৬ মিলিয়ন বনাম ৫১০ বিলিয়ন: বিএনপির অপশাসনে বাংলাদেশের স্টার্টআপগুলো যেভাবে দেউলিয়া হওয়ার পথে

৬ মিলিয়ন ডলার। এই সংখ্যাটা দিয়েই শুরু করা যাক। গত বছর এই একই ছয় মাসে এসেছিল ১২০ মিলিয়ন ডলার। এক বছরে ৯৫% ধ্বস, অথচ ঠিক এই সময়েই বিশ্বব্যাপী স্টার্টআপ পুঁজি রেকর্ড গড়ে পৌঁছেছে ৫১০ বিলিয়নে। তার মানে সমস্যাটা বৈশ্বিক মন্দা না, সমস্যাটা এই দেশ, এই সরকার, এই শাসনব্যবস্থা।

এই ছয় মাসে বাংলাদেশি স্টার্টআপে যত টাকা ঢুকেছে, তার একটি পয়সাও আসেনি কোনো দেশি বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে। শতভাগ বিদেশি। নিজের দেশের পুঁজিবাজার, ব্যাংক, ধনী শ্রেণি কেউ নিজের দেশের তরুণ উদ্যোক্তার ওপর ভরসা রাখতে রাজি না, কারণ তারা জানে এই সরকারের অধীনে ঝুঁকি নেওয়ার মানে টাকা ডুবানো।

মাথাপিছু হিসাবে বাংলাদেশ টেনেছে মাত্র ৩০ সেন্ট বিনিয়োগ, এক দশক ধরে। ভারতের স্টার্টআপ নীতি একটা মডেল হিসেবে দাঁড় করানো হয়েছে, অথচ এই সরকার সেই দিকে তাকানোরও প্রয়োজন বোধ করেনি। উল্টো ফলাফল যা হওয়ার তাই হয়েছে, দেশের উদ্যোক্তারা কোম্পানি খুলছেন সিঙ্গাপুরে, দুবাইয়ে। মেধা আর পুঁজি দুটোই পালাচ্ছে, কারণ নিবন্ধন থেকে শুরু করে মুনাফা দেশে ফেরত আনা পর্যন্ত প্রতিটা ধাপে আলাদা আলাদা সরকারি দপ্তরের ছাড়পত্র লাগে। একটা ব্যবসা শুরু করতে গেলে যেন দশটা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিতে হয়।

লেট-স্টেজ বিনিয়োগ বলে কিছু নেই বললেই চলে এই ছয় মাসে। মানে যেসব স্টার্টআপ ইতিমধ্যে টিকে গেছে, বড় হয়েছে, তাদের বাড়তে দেওয়ার মতো কোনো পরিবেশ নেই। বিনিয়োগকারীরা ঢুকতেই পারছে না, ঢুকলেও টাকা তুলে নেওয়ার পথ নেই, কারণ শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তি বা অধিগ্রহণের বাজারই গড়ে ওঠেনি। এটা এমন একটা অর্থনীতি যেখানে বিনিয়োগ ঢোকা আর বের হওয়া দুটোই কঠিন, সেখানে কেউ টাকা রাখতে চাইবে কেন।

একই সময়ে চীন, ভারত, সিঙ্গাপুর মিলে বিনিয়োগ টেনেছে ২৭ বিলিয়ন থেকে বেড়ে ৭০ বিলিয়নে। প্রতিবেশীরা যখন এগোচ্ছে দ্বিগুণেরও বেশি গতিতে, বাংলাদেশ তখন পেছাচ্ছে উল্টোদিকে। এটা দুর্ভাগ্য না, এটা নীতিগত ব্যর্থতা।

২০০১ থেকে ২০০৬ সালের বিএনপি সরকারের সময়ও বিনিয়োগকারীরা দেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল একই কারণে, আমলাতন্ত্রের জটিলতা, নীতির অস্থিরতা, আর শাসকগোষ্ঠীর অর্থনীতি বোঝার প্রতি অনীহা। ২০২৬ সালে এসে সেই একই ঘটনা আবারও ঘটছে, শুধু পরিসংখ্যানের ভাষায় আরও স্পষ্ট আর আরও নির্মমভাবে।

৬ মিলিয়ন ডলার। এই সংখ্যাটা দিয়েই শুরু করা যাক। গত বছর এই একই ছয় মাসে এসেছিল ১২০ মিলিয়ন ডলার। এক বছরে ৯৫% ধ্বস, অথচ ঠিক এই সময়েই বিশ্বব্যাপী স্টার্টআপ পুঁজি রেকর্ড গড়ে পৌঁছেছে ৫১০ বিলিয়নে। তার মানে সমস্যাটা বৈশ্বিক মন্দা না, সমস্যাটা এই দেশ, এই সরকার, এই শাসনব্যবস্থা।

এই ছয় মাসে বাংলাদেশি স্টার্টআপে যত টাকা ঢুকেছে, তার একটি পয়সাও আসেনি কোনো দেশি বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে। শতভাগ বিদেশি। নিজের দেশের পুঁজিবাজার, ব্যাংক, ধনী শ্রেণি কেউ নিজের দেশের তরুণ উদ্যোক্তার ওপর ভরসা রাখতে রাজি না, কারণ তারা জানে এই সরকারের অধীনে ঝুঁকি নেওয়ার মানে টাকা ডুবানো।

মাথাপিছু হিসাবে বাংলাদেশ টেনেছে মাত্র ৩০ সেন্ট বিনিয়োগ, এক দশক ধরে। ভারতের স্টার্টআপ নীতি একটা মডেল হিসেবে দাঁড় করানো হয়েছে, অথচ এই সরকার সেই দিকে তাকানোরও প্রয়োজন বোধ করেনি। উল্টো ফলাফল যা হওয়ার তাই হয়েছে, দেশের উদ্যোক্তারা কোম্পানি খুলছেন সিঙ্গাপুরে, দুবাইয়ে। মেধা আর পুঁজি দুটোই পালাচ্ছে, কারণ নিবন্ধন থেকে শুরু করে মুনাফা দেশে ফেরত আনা পর্যন্ত প্রতিটা ধাপে আলাদা আলাদা সরকারি দপ্তরের ছাড়পত্র লাগে। একটা ব্যবসা শুরু করতে গেলে যেন দশটা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিতে হয়।

লেট-স্টেজ বিনিয়োগ বলে কিছু নেই বললেই চলে এই ছয় মাসে। মানে যেসব স্টার্টআপ ইতিমধ্যে টিকে গেছে, বড় হয়েছে, তাদের বাড়তে দেওয়ার মতো কোনো পরিবেশ নেই। বিনিয়োগকারীরা ঢুকতেই পারছে না, ঢুকলেও টাকা তুলে নেওয়ার পথ নেই, কারণ শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তি বা অধিগ্রহণের বাজারই গড়ে ওঠেনি। এটা এমন একটা অর্থনীতি যেখানে বিনিয়োগ ঢোকা আর বের হওয়া দুটোই কঠিন, সেখানে কেউ টাকা রাখতে চাইবে কেন।

একই সময়ে চীন, ভারত, সিঙ্গাপুর মিলে বিনিয়োগ টেনেছে ২৭ বিলিয়ন থেকে বেড়ে ৭০ বিলিয়নে। প্রতিবেশীরা যখন এগোচ্ছে দ্বিগুণেরও বেশি গতিতে, বাংলাদেশ তখন পেছাচ্ছে উল্টোদিকে। এটা দুর্ভাগ্য না, এটা নীতিগত ব্যর্থতা।

২০০১ থেকে ২০০৬ সালের বিএনপি সরকারের সময়ও বিনিয়োগকারীরা দেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল একই কারণে, আমলাতন্ত্রের জটিলতা, নীতির অস্থিরতা, আর শাসকগোষ্ঠীর অর্থনীতি বোঝার প্রতি অনীহা। ২০২৬ সালে এসে সেই একই ঘটনা আবারও ঘটছে, শুধু পরিসংখ্যানের ভাষায় আরও স্পষ্ট আর আরও নির্মমভাবে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ