খাম্বা তারেকের প্ল্যান: হোমিও ওষুধের মতো ফোঁটায় ফোঁটায় মিলছে বিদ্যুৎ

দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা চাহিদার তুলনায় দ্বিগুণ হলেও জ্বালানি ও কারিগরি সংকটে দেশজুড়ে লোডশেডিং ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সরকারি তথ্যমতে, বর্তমানে লোডশেডিং ২,০০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে। তবে এই দুর্ভোগের চিত্র সব জায়গায় সমান নয়। রাজধানী ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরে লোডশেডিং ১-২ ঘণ্টার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও, গ্রামাঞ্চলে তা ১২ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত পৌঁছেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অদক্ষতায় এ সংকট আরও তীব্র হচ্ছে।

বিদ্যুৎ খাতের এই নাজুক পরিস্থিতির জন্য অনেকেই তারেক রহমানের অদক্ষতা ও পুরোনো ‘খাম্বা সংস্কৃতি’কে দায়ী করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বইছে সমালোচনার ঝড়। এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, “রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে বিএনপি, অথচ বাসায় বিদ্যুৎ নাই, পামে তেল নাই, বাজারে সিন্ডিকেট।” আরেক ব্যবহারকারী লিখেছেন, হোমিও ওষুধের মতো ফোঁটায় ফোঁটায় মিলছে বিদ্যুৎ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলেও বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতির সমার্থক শব্দ হয়ে দাঁড়িয়েছিল ‘খাম্বা’। তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের ‘ওয়ান গ্রুপ’ টেন্ডার ছাড়াই শত শত কোটি টাকার খুঁটি সরবরাহের কাজ পেয়েছিল। বিদ্যুৎ সংযোগ না দিয়ে মাইলের পর মাইল শুধু শূন্য খাম্বা পুঁতে রেখে জনগণের টাকা লুটপাটের সেই স্মৃতি আজও সাধারণ মানুষের মনে অমলিন। ২০০৬ সালে কানসাটে বিদ্যুতের দাবিতে আন্দোলনে গুলি ও নিহতের ঘটনা এবং এই খাম্বা কেলেঙ্কারিই ছিল ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবির অন্যতম কারণ। বর্তমান সংকটে মন্ত্রীদের “লোডশেডিং সহ্য করা ভালো” সুলভ মন্তব্য শুনে জনমনে প্রশ্ন জেগেছে—দেশ কি তবে আবারও সেই অন্ধকারাচ্ছন্ন ‘খাম্বা যুগে’ ফিরে যাচ্ছে?

শহরাঞ্চল থেকে গ্রামাঞ্চলের চিত্র অত্যন্ত করুণ। রাজশাহী, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও নাটোরে ১০-১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় বোরো চাষে সেচ ব্যাহত হচ্ছে। সিলেট ও বরিশালের অনেক এলাকায় দিনরাতের অর্ধেক সময়ই বিদ্যুৎ থাকছে না। ময়মনসিংহে বিদ্যুৎ সংকটে মাছের রেণু ও পোনা উৎপাদন মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে।

তীব্র গরমে শিশু, বৃদ্ধ ও রোগীদের নাভিশ্বাস উঠেছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প যেমন—ওয়েল্ডিং শপ, অটো ব্রিকস এবং ফিড মিলগুলোর উৎপাদন ৩০ শতাংশে নেমে এসেছে। জেনারেটর চালানোর জ্বালানি সংকটে বিকল্প ব্যবস্থাও অকেজো। এমনকি চার্জের অভাবে ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকদের আয় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ দ্রুত ত্রুটি সারিয়ে স্বস্তির আশ্বাস দিলেও, কয়লা ও গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পল্লী অঞ্চলের মানুষের এই ‘ভয়াবহ অন্ধকার’ থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা চাহিদার তুলনায় দ্বিগুণ হলেও জ্বালানি ও কারিগরি সংকটে দেশজুড়ে লোডশেডিং ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সরকারি তথ্যমতে, বর্তমানে লোডশেডিং ২,০০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে। তবে এই দুর্ভোগের চিত্র সব জায়গায় সমান নয়। রাজধানী ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরে লোডশেডিং ১-২ ঘণ্টার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও, গ্রামাঞ্চলে তা ১২ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত পৌঁছেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অদক্ষতায় এ সংকট আরও তীব্র হচ্ছে।

বিদ্যুৎ খাতের এই নাজুক পরিস্থিতির জন্য অনেকেই তারেক রহমানের অদক্ষতা ও পুরোনো ‘খাম্বা সংস্কৃতি’কে দায়ী করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বইছে সমালোচনার ঝড়। এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, “রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে বিএনপি, অথচ বাসায় বিদ্যুৎ নাই, পামে তেল নাই, বাজারে সিন্ডিকেট।” আরেক ব্যবহারকারী লিখেছেন, হোমিও ওষুধের মতো ফোঁটায় ফোঁটায় মিলছে বিদ্যুৎ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলেও বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতির সমার্থক শব্দ হয়ে দাঁড়িয়েছিল ‘খাম্বা’। তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের ‘ওয়ান গ্রুপ’ টেন্ডার ছাড়াই শত শত কোটি টাকার খুঁটি সরবরাহের কাজ পেয়েছিল। বিদ্যুৎ সংযোগ না দিয়ে মাইলের পর মাইল শুধু শূন্য খাম্বা পুঁতে রেখে জনগণের টাকা লুটপাটের সেই স্মৃতি আজও সাধারণ মানুষের মনে অমলিন। ২০০৬ সালে কানসাটে বিদ্যুতের দাবিতে আন্দোলনে গুলি ও নিহতের ঘটনা এবং এই খাম্বা কেলেঙ্কারিই ছিল ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবির অন্যতম কারণ। বর্তমান সংকটে মন্ত্রীদের “লোডশেডিং সহ্য করা ভালো” সুলভ মন্তব্য শুনে জনমনে প্রশ্ন জেগেছে—দেশ কি তবে আবারও সেই অন্ধকারাচ্ছন্ন ‘খাম্বা যুগে’ ফিরে যাচ্ছে?

শহরাঞ্চল থেকে গ্রামাঞ্চলের চিত্র অত্যন্ত করুণ। রাজশাহী, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও নাটোরে ১০-১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় বোরো চাষে সেচ ব্যাহত হচ্ছে। সিলেট ও বরিশালের অনেক এলাকায় দিনরাতের অর্ধেক সময়ই বিদ্যুৎ থাকছে না। ময়মনসিংহে বিদ্যুৎ সংকটে মাছের রেণু ও পোনা উৎপাদন মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে।

তীব্র গরমে শিশু, বৃদ্ধ ও রোগীদের নাভিশ্বাস উঠেছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প যেমন—ওয়েল্ডিং শপ, অটো ব্রিকস এবং ফিড মিলগুলোর উৎপাদন ৩০ শতাংশে নেমে এসেছে। জেনারেটর চালানোর জ্বালানি সংকটে বিকল্প ব্যবস্থাও অকেজো। এমনকি চার্জের অভাবে ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকদের আয় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ দ্রুত ত্রুটি সারিয়ে স্বস্তির আশ্বাস দিলেও, কয়লা ও গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পল্লী অঞ্চলের মানুষের এই ‘ভয়াবহ অন্ধকার’ থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ