থেকে এই দলটি যা করছে, শেরপুরের অন্ধকার গ্রামগুলো তার একটা ছোট্ট কিন্তু নির্মম উদাহরণ।

বিএনপি কোনো নতুন দল না। এই দলের জন্ম সেনানিবাসে, জিয়াউর রহমানের হাতে, রাজনীতির স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার বাইরে। সেই শুরু থেকেই এই দলের সাথে জনগণের সম্পর্কটা ছিল উপর থেকে নিচে চাপিয়ে দেওয়ার সম্পর্ক। ক্ষমতায় থেকে দুর্নীতি করো, সন্ত্রাস পুষো, আর ভোটের সময় যা করার করো। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বরং এবার গণরায়ের ধার না ধেরে সরাসরি একটা পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করা হয়েছে।

এই সরকারের মন্ত্রীরা বসে আছেন ঢাকার শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষে। শ্রীবরদীর সোহেল তিন দিন ধরে অন্ধকারে বসে আছেন, সেটা তাদের ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায় না। ঝিনাইগাতীর আতিক আকন্দ বলছেন, “খুব তাড়াতাড়ি যেন বিদ্যুৎ আসে”, কিন্তু সেই অনুরোধ শোনার মানুষ কোথায়? যে সরকারের বৈধতাই নেই জনগণের কাছে, সে সরকার জনগণের কথা শুনবে কোন দায়ে?

এমনিতেই শেরপুরের এই এলাকাগুলোতে স্বাভাবিক সময়ে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং চলে। মানে আধা দিনের বেশি বিদ্যুৎ থাকে না এমনিতেই। সেই বাস্তবতায় কালবৈশাখীর পর চার দিন অন্ধকার মানে একটা গোটা জনপদ কার্যত থমকে যাওয়া। কিন্তু বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা মাঠে নেই, মেরামত হচ্ছে না, কোনো জবাবদিহি নেই। এটা কি শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতা? না, এটা একটা সরকারের পুরো চরিত্রের প্রতিফলন, যে সরকার জনগণের ভোটে আসেনি, তাই জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকার কোনো কারণ তারা খুঁজে পায় না।

পরীক্ষার্থী সুমন মিয়া বলছে সে পড়তে পারছে না। এই কিশোরের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই সরকারের কোনো মাথাব্যথা নেই। থাকার কথাও না, কারণ সুমন মিয়া এই সরকারকে ভোট দেয়নি। দেওয়ার সুযোগ পায়নি। আর না দিলে তার কথা শোনার দায় এই সরকারের নেই, অন্তত তারা সেটাই মনে করে।

বিএনপির এই মন্ত্রিসভা নামের প্রহসন চলছে। নামসর্বস্ব মন্ত্রীরা দায়িত্ব পালন করছেন কি না সেটা শেরপুরের অন্ধকার গ্রামগুলোই বলে দিচ্ছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ