শ্রীলঙ্কা পারল, আমরা পারলাম না কেন?

সৌদি প্রেস এজেন্সি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানাল, নজরুল ইসলাম ও সুইটি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। ঢাকার কাছে খবরটা এল সেই সংবাদ হয়েই। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ নিজেই স্বীকার করেছেন, মন্ত্রণালয় বা রিয়াদের বাংলাদেশ মিশন, কাউকেই আগে কিছু জানানো হয়নি। এখন সরকারের হাতে আছে একটা চিঠি, যার জবাবের অপেক্ষায় বসে আছে ঢাকা। মরদেহ কীভাবে ফেরত আসবে, সেটাও নাকি জানা যাবে ওই জবাব এলে।

সৌদি কেন জানাল না, প্রশ্নটা এখানেই থেমে থাকে না। গ্রেপ্তার হলো, তদন্ত হলো, মামলা চলল, রায় এল, রায় বহালও থাকল। এই লম্বা পথের কোথাও কি আমাদের দূতাবাস নিজের নাগরিকের খোঁজ নিয়েছিল? কনস্যুলার সহায়তার অধিকার ভিয়েনা কনভেনশনেই আছে, আর সেটা কাজে লাগানোর দায় শুধু সৌদির নয়, দূতাবাসেরও। যে দূতাবাসের খরচ চলে প্রবাসীর পাঠানো টাকায়, সেখানে দুজন মানুষ মাসের পর মাস বিচারের মুখে থাকলেন আর কারও কানে কিছু পৌঁছাল না, এটা মেনে নেওয়া অসম্ভব।

শ্রীলঙ্কা কোনো পরাশক্তি নয়, তবু সৌদিতে নিজের এক শ্রমিকের মৃত্যুদণ্ড তারা স্থগিত করিয়েছে। তাদের নাগরিকের মামলার খবর রাষ্ট্র রাখত বলেই সেটা সম্ভব হয়েছে। আমাদের রাষ্ট্র খবর পেল ফাঁসির পর।

এরপর যা এল, তা আরও বিস্ময়কর। প্রতিমন্ত্রীর মুখে শোনা গেল, এটা নাকি আমাদের জন্য “বড় শিক্ষা”, প্রবাসীরা যেন সংশ্লিষ্ট দেশের আইন মেনে চলেন। আরেক প্রতিমন্ত্রী বললেন, দুই দেশের মধ্যে “তথ্য আদান-প্রদানে ঘাটতি” আছে। দুজন নাগরিক মারা যাওয়ার পর সরকারের মুখে শিক্ষা, উপদেশ আর ঘাটতির কথা। নিজেদের ব্যর্থতার স্বীকারোক্তি কোথাও নেই। সাধারণ শ্রমিককে আইন মানার পাঠ দেওয়া সহজ। কঠিন কাজটা ছিল বিচারের সময় পাশে থাকা, আর সেখানেই ক্ষমতায় থাকা বিএনপি সরকারের হিসাব মেলে না।

সৌদি প্রেস এজেন্সি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানাল, নজরুল ইসলাম ও সুইটি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। ঢাকার কাছে খবরটা এল সেই সংবাদ হয়েই। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ নিজেই স্বীকার করেছেন, মন্ত্রণালয় বা রিয়াদের বাংলাদেশ মিশন, কাউকেই আগে কিছু জানানো হয়নি। এখন সরকারের হাতে আছে একটা চিঠি, যার জবাবের অপেক্ষায় বসে আছে ঢাকা। মরদেহ কীভাবে ফেরত আসবে, সেটাও নাকি জানা যাবে ওই জবাব এলে।

সৌদি কেন জানাল না, প্রশ্নটা এখানেই থেমে থাকে না। গ্রেপ্তার হলো, তদন্ত হলো, মামলা চলল, রায় এল, রায় বহালও থাকল। এই লম্বা পথের কোথাও কি আমাদের দূতাবাস নিজের নাগরিকের খোঁজ নিয়েছিল? কনস্যুলার সহায়তার অধিকার ভিয়েনা কনভেনশনেই আছে, আর সেটা কাজে লাগানোর দায় শুধু সৌদির নয়, দূতাবাসেরও। যে দূতাবাসের খরচ চলে প্রবাসীর পাঠানো টাকায়, সেখানে দুজন মানুষ মাসের পর মাস বিচারের মুখে থাকলেন আর কারও কানে কিছু পৌঁছাল না, এটা মেনে নেওয়া অসম্ভব।

শ্রীলঙ্কা কোনো পরাশক্তি নয়, তবু সৌদিতে নিজের এক শ্রমিকের মৃত্যুদণ্ড তারা স্থগিত করিয়েছে। তাদের নাগরিকের মামলার খবর রাষ্ট্র রাখত বলেই সেটা সম্ভব হয়েছে। আমাদের রাষ্ট্র খবর পেল ফাঁসির পর।

এরপর যা এল, তা আরও বিস্ময়কর। প্রতিমন্ত্রীর মুখে শোনা গেল, এটা নাকি আমাদের জন্য “বড় শিক্ষা”, প্রবাসীরা যেন সংশ্লিষ্ট দেশের আইন মেনে চলেন। আরেক প্রতিমন্ত্রী বললেন, দুই দেশের মধ্যে “তথ্য আদান-প্রদানে ঘাটতি” আছে। দুজন নাগরিক মারা যাওয়ার পর সরকারের মুখে শিক্ষা, উপদেশ আর ঘাটতির কথা। নিজেদের ব্যর্থতার স্বীকারোক্তি কোথাও নেই। সাধারণ শ্রমিককে আইন মানার পাঠ দেওয়া সহজ। কঠিন কাজটা ছিল বিচারের সময় পাশে থাকা, আর সেখানেই ক্ষমতায় থাকা বিএনপি সরকারের হিসাব মেলে না।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ