কাশিমপুরের সেই বন্দীদের অপরাধ একটাই, তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতেন। আর সেই অপরাধেই আজ তাঁদেরকে কোনো খাবার দেওয়া হয়নি। এই নির্মমতার মূল কুশীলব বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি আর তাদেরই ছত্রছায়ায় বেড়ে ওঠা জামায়াতে ইসলাম।
ভুলে গেলে চলবে না, একসময় এই বিএনপি-জামাত জোটই বাংলাদেশে অন্ধকার নেমে এনেছিল। ওরা ফিরে এসেছে। ওদের সেই পুরনো চরিত্র বদলায়নি, শুধু কায়দা বদলেছে। কাশিমপুরের ঘটনা তারই সর্বশেষ প্রমাণ। রাজনৈতিক বন্দীদেরকে খাবার না দেওয়া কোনো সাধারণ অবহেলা নয়, এটা রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিকল্পিত নিষ্ঠুরতা। আর এই নিষ্ঠুরতার নেপথ্যে সেই শক্তি, যারা এখন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশ চালাচ্ছে।
এটাই তো দেখাতে চায় তারা। আবারও প্রমাণ করল, প্রতিপক্ষকে নিঃশেষ করে দেওয়াই তাদের একমাত্র রাজনীতি। যারা খুন, গুম আর অত্যাচারের ইতিহাস বহন করে, কাশিমপুরে তাদের আজকের আচরণ অপ্রত্যাশিত নয়। প্রতিটি কারা কক্ষ যেন একেকটি ছোটখাটো নিপীড়নের অভয়াশ্রম, যেখানে ক্ষমতার দম্ভে পিষে ফেলা হচ্ছে ভিন্নমতকে।

