ছয় মাসে চুয়াল্লিশ সংখ্যালঘু খুন, তবু বিএনপি-জামাতের অবৈধ সরকারের দাবি সব ঠিক আছে!

নাটোর-২ সদর আসনের এমপি ও বিএনপির হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু গত জুন মাসে সাংবাদিকদের সামনে বুক ফুলিয়ে বলেছিলেন, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা বিএনপির আমলেই সবচেয়ে নিরাপদে বসবাস করে। সেই একই নাটোর জেলার লালপুরে, তারই নির্বাচনী এলাকার ভেতরে, এখন পাঁচটি হিন্দু পরিবার চিঠি হাতে বসে আছে, যেখানে লেখা চব্বিশ ঘণ্টায় টাকা না দিলে লাশ পড়বে উঠোনে। কথা আর বাস্তবতার এই দূরত্বটাই আসলে গোটা রাষ্ট্রব্যবস্থার আসল ছবি।

সংখ্যালঘু সুরক্ষা পরিষদের হিসাবে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত মাত্র ছয় মাসেই চল্লিশটি হত্যাকাণ্ডে চুয়াল্লিশ জন সংখ্যালঘু নিহত হয়েছেন, যেখানে গত পুরো বছরে সংখ্যাটা ছিল ছেষট্টি, অর্থাৎ মাসিক গড় হত্যা বেড়েছে প্রায় তেত্রিশ শতাংশ। নির্বাচনের ঠিক আগে প্রকাশিত আরেকটি প্রতিবেদনে দেখা যায় দেড় বছরে একষট্টি জন নিহত, আটাশটি নারী নির্যাতনের ঘটনা আর পঁচানব্বইটি মন্দির বা উপাসনালয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে, আর সংখ্যালঘু নেতারা নিশ্চিত করেছেন প্রশাসন এসব ঘটনাকে প্রায়ই ব্যক্তিগত বিরোধ বলে চাপা দিয়ে দেয়।

তাহলে হিসাবটা দাঁড়ায় এরকম, একদিকে সরকারের নিজের এমপি সংখ্যালঘু নিরাপত্তার সার্টিফিকেট বিলাচ্ছেন মাইক্রোফোনের সামনে, অন্যদিকে তারই এলাকায় হিন্দু পরিবারগুলো বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠানোর জন্য প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছে। থানায় গিয়ে পাওয়া যাচ্ছে শুধু বন্ধ নম্বরের আশ্বাস। এই ফাঁকটাই আসলে ২০০১-০৬ এর সেই পুরনো প্যাটার্ন, মুখে নিরাপত্তার বুলি আর মাঠে সংখ্যালঘুর জন্য কার্যত কোনো সুরক্ষাই না থাকা।

নাটোর-২ সদর আসনের এমপি ও বিএনপির হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু গত জুন মাসে সাংবাদিকদের সামনে বুক ফুলিয়ে বলেছিলেন, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা বিএনপির আমলেই সবচেয়ে নিরাপদে বসবাস করে। সেই একই নাটোর জেলার লালপুরে, তারই নির্বাচনী এলাকার ভেতরে, এখন পাঁচটি হিন্দু পরিবার চিঠি হাতে বসে আছে, যেখানে লেখা চব্বিশ ঘণ্টায় টাকা না দিলে লাশ পড়বে উঠোনে। কথা আর বাস্তবতার এই দূরত্বটাই আসলে গোটা রাষ্ট্রব্যবস্থার আসল ছবি।

সংখ্যালঘু সুরক্ষা পরিষদের হিসাবে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত মাত্র ছয় মাসেই চল্লিশটি হত্যাকাণ্ডে চুয়াল্লিশ জন সংখ্যালঘু নিহত হয়েছেন, যেখানে গত পুরো বছরে সংখ্যাটা ছিল ছেষট্টি, অর্থাৎ মাসিক গড় হত্যা বেড়েছে প্রায় তেত্রিশ শতাংশ। নির্বাচনের ঠিক আগে প্রকাশিত আরেকটি প্রতিবেদনে দেখা যায় দেড় বছরে একষট্টি জন নিহত, আটাশটি নারী নির্যাতনের ঘটনা আর পঁচানব্বইটি মন্দির বা উপাসনালয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে, আর সংখ্যালঘু নেতারা নিশ্চিত করেছেন প্রশাসন এসব ঘটনাকে প্রায়ই ব্যক্তিগত বিরোধ বলে চাপা দিয়ে দেয়।

তাহলে হিসাবটা দাঁড়ায় এরকম, একদিকে সরকারের নিজের এমপি সংখ্যালঘু নিরাপত্তার সার্টিফিকেট বিলাচ্ছেন মাইক্রোফোনের সামনে, অন্যদিকে তারই এলাকায় হিন্দু পরিবারগুলো বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠানোর জন্য প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছে। থানায় গিয়ে পাওয়া যাচ্ছে শুধু বন্ধ নম্বরের আশ্বাস। এই ফাঁকটাই আসলে ২০০১-০৬ এর সেই পুরনো প্যাটার্ন, মুখে নিরাপত্তার বুলি আর মাঠে সংখ্যালঘুর জন্য কার্যত কোনো সুরক্ষাই না থাকা।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ