বিএনপি-জামাতের আশীর্বাদেই বাড়ছে উগ্রবাদের বিষফোঁড়া!

বিএনপি-জামাত জোট শেষবার যখন ক্ষমতায় ছিলো, অর্থাৎ তাদের ২০০১-০৬ সালের শাসনামলে সারা দেশে জেএমবি, হুজি, হারকাতুল জিহাদসহ একাধিক নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের উত্থান ঘটেছিল। শুধু রামু, চট্টগ্রাম নয়, গোটা দেশে সন্ত্রাসী হামলার ঢেউ বয়ে গিয়েছিল। আজ ২০২৬ সালে আবারও বিএনপি-জামাত ক্ষমতায় আর আবারও দেখা যাচ্ছে ইসলামিক জঙ্গিবাদের পুনরুত্থান।

বাংলাদেশের তরুণরা কেন উগ্রবাদের দিকে ঝুঁকছে, এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বারবার সামনে আসে দুটি নাম। বিএনপি এবং জামাতে ইসলাম। সাম্প্রতিক সময়ে শহুরে শিক্ষিত তরুণদের মধ্যে উগ্রপন্থী কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার হার বেড়েছে। পরিবার ও সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে তারা অনলাইনে উগ্রপ্রচারকের খপ্পরে পড়ছে। আর সেই পরিবেশ তৈরিতে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার ভূমিকা অস্বীকার করার উপায় নেই।

জামাতে ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র রাজনীতির নামে ক্যাম্পাসে উগ্র মতাদর্শ ছড়িয়েছে। বিএনপি ক্ষমতার স্বার্থে সেই উগ্রতাকে প্রশ্রয় দিয়েছে। ২০০১-০৬ সালে এই দুই দলের জোট সরকার উগ্রবাদীদের প্রতি সমর্থন নীতি নেওয়ায় জেএমবির মতো সংগঠন মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছিল। বর্তমান ২০২৬ সালেও সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটছে বলে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

আত্মপরিচয়ের সংকট, বাঙালি বনাম মুসলমান পরিচয়ের টানাপোড়েন, বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর প্রতি একাত্মতাবোধের অপব্যবহার এসবই তরুণদের উগ্রপন্থার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই পরিস্থিতি তৈরি করতে কারা দায়ী? যারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসে উগ্রবাদীদের প্রতি কুসুম কুসুম প্রেম দেখিয়েছে, তারাই।

বিএনপি-জামাতের এই কুসুম কুসুম প্রেম নীতি শুধু তরুণদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করছে না, জাতীয় নিরাপত্তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেওয়ার যে রাজনীতি আবারও বাংলাদেশে শুরু হয়েছে তাতে অতিশীঘ্রই সন্ত্রাসের নরকযন্ত্রে আরো একবার পতিত হতে যাচ্ছে কপালপোড়া এই সোনার বাংলা।

বিএনপি-জামাত জোট শেষবার যখন ক্ষমতায় ছিলো, অর্থাৎ তাদের ২০০১-০৬ সালের শাসনামলে সারা দেশে জেএমবি, হুজি, হারকাতুল জিহাদসহ একাধিক নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের উত্থান ঘটেছিল। শুধু রামু, চট্টগ্রাম নয়, গোটা দেশে সন্ত্রাসী হামলার ঢেউ বয়ে গিয়েছিল। আজ ২০২৬ সালে আবারও বিএনপি-জামাত ক্ষমতায় আর আবারও দেখা যাচ্ছে ইসলামিক জঙ্গিবাদের পুনরুত্থান।

বাংলাদেশের তরুণরা কেন উগ্রবাদের দিকে ঝুঁকছে, এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বারবার সামনে আসে দুটি নাম। বিএনপি এবং জামাতে ইসলাম। সাম্প্রতিক সময়ে শহুরে শিক্ষিত তরুণদের মধ্যে উগ্রপন্থী কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার হার বেড়েছে। পরিবার ও সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে তারা অনলাইনে উগ্রপ্রচারকের খপ্পরে পড়ছে। আর সেই পরিবেশ তৈরিতে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার ভূমিকা অস্বীকার করার উপায় নেই।

জামাতে ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র রাজনীতির নামে ক্যাম্পাসে উগ্র মতাদর্শ ছড়িয়েছে। বিএনপি ক্ষমতার স্বার্থে সেই উগ্রতাকে প্রশ্রয় দিয়েছে। ২০০১-০৬ সালে এই দুই দলের জোট সরকার উগ্রবাদীদের প্রতি সমর্থন নীতি নেওয়ায় জেএমবির মতো সংগঠন মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছিল। বর্তমান ২০২৬ সালেও সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটছে বলে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

আত্মপরিচয়ের সংকট, বাঙালি বনাম মুসলমান পরিচয়ের টানাপোড়েন, বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর প্রতি একাত্মতাবোধের অপব্যবহার এসবই তরুণদের উগ্রপন্থার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই পরিস্থিতি তৈরি করতে কারা দায়ী? যারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসে উগ্রবাদীদের প্রতি কুসুম কুসুম প্রেম দেখিয়েছে, তারাই।

বিএনপি-জামাতের এই কুসুম কুসুম প্রেম নীতি শুধু তরুণদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করছে না, জাতীয় নিরাপত্তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেওয়ার যে রাজনীতি আবারও বাংলাদেশে শুরু হয়েছে তাতে অতিশীঘ্রই সন্ত্রাসের নরকযন্ত্রে আরো একবার পতিত হতে যাচ্ছে কপালপোড়া এই সোনার বাংলা।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ