শ্রমিকদের হাতে মজুরি বোর্ডের লজেন্স ধরিয়ে দিয়ে কারখানায় ফেরানো হচ্ছে, আর ফেরার পথেই অপেক্ষা করছে মামলা। যে সরকার আন্দোলনের পর একসঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দেয়, আওয়ামী লীগের ২১ নেতাকর্মীর নামের সঙ্গে দেড় হাজার শ্রমিককে আসামি বানায়, সেই সরকারের মজুরি বোর্ডের ঘোষণায় কেন ভরসা করা হবে?
যে তারেক রহমান ২০২২-২৩ সালে ২৩ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবি তুলেছিলেন, ক্ষমতায় আসার পর তাঁর সরকারের আমলে আলোচনা ঘুরছে ১৭ হাজারের আশেপাশে। ক্ষমতার বাইরে থাকতে যা ন্যায্য ছিল, ক্ষমতায় এসে তা হয়ে গেছে বাড়াবাড়ি। অথচ সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বেড়েছে ১০০ থেকে ১৪২% পর্যন্ত, আর পোশাকশ্রমিকের ভাগে জুটছে ডিসেম্বরের প্রতিশ্রুতি।
“আওয়ামী লীগ” ট্যাগটা এখন সবচেয়ে সুবিধাজনক অস্ত্র, এই ট্যাগ লাগালে শ্রমিকনেতার দাবি আর দাবি থাকে না, হয়ে যায় রাজনৈতিক অপরাধ। জেলে প্রভাবশালী নেতারাই যেখানে দুই বছরেও ছাড়া পাননি, সেখানে সাধারণ শ্রমিকের পক্ষে দাঁড়ানোর তো কেউই নেই।

