তারেক রহমানের প্রতিহিংসা ও মব সন্ত্রাস: আওয়ামী লীগের ওপর মধ্যযুগীয় অত্যাচার

বাংলাদেশ আজ এক অভূতপূর্ব রাজনৈতিক সংকটের মুখোমুখি। বর্তমান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মী, সমর্থক এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সাধারণ নাগরিকদের ওপর নামিয়ে আনা হয়েছে এক নৃশংস ও বেআইনি নিপীড়নের স্টিমরোলার।

রাষ্ট্রযন্ত্রের অপব্যবহার ও সাজানো গায়েবি মামলা: আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিরপেক্ষ সেবক না বানিয়ে, শাসকগোষ্ঠী তাদেরকে দলীয় ক্যাডারের মতো ব্যবহার করছে। কোনো সত্যতা বা প্রাথমিক তদন্ত ছাড়াই আওয়ামী লীগের তৃণমূল থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের হাজার হাজার নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা ও কাল্পনিক মামলা দায়ের করা হচ্ছে। আইনের শাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রাতারাতি গায়েবি আসামি বানিয়ে বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থাকে প্রহসনে পরিণত করা হয়েছে।

তারেক রহমানের নির্দেশে প্রাতিষ্ঠানিক দমন-পীড়ন: তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে আদর্শিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে দমন-পীড়নের পথ বেছে নিয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর, বাসাবাড়িতে গভীর রাতে তল্লাশির নামে তাণ্ডব চালানো এবং পরিবারের সদস্য ও নারীদের হেনস্থা করার ঘটনা নিয়মিত বিষয়ে পরিণত হয়েছে। রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে দেশকে একদলীয় ও ফ্যাসিবাদী কায়দায় পরিচালনার অপচেষ্টা চলছে।

মব সন্ত্রাসী ও উগ্রবাদী ক্যাডারদের প্রশাসনিক প্রশ্রয়: রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে জামায়াত-শিবির ও বিএনপি আশ্রিত উগ্রপন্থী গ্যাংগুলোকে রাজপথে অরাজকতা সৃষ্টির লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষ বা সমর্থকরা স্বাধীনভাবে কোনো কর্মসূচি পালন করতে গেলে কিংবা স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা জানাতে গেলেও এই ক্যাডার বাহিনী এবং প্রশাসনের যৌথ বাধায় শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও অপদস্থ হচ্ছেন। মব জাস্টিসের নামে যা চলছে, তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সরাসরি লঙ্ঘন।

ইতিহাস বিকৃতি ও মৌলিক অধিকার হরণ : স্বাধীনতার স্থপতি ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির ওপর আঘাত হানা এবং তাঁর অনুসারীদের ওপর রাজনৈতিক নিপীড়ন চালানোর মূল উদ্দেশ্য হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনাকে বিনষ্ট করা। কথা বলা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করে দেশে এক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে।

চক্রান্তের মসনদ রক্ষা করতে গিয়ে তারেক রহমানের নির্দেশে আজ সমগ্র দেশকে একটি বিশাল বন্দিশালায় পরিণত করা হয়েছে। গণগ্রেপ্তার, গায়েবি মামলা এবং মব সন্ত্রাসের প্রশাসনিক বৈধতা দিয়ে বাংলাদেশ থেকে গণতন্ত্র ও ভিন্নমতকে পুরোপুরি মুছে ফেলার হীন চেষ্টা চলছে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী, জুলুমের রাজত্ব তৈরি করে কোনো দিন জনগণকে দাবিয়ে রাখা যায় না।

বাংলাদেশ আজ এক অভূতপূর্ব রাজনৈতিক সংকটের মুখোমুখি। বর্তমান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মী, সমর্থক এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সাধারণ নাগরিকদের ওপর নামিয়ে আনা হয়েছে এক নৃশংস ও বেআইনি নিপীড়নের স্টিমরোলার।

রাষ্ট্রযন্ত্রের অপব্যবহার ও সাজানো গায়েবি মামলা: আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিরপেক্ষ সেবক না বানিয়ে, শাসকগোষ্ঠী তাদেরকে দলীয় ক্যাডারের মতো ব্যবহার করছে। কোনো সত্যতা বা প্রাথমিক তদন্ত ছাড়াই আওয়ামী লীগের তৃণমূল থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের হাজার হাজার নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা ও কাল্পনিক মামলা দায়ের করা হচ্ছে। আইনের শাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রাতারাতি গায়েবি আসামি বানিয়ে বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থাকে প্রহসনে পরিণত করা হয়েছে।

তারেক রহমানের নির্দেশে প্রাতিষ্ঠানিক দমন-পীড়ন: তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে আদর্শিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে দমন-পীড়নের পথ বেছে নিয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর, বাসাবাড়িতে গভীর রাতে তল্লাশির নামে তাণ্ডব চালানো এবং পরিবারের সদস্য ও নারীদের হেনস্থা করার ঘটনা নিয়মিত বিষয়ে পরিণত হয়েছে। রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে দেশকে একদলীয় ও ফ্যাসিবাদী কায়দায় পরিচালনার অপচেষ্টা চলছে।

মব সন্ত্রাসী ও উগ্রবাদী ক্যাডারদের প্রশাসনিক প্রশ্রয়: রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে জামায়াত-শিবির ও বিএনপি আশ্রিত উগ্রপন্থী গ্যাংগুলোকে রাজপথে অরাজকতা সৃষ্টির লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষ বা সমর্থকরা স্বাধীনভাবে কোনো কর্মসূচি পালন করতে গেলে কিংবা স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা জানাতে গেলেও এই ক্যাডার বাহিনী এবং প্রশাসনের যৌথ বাধায় শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও অপদস্থ হচ্ছেন। মব জাস্টিসের নামে যা চলছে, তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সরাসরি লঙ্ঘন।

ইতিহাস বিকৃতি ও মৌলিক অধিকার হরণ : স্বাধীনতার স্থপতি ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির ওপর আঘাত হানা এবং তাঁর অনুসারীদের ওপর রাজনৈতিক নিপীড়ন চালানোর মূল উদ্দেশ্য হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনাকে বিনষ্ট করা। কথা বলা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করে দেশে এক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে।

চক্রান্তের মসনদ রক্ষা করতে গিয়ে তারেক রহমানের নির্দেশে আজ সমগ্র দেশকে একটি বিশাল বন্দিশালায় পরিণত করা হয়েছে। গণগ্রেপ্তার, গায়েবি মামলা এবং মব সন্ত্রাসের প্রশাসনিক বৈধতা দিয়ে বাংলাদেশ থেকে গণতন্ত্র ও ভিন্নমতকে পুরোপুরি মুছে ফেলার হীন চেষ্টা চলছে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী, জুলুমের রাজত্ব তৈরি করে কোনো দিন জনগণকে দাবিয়ে রাখা যায় না।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ