সাজিদরা মরেছে সাত হাসপাতাল ঘুরে, আর বিএনপি-জামায়াত ব্যস্ত ইউনুসকে বাঁচাতে!

নিজের সন্তানের লাশ কাঁধে নিয়ে ৭ মাসের সাজিদের বাবা সারা দেশকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, এই দেশে সাধারণ মানুষের জীবনের কী মূল্য! অথচ সেই আর্তনাদেও কান পাতে না একদল মুখোশধারী রাজনৈতিক শকুন।

ক্ষমতার মসনদে বসে তারা চায় শুধু প্রতিহিংসার রাজনীতি করতে। সাজিদের মৃত্যুর জন্য দায়ী কে? এই প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে বিএনপি-জামায়াত জোট বরং ব্যস্ত থাকে দুর্নীতির মহাকাব্য রচনায়। ইউনুস সরকার যখন স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ধসিয়ে দিয়ে গেছে, তার ফলশ্রুতিতে যখন একটা শিশু সাতটা হাসপাতাল ঘুরেও চিকিৎসা পাচ্ছে না, তখন এই তথাকথিত রাজনৈতিক দলের নেতারা ব্যস্ত নিজেদের পকেট ভারী করতে।

প্রশ্ন জাগে, ইউনুসকে গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনতে কেনো বিএনপির গায়ে জ্বর আসে? কারণটা পরিষ্কার। এরা পরস্পরের অপরাধের ঢাল। একজন গণহত্যার দায়ে অভিযুক্ত, অন্যজন সেনানিবাসের ছত্রছায়ায় বেড়ে ওঠা সন্ত্রাস ও দুর্নীতির আঁতুড়ঘর। এদের হাত ধরাধরি করে চলার ইতিহাস এখন আর কারও অজানা নয়।

শিশু হত্যার দায় এড়াতে চায় তারা, কারণ নিজেদের গায়েও একই পাপের ছাপ। সাজিদের রক্ত শুধু ইউনুসের হাতেই নয়, যারা পর্দার আড়াল থেকে এই স্বৈরাচারী ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রেখেছিলো, তাদের প্রত্যেকের কপালেও লেগে আছে। জামায়াতের জঙ্গিবাদ আর বিএনপির সন্ত্রাস আজ এক হয়ে চায় দেশটাকে চিরতরে অন্ধকারে ডুবিয়ে দিতে।

নিজের সন্তানের লাশ কাঁধে নিয়ে ৭ মাসের সাজিদের বাবা সারা দেশকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, এই দেশে সাধারণ মানুষের জীবনের কী মূল্য! অথচ সেই আর্তনাদেও কান পাতে না একদল মুখোশধারী রাজনৈতিক শকুন।

ক্ষমতার মসনদে বসে তারা চায় শুধু প্রতিহিংসার রাজনীতি করতে। সাজিদের মৃত্যুর জন্য দায়ী কে? এই প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে বিএনপি-জামায়াত জোট বরং ব্যস্ত থাকে দুর্নীতির মহাকাব্য রচনায়। ইউনুস সরকার যখন স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ধসিয়ে দিয়ে গেছে, তার ফলশ্রুতিতে যখন একটা শিশু সাতটা হাসপাতাল ঘুরেও চিকিৎসা পাচ্ছে না, তখন এই তথাকথিত রাজনৈতিক দলের নেতারা ব্যস্ত নিজেদের পকেট ভারী করতে।

প্রশ্ন জাগে, ইউনুসকে গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনতে কেনো বিএনপির গায়ে জ্বর আসে? কারণটা পরিষ্কার। এরা পরস্পরের অপরাধের ঢাল। একজন গণহত্যার দায়ে অভিযুক্ত, অন্যজন সেনানিবাসের ছত্রছায়ায় বেড়ে ওঠা সন্ত্রাস ও দুর্নীতির আঁতুড়ঘর। এদের হাত ধরাধরি করে চলার ইতিহাস এখন আর কারও অজানা নয়।

শিশু হত্যার দায় এড়াতে চায় তারা, কারণ নিজেদের গায়েও একই পাপের ছাপ। সাজিদের রক্ত শুধু ইউনুসের হাতেই নয়, যারা পর্দার আড়াল থেকে এই স্বৈরাচারী ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রেখেছিলো, তাদের প্রত্যেকের কপালেও লেগে আছে। জামায়াতের জঙ্গিবাদ আর বিএনপির সন্ত্রাস আজ এক হয়ে চায় দেশটাকে চিরতরে অন্ধকারে ডুবিয়ে দিতে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ