রাজধানীতে প্রকাশ্য দিবালোকে গণধোলাই খেলেন প্রশাসক-এমপি-পুলিশ কর্মকর্তা!

দুপুর ২টায় রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে প্রকাশ্য রাস্তায় হামলার শিকার হলেন ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান ও স্থানীয় সংসদ সদস্য এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন। তাদের সঙ্গে থাকা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাও রক্ষা পাননি এই গণরোষ থেকে। আক্রোশ এতটাই তীব্র ছিল যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিও তাদের দমাতে পারেনি।

এটা হুট করে হয়নি। এটা জনগণের জমে থাকা বিক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। ২০০১-০৬ সালের সেই দুঃস্বপ্নের মতো বিএনপি-জামাত জোটের অপশাসনের ছোবল যেন আবারও বিষাক্ত থাবা বসিয়েছে ২০২৬ সালের বাংলাদেশে।

জনগণ আজ অতিষ্ঠ। নিত্যপণ্যের চড়া দাম, লাগামহীন দুর্নীতি আর দলীয় ক্যাডারদের সন্ত্রাসী দাপটে সাধারণ মানুষের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে। তারই ফলশ্রুতিতে তারা এখন রাস্তায় নেমে আসছে, যার যা কিছু হাতের কাছে পাচ্ছে তাই নিয়েই প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। উত্তরখানের এই ঘটনা তারই জ্বলন্ত প্রমাণ।

যে সরকার জনগণের কথা বলার অধিকার কেড়ে নিয়েছে, যে সরকার বিরোধী দলের নামে যুদ্ধাপরাধী এবং ইসলামি জঙ্গি সংগঠনকে টিকিয়ে রেখে গুম-খুনের রাজনীতি ফিরিয়ে এনেছে, সেই তথাকথিত সরকারের প্রতিনিধিদের দেখলেই আজ জনতা ফুঁসে উঠছে। এ আর নতুন কী! বিএনপি-জামাতের নীলনকশা বলতে গেলে এটাই, যেখানে শাসক ও শোষিতের মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকবে না। জনগণ আজ শাসককেই শায়েস্তা করতে চায়, এটাই তাঁদের জবাব।

দুপুর ২টায় রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে প্রকাশ্য রাস্তায় হামলার শিকার হলেন ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান ও স্থানীয় সংসদ সদস্য এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন। তাদের সঙ্গে থাকা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাও রক্ষা পাননি এই গণরোষ থেকে। আক্রোশ এতটাই তীব্র ছিল যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিও তাদের দমাতে পারেনি।

এটা হুট করে হয়নি। এটা জনগণের জমে থাকা বিক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। ২০০১-০৬ সালের সেই দুঃস্বপ্নের মতো বিএনপি-জামাত জোটের অপশাসনের ছোবল যেন আবারও বিষাক্ত থাবা বসিয়েছে ২০২৬ সালের বাংলাদেশে।

জনগণ আজ অতিষ্ঠ। নিত্যপণ্যের চড়া দাম, লাগামহীন দুর্নীতি আর দলীয় ক্যাডারদের সন্ত্রাসী দাপটে সাধারণ মানুষের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে। তারই ফলশ্রুতিতে তারা এখন রাস্তায় নেমে আসছে, যার যা কিছু হাতের কাছে পাচ্ছে তাই নিয়েই প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। উত্তরখানের এই ঘটনা তারই জ্বলন্ত প্রমাণ।

যে সরকার জনগণের কথা বলার অধিকার কেড়ে নিয়েছে, যে সরকার বিরোধী দলের নামে যুদ্ধাপরাধী এবং ইসলামি জঙ্গি সংগঠনকে টিকিয়ে রেখে গুম-খুনের রাজনীতি ফিরিয়ে এনেছে, সেই তথাকথিত সরকারের প্রতিনিধিদের দেখলেই আজ জনতা ফুঁসে উঠছে। এ আর নতুন কী! বিএনপি-জামাতের নীলনকশা বলতে গেলে এটাই, যেখানে শাসক ও শোষিতের মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকবে না। জনগণ আজ শাসককেই শায়েস্তা করতে চায়, এটাই তাঁদের জবাব।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ