বাংলাদেশ এখন আর ভরসার জায়গা না, সাফ জানিয়ে দিয়েছে ইউরোপ!

বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র তৈরি পোশাক শিল্পের রপ্তানি বাজারে বড় ধরনের ধসের সংকেত দেখা দিয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারের সাম্প্রতিক চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী এই খাতটি চরম চ্যালেঞ্জ ও সংকটের মুখোমুখি। সময়মতো পণ্য সরবরাহে ব্যর্থতা (লিড টাইম রক্ষা করতে না পারা), ব্যবসা পরিচালনার অতিরিক্ত ব্যয় এবং জ্বালানি সংকটের কারণে ইউরোপের ক্রেতারা বাংলাদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন বলে খাতের ব্যবসায়ীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট তথ্যে দেখা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশি পোশাকের রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। একই সাথে পণ্যের ইউনিটের গড় দামও কমেছে। বিএনপি সরকারের আমলে দেশের গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট, ব্যাংকিং খাতের অস্থিরতা ও বন্দরের পরিচালনগত ধীরগতির কারণে কারখানাগুলোর স্বাভাবিক উৎপাদন চরম ব্যাহত হচ্ছে। ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ রক্ষায় সরকারের সঠিক পদক্ষেপের অভাবে ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়ার মতো প্রতিযোগী দেশগুলো ইউরোপের বাজার দ্রুত দখলে নিচ্ছে।

এক মৌসুমে প্রায় ১৬ শতাংশ পর্যন্ত রপ্তানি কমে যাওয়ায় দেশের পোশাক কারখানার ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। ফলে কারখানাগুলোতে ওভারটাইম বন্ধ হওয়া ছাড়াও অনেক স্থানে শ্রমিকদের নিয়মিত বেতন-বোনাস পরিশোধে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যদিও জুন মাসে সামান্য রপ্তানি বৃদ্ধির সূচক দেখা গেছে, তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, এই সাময়িক ইতিবাচক সংখ্যা গত ছয় মাসের ধারাবাহিক ক্ষতিকে ঢেকে দিতে পারে না। ২০০১-০৬ মেয়াদেও রাজনৈতিক চাঁদাবাজি ও অব্যবস্থাপনার কারণে তৈরি পোশাক খাত মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল বলে মনে করিয়ে দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

দেশের অর্থনীতি ও পোশাক খাত বিশ্লেষকদের মতে, তৈরি পোশাক শিল্পের বর্তমান স্থবিরতা দীর্ঘায়িত হলে পুরো অর্থনীতিতে এর ভয়াবহ প্রভাব পড়বে।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি থাকার কারণে কারখানার ‘কস্ট অব ডুইং বিজনেস’ বহুগুণ বেড়ে গেছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে কম দামে পণ্য সরবরাহকারী প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হারাচ্ছে।

নীতিগত অস্থিরতা এবং সার্বিক নিরাপত্তাহীনতার কারণে পোশাক কারখানার মালিকরা নতুন প্রযুক্তি ও আধুনিক যন্ত্রপাতিতে বিনিয়োগ করতে সাহস পাচ্ছেন না। রপ্তানি কমলে তার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে সাধারণ শ্রমিকের জীবনের ওপর। ওভারটাইম ও কাজের সুযোগ কমে যাওয়ায় লাখ লাখ পোশাক শ্রমিকের জীবনযাত্রার মান চরম ঝুঁকিতে পড়েছে।

রপ্তানি আয়ের এই রক্তক্ষরণ বন্ধে অবিলম্বে সুনির্দিষ্ট সংস্কার, বন্দর ও জ্বালানি খাতের জট দূর করা এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা ফেরাতে কার্যকর সরকারি পদক্ষেপের জোর দাবি জানিয়েছেন খাতের উদ্যোক্তারা।

বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র তৈরি পোশাক শিল্পের রপ্তানি বাজারে বড় ধরনের ধসের সংকেত দেখা দিয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারের সাম্প্রতিক চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী এই খাতটি চরম চ্যালেঞ্জ ও সংকটের মুখোমুখি। সময়মতো পণ্য সরবরাহে ব্যর্থতা (লিড টাইম রক্ষা করতে না পারা), ব্যবসা পরিচালনার অতিরিক্ত ব্যয় এবং জ্বালানি সংকটের কারণে ইউরোপের ক্রেতারা বাংলাদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন বলে খাতের ব্যবসায়ীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট তথ্যে দেখা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশি পোশাকের রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। একই সাথে পণ্যের ইউনিটের গড় দামও কমেছে। বিএনপি সরকারের আমলে দেশের গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট, ব্যাংকিং খাতের অস্থিরতা ও বন্দরের পরিচালনগত ধীরগতির কারণে কারখানাগুলোর স্বাভাবিক উৎপাদন চরম ব্যাহত হচ্ছে। ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ রক্ষায় সরকারের সঠিক পদক্ষেপের অভাবে ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়ার মতো প্রতিযোগী দেশগুলো ইউরোপের বাজার দ্রুত দখলে নিচ্ছে।

এক মৌসুমে প্রায় ১৬ শতাংশ পর্যন্ত রপ্তানি কমে যাওয়ায় দেশের পোশাক কারখানার ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। ফলে কারখানাগুলোতে ওভারটাইম বন্ধ হওয়া ছাড়াও অনেক স্থানে শ্রমিকদের নিয়মিত বেতন-বোনাস পরিশোধে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যদিও জুন মাসে সামান্য রপ্তানি বৃদ্ধির সূচক দেখা গেছে, তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, এই সাময়িক ইতিবাচক সংখ্যা গত ছয় মাসের ধারাবাহিক ক্ষতিকে ঢেকে দিতে পারে না। ২০০১-০৬ মেয়াদেও রাজনৈতিক চাঁদাবাজি ও অব্যবস্থাপনার কারণে তৈরি পোশাক খাত মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল বলে মনে করিয়ে দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

দেশের অর্থনীতি ও পোশাক খাত বিশ্লেষকদের মতে, তৈরি পোশাক শিল্পের বর্তমান স্থবিরতা দীর্ঘায়িত হলে পুরো অর্থনীতিতে এর ভয়াবহ প্রভাব পড়বে।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি থাকার কারণে কারখানার ‘কস্ট অব ডুইং বিজনেস’ বহুগুণ বেড়ে গেছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে কম দামে পণ্য সরবরাহকারী প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হারাচ্ছে।

নীতিগত অস্থিরতা এবং সার্বিক নিরাপত্তাহীনতার কারণে পোশাক কারখানার মালিকরা নতুন প্রযুক্তি ও আধুনিক যন্ত্রপাতিতে বিনিয়োগ করতে সাহস পাচ্ছেন না। রপ্তানি কমলে তার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে সাধারণ শ্রমিকের জীবনের ওপর। ওভারটাইম ও কাজের সুযোগ কমে যাওয়ায় লাখ লাখ পোশাক শ্রমিকের জীবনযাত্রার মান চরম ঝুঁকিতে পড়েছে।

রপ্তানি আয়ের এই রক্তক্ষরণ বন্ধে অবিলম্বে সুনির্দিষ্ট সংস্কার, বন্দর ও জ্বালানি খাতের জট দূর করা এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা ফেরাতে কার্যকর সরকারি পদক্ষেপের জোর দাবি জানিয়েছেন খাতের উদ্যোক্তারা।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ