জনসভায়-সংসদে বেফাঁস বক্তব্য, হাসির খোরাকে পরিণত হচ্ছে তারেক জিয়া

মুচলেকা দিয়ে রাজনীতি না করার প্রতিশ্রুতি দেশ ছেড়েছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশ চালানোর সুযোগ পেয়েছেন তিনি। তবে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করলেও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা এবং ইতিহাস নিয়ে বারবার হোঁচট খাচ্ছেন তারেক রহমান। বিভিন্ন জনসভা ও সংসদীয় অধিবেশনে তাঁর একের পর এক বিভ্রান্তিকর তথ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হাসির খোরাক যোগাচ্ছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও বইছে সমালোচনার ঝড়।

সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দাবি করেন, ১৯৭৯ সালের নির্বাচনের সময় মওলানা ভাসানী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে ‘ধানের শীষ’ তুলে দিয়েছিলেন। অথচ ঐতিহাসিক সত্য হলো, মওলানা ভাসানী মৃত্যুবরণ করেন ১৯৭৬ সালে। মৃত ব্যক্তির মাধ্যমে প্রতীক হস্তান্তরের এই আজব দাবি ভাইরাল হওয়ার পর নেটিজেনরা ট্রল করে বলছেন, “জিয়াউর রহমানকে প্রতীক দিতে কি মওলানা ভাসানী কবর থেকে উঠে এসেছিলেন?”

ফরিদপুরের এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী যখন জনতার কাছে জানতে চান, সেখানে প্রচুর সয়াবিন চাষ হয় কি না, তখন উপস্থিত জনতা সমস্বরে ‘না’ বলে তাঁকে সংশোধন করে দেয়। পরে দলীয় নেতাদের হস্তক্ষেপে জানা যায়, সেখানে আসলে সয়াবিন নয়, ভুট্টা চাষ হয়।

অনুরূপ ঘটনা ঘটে কুমিল্লার জনসভাতেও। সেখানে তিনি কুমিল্লাকে ইপিজেড করার ঘোষণা দেন, অথচ ২০০০ সালেই অর্থাৎ ২৬ বছর আগে কুমিল্লা ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই ধরনের ভুল বক্তব্য তাঁর দীর্ঘ প্রবাস জীবনের কারণে দেশের সমসাময়িক উন্নয়ন সম্পর্কে অজ্ঞতাকেই সামনে আনছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

জাতীয় সংসদে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রাইভেট স্কুলের ব্যাপারে গাইডলাইন তো সরকারের দেয়ার কথা না।” তার এই বক্তব্যে বিষ্ময় প্রকাশ করেছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।

বাস্তবতা: ২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষা নীতিমালা অনুযায়ী, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের জন্য এনটিআরসিএ (NTRCA) এর কঠোর গাইডলাইন রয়েছে এবং মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ বাধ্যতামূলক। দেশের প্রধান নির্বাহীর পদে থেকে বিদ্যমান সরকারি নীতিমালা সম্পর্কে এমন ধারণা পোষণ করাকে ‘মূর্খতা’ বলে অভিহিত করছেন বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা।

দেশে ফেরার পর স্বল্পভাষী হিসেবে পরিচিত পান তারেক। তবে গত কয়েকদিনে তিনি মুখ খুলতেই একের পর এক যে তথ্যগত ভুল বা ‘ব্লান্ডার’ করছেন, তাতে নেটিজেনদের একাংশ বলছেন— হয়তো ভুল এড়াতেই তিনি এতদিন চুপ ছিলেন। সংসদে প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ‘প্রাথমিক বিশ্ববিদ্যালয়’ সম্বোধন করার মতো ঘটনাগুলো তাঁর রাজনৈতিক পরিপক্বতাকেই এখন বড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।

মুচলেকা দিয়ে রাজনীতি না করার প্রতিশ্রুতি দেশ ছেড়েছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশ চালানোর সুযোগ পেয়েছেন তিনি। তবে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করলেও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা এবং ইতিহাস নিয়ে বারবার হোঁচট খাচ্ছেন তারেক রহমান। বিভিন্ন জনসভা ও সংসদীয় অধিবেশনে তাঁর একের পর এক বিভ্রান্তিকর তথ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হাসির খোরাক যোগাচ্ছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও বইছে সমালোচনার ঝড়।

সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দাবি করেন, ১৯৭৯ সালের নির্বাচনের সময় মওলানা ভাসানী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে ‘ধানের শীষ’ তুলে দিয়েছিলেন। অথচ ঐতিহাসিক সত্য হলো, মওলানা ভাসানী মৃত্যুবরণ করেন ১৯৭৬ সালে। মৃত ব্যক্তির মাধ্যমে প্রতীক হস্তান্তরের এই আজব দাবি ভাইরাল হওয়ার পর নেটিজেনরা ট্রল করে বলছেন, “জিয়াউর রহমানকে প্রতীক দিতে কি মওলানা ভাসানী কবর থেকে উঠে এসেছিলেন?”

ফরিদপুরের এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী যখন জনতার কাছে জানতে চান, সেখানে প্রচুর সয়াবিন চাষ হয় কি না, তখন উপস্থিত জনতা সমস্বরে ‘না’ বলে তাঁকে সংশোধন করে দেয়। পরে দলীয় নেতাদের হস্তক্ষেপে জানা যায়, সেখানে আসলে সয়াবিন নয়, ভুট্টা চাষ হয়।

অনুরূপ ঘটনা ঘটে কুমিল্লার জনসভাতেও। সেখানে তিনি কুমিল্লাকে ইপিজেড করার ঘোষণা দেন, অথচ ২০০০ সালেই অর্থাৎ ২৬ বছর আগে কুমিল্লা ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই ধরনের ভুল বক্তব্য তাঁর দীর্ঘ প্রবাস জীবনের কারণে দেশের সমসাময়িক উন্নয়ন সম্পর্কে অজ্ঞতাকেই সামনে আনছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

জাতীয় সংসদে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রাইভেট স্কুলের ব্যাপারে গাইডলাইন তো সরকারের দেয়ার কথা না।” তার এই বক্তব্যে বিষ্ময় প্রকাশ করেছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।

বাস্তবতা: ২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষা নীতিমালা অনুযায়ী, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের জন্য এনটিআরসিএ (NTRCA) এর কঠোর গাইডলাইন রয়েছে এবং মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ বাধ্যতামূলক। দেশের প্রধান নির্বাহীর পদে থেকে বিদ্যমান সরকারি নীতিমালা সম্পর্কে এমন ধারণা পোষণ করাকে ‘মূর্খতা’ বলে অভিহিত করছেন বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা।

দেশে ফেরার পর স্বল্পভাষী হিসেবে পরিচিত পান তারেক। তবে গত কয়েকদিনে তিনি মুখ খুলতেই একের পর এক যে তথ্যগত ভুল বা ‘ব্লান্ডার’ করছেন, তাতে নেটিজেনদের একাংশ বলছেন— হয়তো ভুল এড়াতেই তিনি এতদিন চুপ ছিলেন। সংসদে প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ‘প্রাথমিক বিশ্ববিদ্যালয়’ সম্বোধন করার মতো ঘটনাগুলো তাঁর রাজনৈতিক পরিপক্বতাকেই এখন বড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ