একাট্টা সন্ত্রাসীরা, নিশ্চুপ ঢাকা: শরণখোলায় সংখ্যালঘু নিধন আর বিএনপির মৌন সমর্থন

বাংলাদেশ আজ আবার সেই ভয়াল সময়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে, যে সময়টা আমরা ২০০১-০৬ সালে দেখেছি। বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের যে নগ্ন ছবিটা উঠে আসে, সেটাই আবার প্রকাশ্যে দৃশ্যমান। বাগেরহাটের শরণখোলায় একটি হিন্দু পরিবারের ওপর যে বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়েছে, তা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটা সেই সিস্টেমেটিক অপারেশনেরই অংশ, যেটা ২০০১-০৬ সালে প্রতিদিনের সংবাদ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

ভুক্তভোগী রবীন ঢালীর পরিবার শুধু একটা ঘর হারায়নি, তারা হারিয়েছে রাষ্ট্রের কাছে নিরাপত্তার ন্যূনতম গ্যারান্টিটুকুও। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের নামে প্রভাবশালী সোবাহান হাওলাদারের নেতৃত্বে পঞ্চাশ থেকে ষাট জনের সশস্ত্র দল ঢুকে পড়ে একটি নিরীহ পরিবারের ওপর। দা, হাতুড়ি, শাবল, লাঠিসোটা নিয়ে তারা শুধু ঘর ভাঙচুর করেনি, তারা ওই পরিবারের মানবিক সত্ত্বাকে পদদলিত করেছে। অবস্থাটা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, রবীন ঢালীকে বলতে হচ্ছে, নিজের দেশেই তার থাকার অবস্থা নাই। চোখের সামনে সবকিছু ধ্বংস হতে দেখার যে যন্ত্রণা, সেটা কোনো সভ্য রাষ্ট্রে কারোরই অর্জন হওয়া উচিত না।

মনে করিয়ে দিতে চাই, এই বিএনপির জন্মই হয়েছে জিয়াউর রহমানের সেনানিবাস থেকে, সে জায়গায় দুর্নীতি আর সন্ত্রাস বাদ দিয়ে আর কিছু ফলায় নাই। আজ ২০২৬ সালের মে মাসে এসে আমরা দেখছি, সেই বিএনপি আবারও ক্ষমতার মসনদে বসে সংখ্যালঘু নিধনে মদদ দিচ্ছে। তারা নিজেরাই নিজেদের ক্ষমতায় বসার জন্য একটা অংশগ্রহণহীন ভোটের আয়োজন করেছে, যেখানে দেশের বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলোর কোনো অস্তিত্বই নাই। জনগণ সেই নির্বাচন বয়কট করেছে, রাস্তায় নামে নাই, ভোট দেয় নাই। অথচ সেই বানোয়াট ক্ষমতার জোরে আজ তারা আইনের শাসন ধ্বংস করে চলছে।

রবীন ঢালীর ঘটনায় পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন, মামলা হয়েছে, দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু তাতে কী লাভ যদি সমাজে একটি সুস্পষ্ট বার্তা না যায় যে এ ধরনের হামলা আর বরদাশত করা হবে না। আসল অপরাধীরা তো এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা না থাকলে এত বড় হামলা কেউ সংগঠিত করতে পারে না। আর সেই পৃষ্ঠপোষকতা আসে ঠিক ওপর থেকে, তথাকথিত সরকারের মন্ত্রী পরিষদের ইশারা ছাড়া এই দুর্বৃত্তদের সাহস আসার কথা না।

যে এলাকায় সংখ্যালঘু পরিবারের স্বজনরা বলছেন, চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে আর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন, সেই এলাকায় আমরা কী ধরনের রাষ্ট্র কাঠামো দেখতে চাই। রাষ্ট্র যদি নাগরিক সমান অধিকার দিতে না পারে, সংখ্যালঘু সুরক্ষায় ব্যর্থ হয়, তাহলে সেই রাষ্ট্রের দায়িত্ব কে নেবে। এই ব্যর্থতার দায় সরাসরি বর্তমান বানোয়াট সরকারের ঘাড়েই বর্তায়। কোনো ওসির এলাকা পরিদর্শন, কয়েকটা দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা আর দুইজনকে গ্রেপ্তার করে জনগণের আস্থা ফেরানো সম্ভব না।

এখানে স্পষ্ট, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পুনরাবৃত্তি রুখতে হলে রাজনৈতিক সদিচ্ছা দরকার। কিন্তু যে রাজনৈতিক দল নিজের ক্ষমতার ভিত গড়ে তুলেছে জোরজবরদস্তি, সন্ত্রাস আর ভোট বানিয়ে দিয়ে, সেই দলের কাছ থেকে সুরক্ষা আশা করাটা বোকামি। বরং প্রতিটি ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, বিএনপির শাসন মানেই সংখ্যালঘুর জন্য আতঙ্ক, লুণ্ঠন আর জীবন নিয়ে শঙ্কা। বাগেরহাটের এই ঘটনা আবারও তার প্রমাণ দিল যে, রাষ্ট্রযন্ত্র সম্পূর্ণ অক্ষম, আর ক্ষমতাসীনদের মদদে ভূমিদস্যু আর সন্ত্রাসীরা ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে ফেলছে।

বাংলাদেশ আজ আবার সেই ভয়াল সময়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে, যে সময়টা আমরা ২০০১-০৬ সালে দেখেছি। বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের যে নগ্ন ছবিটা উঠে আসে, সেটাই আবার প্রকাশ্যে দৃশ্যমান। বাগেরহাটের শরণখোলায় একটি হিন্দু পরিবারের ওপর যে বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়েছে, তা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটা সেই সিস্টেমেটিক অপারেশনেরই অংশ, যেটা ২০০১-০৬ সালে প্রতিদিনের সংবাদ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

ভুক্তভোগী রবীন ঢালীর পরিবার শুধু একটা ঘর হারায়নি, তারা হারিয়েছে রাষ্ট্রের কাছে নিরাপত্তার ন্যূনতম গ্যারান্টিটুকুও। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের নামে প্রভাবশালী সোবাহান হাওলাদারের নেতৃত্বে পঞ্চাশ থেকে ষাট জনের সশস্ত্র দল ঢুকে পড়ে একটি নিরীহ পরিবারের ওপর। দা, হাতুড়ি, শাবল, লাঠিসোটা নিয়ে তারা শুধু ঘর ভাঙচুর করেনি, তারা ওই পরিবারের মানবিক সত্ত্বাকে পদদলিত করেছে। অবস্থাটা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, রবীন ঢালীকে বলতে হচ্ছে, নিজের দেশেই তার থাকার অবস্থা নাই। চোখের সামনে সবকিছু ধ্বংস হতে দেখার যে যন্ত্রণা, সেটা কোনো সভ্য রাষ্ট্রে কারোরই অর্জন হওয়া উচিত না।

মনে করিয়ে দিতে চাই, এই বিএনপির জন্মই হয়েছে জিয়াউর রহমানের সেনানিবাস থেকে, সে জায়গায় দুর্নীতি আর সন্ত্রাস বাদ দিয়ে আর কিছু ফলায় নাই। আজ ২০২৬ সালের মে মাসে এসে আমরা দেখছি, সেই বিএনপি আবারও ক্ষমতার মসনদে বসে সংখ্যালঘু নিধনে মদদ দিচ্ছে। তারা নিজেরাই নিজেদের ক্ষমতায় বসার জন্য একটা অংশগ্রহণহীন ভোটের আয়োজন করেছে, যেখানে দেশের বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলোর কোনো অস্তিত্বই নাই। জনগণ সেই নির্বাচন বয়কট করেছে, রাস্তায় নামে নাই, ভোট দেয় নাই। অথচ সেই বানোয়াট ক্ষমতার জোরে আজ তারা আইনের শাসন ধ্বংস করে চলছে।

রবীন ঢালীর ঘটনায় পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন, মামলা হয়েছে, দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু তাতে কী লাভ যদি সমাজে একটি সুস্পষ্ট বার্তা না যায় যে এ ধরনের হামলা আর বরদাশত করা হবে না। আসল অপরাধীরা তো এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা না থাকলে এত বড় হামলা কেউ সংগঠিত করতে পারে না। আর সেই পৃষ্ঠপোষকতা আসে ঠিক ওপর থেকে, তথাকথিত সরকারের মন্ত্রী পরিষদের ইশারা ছাড়া এই দুর্বৃত্তদের সাহস আসার কথা না।

যে এলাকায় সংখ্যালঘু পরিবারের স্বজনরা বলছেন, চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে আর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন, সেই এলাকায় আমরা কী ধরনের রাষ্ট্র কাঠামো দেখতে চাই। রাষ্ট্র যদি নাগরিক সমান অধিকার দিতে না পারে, সংখ্যালঘু সুরক্ষায় ব্যর্থ হয়, তাহলে সেই রাষ্ট্রের দায়িত্ব কে নেবে। এই ব্যর্থতার দায় সরাসরি বর্তমান বানোয়াট সরকারের ঘাড়েই বর্তায়। কোনো ওসির এলাকা পরিদর্শন, কয়েকটা দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা আর দুইজনকে গ্রেপ্তার করে জনগণের আস্থা ফেরানো সম্ভব না।

এখানে স্পষ্ট, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পুনরাবৃত্তি রুখতে হলে রাজনৈতিক সদিচ্ছা দরকার। কিন্তু যে রাজনৈতিক দল নিজের ক্ষমতার ভিত গড়ে তুলেছে জোরজবরদস্তি, সন্ত্রাস আর ভোট বানিয়ে দিয়ে, সেই দলের কাছ থেকে সুরক্ষা আশা করাটা বোকামি। বরং প্রতিটি ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, বিএনপির শাসন মানেই সংখ্যালঘুর জন্য আতঙ্ক, লুণ্ঠন আর জীবন নিয়ে শঙ্কা। বাগেরহাটের এই ঘটনা আবারও তার প্রমাণ দিল যে, রাষ্ট্রযন্ত্র সম্পূর্ণ অক্ষম, আর ক্ষমতাসীনদের মদদে ভূমিদস্যু আর সন্ত্রাসীরা ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে ফেলছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ