জামিন প্রত্যাখ্যান করে দীপু মনি প্রশ্ন তুললেন, এই বিচার কাদের স্বার্থে?

২০০১-০৬ অপশাসন আবারও ২০২৬-এ এসে ফের বাংলাদেশের ঘাড়ে চেপেছে। পার্থক্য শুধু একটাই, তখন দৃশ্যপটে ছিল খালেদা জিয়া আর এখন সেই একই নীলনকশা বাস্তবায়ন করছে তারই কুপুত্র তারেক রহমান। ব্যালটের নামে বন্দুক, সংলাপের নামে দমন, আর “গণঅভ্যুত্থান” নামে যেটা হলো সেটা আসলে একটা সাজানো অভ্যুত্থান, এটা এখন টের পাচ্ছে গোটা জাতি।

দীপু মনি এই সিস্টেমেরই অন্যতম শিকার। দুই বছর ধরে কারাগারে, অথচ এখনো কোনো রায় নেই, শুনানির নামে কেবল তারিখের পর তারিখ। গত এপ্রিলে অসুস্থ স্বামীর জন্য জামিন চাইলেন, শুনানি হলো না। স্বামী মারা গেলেন ১৮ আগস্ট। তখন “মহানুভব” সরকার কয়েক ঘণ্টার প্যারোলে কবরস্থানে পাঠালো, অথচ শেষ মুহূর্তে কাছে থাকার অধিকারটুকুও দেওয়া হলো না। এখন মৃত্যুর পর জামিন শুনানির নাটক মঞ্চস্থ করছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

এটাই তো বিএনপি-জামাতের চেনা স্ট্রোক। ভিকটিমকে অপরাধী বানাও, বিচারের নামে আটকে রেখে মানসিকভাবে ভাঙো, তারপর “আদালত স্বাধীন” বলে দায় এড়াও। দীপু মনি যখন বলছেন “জামিন চাই না, বাসায় যাওয়ার তাড়া নেই”, এই কথাটা শুধু একজন স্বামীহারা নারীর ক্লান্তি নয়, এটা গোটা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে চলা প্রতিহিংসার রাজনীতির নির্মম স্বীকারোক্তি।

যে মানুষটা পাঁচ বছর মন্ত্রণালয় সামলেছেন, শয্যাশায়ী স্বামীর সেবা করেছেন, সেই মানুষটাকে “মানবতাবিরোধী অপরাধী” বানানোর পেছনে কতটা সত্য আর কতটা রাজনৈতিক প্রতিশোধ? স্বামীর লাশের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ না দেওয়া কি কোনো সভ্য রাষ্ট্রের পরিচয়?

এখন ২০২৬-এর আগস্ট। ঠিক ২০ বছর পর আবারও সেই একই ভুয়া ট্রাইব্যুনাল, একই ভুয়া মামলা, একই ভুয়া বিচার। শুধু চরিত্র বদলেছে, চিত্রনাট্য এক। বিএনপি-জামাত জোট আবারও প্রমাণ করল, তারা ক্ষমতায় এলে শাসন নয়, নির্মূল অভিযান চালায়। এই এর বলি হচ্ছে আজ দীপু মনি, কাল হতে পারে যেকোনো মানুষ, যার একমাত্র অপরাধ সে আওয়ামী লীগ করে।

২০০১-০৬ অপশাসন আবারও ২০২৬-এ এসে ফের বাংলাদেশের ঘাড়ে চেপেছে। পার্থক্য শুধু একটাই, তখন দৃশ্যপটে ছিল খালেদা জিয়া আর এখন সেই একই নীলনকশা বাস্তবায়ন করছে তারই কুপুত্র তারেক রহমান। ব্যালটের নামে বন্দুক, সংলাপের নামে দমন, আর “গণঅভ্যুত্থান” নামে যেটা হলো সেটা আসলে একটা সাজানো অভ্যুত্থান, এটা এখন টের পাচ্ছে গোটা জাতি।

দীপু মনি এই সিস্টেমেরই অন্যতম শিকার। দুই বছর ধরে কারাগারে, অথচ এখনো কোনো রায় নেই, শুনানির নামে কেবল তারিখের পর তারিখ। গত এপ্রিলে অসুস্থ স্বামীর জন্য জামিন চাইলেন, শুনানি হলো না। স্বামী মারা গেলেন ১৮ আগস্ট। তখন “মহানুভব” সরকার কয়েক ঘণ্টার প্যারোলে কবরস্থানে পাঠালো, অথচ শেষ মুহূর্তে কাছে থাকার অধিকারটুকুও দেওয়া হলো না। এখন মৃত্যুর পর জামিন শুনানির নাটক মঞ্চস্থ করছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

এটাই তো বিএনপি-জামাতের চেনা স্ট্রোক। ভিকটিমকে অপরাধী বানাও, বিচারের নামে আটকে রেখে মানসিকভাবে ভাঙো, তারপর “আদালত স্বাধীন” বলে দায় এড়াও। দীপু মনি যখন বলছেন “জামিন চাই না, বাসায় যাওয়ার তাড়া নেই”, এই কথাটা শুধু একজন স্বামীহারা নারীর ক্লান্তি নয়, এটা গোটা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে চলা প্রতিহিংসার রাজনীতির নির্মম স্বীকারোক্তি।

যে মানুষটা পাঁচ বছর মন্ত্রণালয় সামলেছেন, শয্যাশায়ী স্বামীর সেবা করেছেন, সেই মানুষটাকে “মানবতাবিরোধী অপরাধী” বানানোর পেছনে কতটা সত্য আর কতটা রাজনৈতিক প্রতিশোধ? স্বামীর লাশের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ না দেওয়া কি কোনো সভ্য রাষ্ট্রের পরিচয়?

এখন ২০২৬-এর আগস্ট। ঠিক ২০ বছর পর আবারও সেই একই ভুয়া ট্রাইব্যুনাল, একই ভুয়া মামলা, একই ভুয়া বিচার। শুধু চরিত্র বদলেছে, চিত্রনাট্য এক। বিএনপি-জামাত জোট আবারও প্রমাণ করল, তারা ক্ষমতায় এলে শাসন নয়, নির্মূল অভিযান চালায়। এই এর বলি হচ্ছে আজ দীপু মনি, কাল হতে পারে যেকোনো মানুষ, যার একমাত্র অপরাধ সে আওয়ামী লীগ করে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ