অথর্ব ইউনূস গংয়ের পর বিএনপি সরকারের আবির্ভাব যেন ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’

দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি লিমিটেডের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি বন্ধ; গত রোবাবার বিকালে শেষ পরিশোধন কার্যক্রম চালনার মাধ্যমে বন্ধ হলো ১৬ ধরনের তেল উৎপাদন; ঝুঁকিতে পড়লো বাংলাদেশ।

দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধনকারী ইস্টার্ন রিফাইনারি (ইআরএল) সংকটের কারণেই গত মাস থেকে পরিশোধনের পরিমাণ সাড়ে তিন হাজার টন করেছিলো। গত মার্চের ৪ তারিখেই এই তেলের মজুত মাত্র ২ হাজার টনের নিচে নেমে যায় এবং ডেডস্টকের নিচে নেমে যাওয়ায় প্লান্ট কতৃপক্ষ ক্ষতি এড়াতে পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ রাখার সীদ্ধান্ত নেয়।

বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রতি বছর ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়, প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে, যা ইআরএলে পরিশোধন করা হয়। আমদানিকৃত জ্বালানি তেলের মধ্যে ডিজেল ও অপোরিশোধিত তেলের পরিমাণই বেশি। কিন্তু বিএনপির ব্যর্থ পররাষ্ট্র নীতির বলি হয়ে বাংলাদেশের তেলবাহী জাহাজগুলো হরমুজ প্রণালী থেকে ছাড়পত্র পাচ্ছে না।

অথচ জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্মিত বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশীপ পাইপলাইনের মাধ্যমেই এই সংকটের সময় দেশে ৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল ঢুকেছে এবং এপ্রিলের মধ্যেই ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আনা হবে।

শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকার জাতির জন্যে কত বড় আশীর্বাদ ছিলো, আজকের তেল সংকট তা আবারো জানান দিচ্ছে। জানতে ইচ্ছে করে ‘আই হ্যাভ অ্যা প্লান’ বলে ব্লাফমাস্টার সরকার প্রধান কি জাতীয় সংকট মোকাবেলা করার যোগ্যতা রাখেন কিনা! যদি থেকেই থাকে, তবে কেন জনতা ঘন্টার পর ঘন্টা পাম্পের সামনে লাইনে, মাসের পর মাস কেন গোটা জাতি ভোগান্তিতে?

দেশ ও জাতির কল্যাণে জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী পররাষ্ট্র নীতি বাংলাদেশকে সকল সংকট থেকেই দূরে রেখেছিলো। অথচ, দেশবিরোধী ফ্যাসিস্ট ইউনূস গংয়ের পর বিএনপির ‘পারমিশন’ নির্ভর নতজানু পররাষ্ট্র নীতি জাতিকে সংকটের মধ্যে মাসের পর মাস ডুবিয়ে রেখেছে। ওরা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে, নিশ্চিহ্ন করে ওদের ব্যর্থতা ঢাকতে চায়। ব্যর্থ ও নতজানু সরকারের হাতে রাষ্ট্রকে পিছিয়ে দেবার ষড়যন্ত্র জনগণকেই রুখে দিতে হবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাথে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে।

দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি লিমিটেডের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি বন্ধ; গত রোবাবার বিকালে শেষ পরিশোধন কার্যক্রম চালনার মাধ্যমে বন্ধ হলো ১৬ ধরনের তেল উৎপাদন; ঝুঁকিতে পড়লো বাংলাদেশ।

দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধনকারী ইস্টার্ন রিফাইনারি (ইআরএল) সংকটের কারণেই গত মাস থেকে পরিশোধনের পরিমাণ সাড়ে তিন হাজার টন করেছিলো। গত মার্চের ৪ তারিখেই এই তেলের মজুত মাত্র ২ হাজার টনের নিচে নেমে যায় এবং ডেডস্টকের নিচে নেমে যাওয়ায় প্লান্ট কতৃপক্ষ ক্ষতি এড়াতে পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ রাখার সীদ্ধান্ত নেয়।

বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রতি বছর ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়, প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে, যা ইআরএলে পরিশোধন করা হয়। আমদানিকৃত জ্বালানি তেলের মধ্যে ডিজেল ও অপোরিশোধিত তেলের পরিমাণই বেশি। কিন্তু বিএনপির ব্যর্থ পররাষ্ট্র নীতির বলি হয়ে বাংলাদেশের তেলবাহী জাহাজগুলো হরমুজ প্রণালী থেকে ছাড়পত্র পাচ্ছে না।

অথচ জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্মিত বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশীপ পাইপলাইনের মাধ্যমেই এই সংকটের সময় দেশে ৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল ঢুকেছে এবং এপ্রিলের মধ্যেই ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আনা হবে।

শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকার জাতির জন্যে কত বড় আশীর্বাদ ছিলো, আজকের তেল সংকট তা আবারো জানান দিচ্ছে। জানতে ইচ্ছে করে ‘আই হ্যাভ অ্যা প্লান’ বলে ব্লাফমাস্টার সরকার প্রধান কি জাতীয় সংকট মোকাবেলা করার যোগ্যতা রাখেন কিনা! যদি থেকেই থাকে, তবে কেন জনতা ঘন্টার পর ঘন্টা পাম্পের সামনে লাইনে, মাসের পর মাস কেন গোটা জাতি ভোগান্তিতে?

দেশ ও জাতির কল্যাণে জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী পররাষ্ট্র নীতি বাংলাদেশকে সকল সংকট থেকেই দূরে রেখেছিলো। অথচ, দেশবিরোধী ফ্যাসিস্ট ইউনূস গংয়ের পর বিএনপির ‘পারমিশন’ নির্ভর নতজানু পররাষ্ট্র নীতি জাতিকে সংকটের মধ্যে মাসের পর মাস ডুবিয়ে রেখেছে। ওরা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে, নিশ্চিহ্ন করে ওদের ব্যর্থতা ঢাকতে চায়। ব্যর্থ ও নতজানু সরকারের হাতে রাষ্ট্রকে পিছিয়ে দেবার ষড়যন্ত্র জনগণকেই রুখে দিতে হবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাথে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ