ধারে বাজার করছে মানুষ, আয়ের ১০০ ভাগ যাচ্ছে খাবারে তবুও পাতে প্রোটিন নেই

মাসে ১২ হাজার ৫০০ টাকা আয়ের রাবেয়া সুলতানা বাড্ডার বাজারে দাঁড়িয়ে ছিলেন দুই সন্তানের পাতে একটু মাছ দেবেন বলে। সবচেয়ে সস্তা তেলাপিয়ার কেজি ২৫০। ফিরলেন খালি হাতে। যে মাছ এ দেশে গরিবের আমিষ বলে পরিচিত, সেটাই এখন তাঁর কাছে বিলাসিতা।

বিক্রেতারা বলছেন বৃষ্টির কথা। জেলেরা নামতে পারছে না, তাই নাকি সরবরাহ কমেছে! কিন্তু বৃষ্টি তো আটা-ময়দার দাম বাড়ায় না। টিসিবির হিসাবেই এক মাসে প্যাকেট ময়দা বেড়েছে ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ, প্যাকেট আটা ৮ শতাংশ। বৃষ্টি ডিমের দামও বাড়ায় না, অথচ যখন কমার কথা তখনই বেড়ে হালি এখন ৫৫ টাকা। চাষের মাছ তো আর নদীর জেলের ওপর নির্ভর করে না। সেখানে দাম বাড়ার আসল কারণ ফিড।

সয়াবিন মিল ৫৪-৫৫ টাকা থেকে ৬৫তে উঠেছে, নতুন চালানে ৭০ ছুঁবে। তিন মাসে ফিডের দাম বেড়েছে তিন দফায়। এর সঙ্গে পরিবহন খরচ, বিদ্যুৎ বিল, ব্যাংকের সুদ, সবই ঊর্ধ্বমুখী। এর কোনোটাই আকাশ থেকে পড়েনি। জ্বালানির দাম আর বিদ্যুতের দাম ঠিক করে সরকার, ডলারের বাজার আর সুদের হারের দিকেও নজর রাখার দায়িত্ব তাদেরই।

ফল কী দাঁড়াল? ছোট ফিড মিল টিকতে না পেরে উৎপাদন কমাচ্ছে বা বন্ধ করছে। খামারি বলছেন ওষুধের মান আর ফিডের ভেজাল নিয়ে কোনো নজরদারিই নেই। ক্যাব বলছে ব্যবসায়ীরা যৌক্তিকের চেয়ে অনেক বেশি দাম হাঁকছে, অথচ বাজারে তদারকির চিহ্ন নেই।

পুষ্টিবিদ জানাচ্ছেন, কারও কারও আয়ের ৮০ থেকে ১০০ শতাংশ চলে যাচ্ছে শুধু খাবারে, তবু শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিন পৌঁছাচ্ছে না। শিম ২০০, বেগুন ১০০, করলা ৮০। মানুষ ধার করে বাজার-সদাই করে চলছে। কিন্তু এভাবে আর কতোদিন?

মাসে ১২ হাজার ৫০০ টাকা আয়ের রাবেয়া সুলতানা বাড্ডার বাজারে দাঁড়িয়ে ছিলেন দুই সন্তানের পাতে একটু মাছ দেবেন বলে। সবচেয়ে সস্তা তেলাপিয়ার কেজি ২৫০। ফিরলেন খালি হাতে। যে মাছ এ দেশে গরিবের আমিষ বলে পরিচিত, সেটাই এখন তাঁর কাছে বিলাসিতা।

বিক্রেতারা বলছেন বৃষ্টির কথা। জেলেরা নামতে পারছে না, তাই নাকি সরবরাহ কমেছে! কিন্তু বৃষ্টি তো আটা-ময়দার দাম বাড়ায় না। টিসিবির হিসাবেই এক মাসে প্যাকেট ময়দা বেড়েছে ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ, প্যাকেট আটা ৮ শতাংশ। বৃষ্টি ডিমের দামও বাড়ায় না, অথচ যখন কমার কথা তখনই বেড়ে হালি এখন ৫৫ টাকা। চাষের মাছ তো আর নদীর জেলের ওপর নির্ভর করে না। সেখানে দাম বাড়ার আসল কারণ ফিড।

সয়াবিন মিল ৫৪-৫৫ টাকা থেকে ৬৫তে উঠেছে, নতুন চালানে ৭০ ছুঁবে। তিন মাসে ফিডের দাম বেড়েছে তিন দফায়। এর সঙ্গে পরিবহন খরচ, বিদ্যুৎ বিল, ব্যাংকের সুদ, সবই ঊর্ধ্বমুখী। এর কোনোটাই আকাশ থেকে পড়েনি। জ্বালানির দাম আর বিদ্যুতের দাম ঠিক করে সরকার, ডলারের বাজার আর সুদের হারের দিকেও নজর রাখার দায়িত্ব তাদেরই।

ফল কী দাঁড়াল? ছোট ফিড মিল টিকতে না পেরে উৎপাদন কমাচ্ছে বা বন্ধ করছে। খামারি বলছেন ওষুধের মান আর ফিডের ভেজাল নিয়ে কোনো নজরদারিই নেই। ক্যাব বলছে ব্যবসায়ীরা যৌক্তিকের চেয়ে অনেক বেশি দাম হাঁকছে, অথচ বাজারে তদারকির চিহ্ন নেই।

পুষ্টিবিদ জানাচ্ছেন, কারও কারও আয়ের ৮০ থেকে ১০০ শতাংশ চলে যাচ্ছে শুধু খাবারে, তবু শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিন পৌঁছাচ্ছে না। শিম ২০০, বেগুন ১০০, করলা ৮০। মানুষ ধার করে বাজার-সদাই করে চলছে। কিন্তু এভাবে আর কতোদিন?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ