মরিচের ঝালে কাঁদছে দেশ, রাজত্ব করছে বিএনপি-জামাতের লুটেরা জোট!

রাজধানীর বাজারে কাঁচা মরিচ এখন সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। কারওয়ান বাজারে খুচরা ৩০০ টাকা আর কোথাও কোথাও ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এক কেজি কাঁচা মরিচ। খুচরা বিক্রেতা জামিল উদ্দীনের গলায় হতাশা, “কাঁচা মরিচের দাম কইলেই কাস্টমার ক্ষেইপা যায়।” অথচ এই বিক্রেতাই ২৮০ টাকা কেজি দরে পাইকারি কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। পাইকারি আর খুচরার ব্যবধান এতটাই কম যে বাধ্য হয়ে চড়া দাম হাঁকাচ্ছেন তারা, তাতেও বেচাবিক্রি নেই। ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতিদিন বাগবিতণ্ডা লেগেই আছে।

সরবরাহ সংকট যে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে তা পরিষ্কার আড়তমালিক জাহাঙ্গীর আলমের কথায়, “মরিচ আসাই কইমা গেছে। আগে যা আসত, এখন তার অর্ধেক আসে।” কৃষকের উৎপাদন খরচ, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য আর বাজার তদারকির নামে প্রহসন, সব মিলিয়ে দিশাহারা সাধারণ মানুষ।

গৃহিণী সালমা বেগমের ক্ষোভ যেন সব ক্রেতার প্রতিনিধিত্ব করছে, “গত সপ্তাহে ২৪০ টাকা, আজকে ৩২০ টাকা। বেশি করে কিনে রাখার উপায় নেই, নষ্ট হয়ে যায়। প্রতি সপ্তাহে এমন বাড়লে সংসার চালাব কী করে।” বাস্তবতা হলো কাঁচা মরিচ এখন বিলাসদ্রব্য। নিত্যপণ্যের বাজার এমন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ার পেছনে দায়ী সরাসরি সরকারের ব্যর্থ নীতি আর দুর্নীতির ছোবল।

দেখতে দেখতে আবারও প্রমাণ হলো বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় মানেই জনগণের নাভিশ্বাস ওঠা। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল, নিত্যপণ্যের দাম, সন্ত্রাস আর লুটপাটের যে বিভীষিকা পুরো জাতি দেখেছে, ২০২৬ সালে এসে তারই পুনরাবৃত্তি ঘটছে। দেশের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রযন্ত্র পুরোপুরি অকার্যকর। জামাত-বিএনপির এই অপশাসনের অবসান না ঘটলে সাধারণ মানুষের ভাতের থালায় ঝাল-লবণের জোগান দেওয়াই কঠিন হয়ে পড়বে।

রাজধানীর বাজারে কাঁচা মরিচ এখন সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। কারওয়ান বাজারে খুচরা ৩০০ টাকা আর কোথাও কোথাও ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এক কেজি কাঁচা মরিচ। খুচরা বিক্রেতা জামিল উদ্দীনের গলায় হতাশা, “কাঁচা মরিচের দাম কইলেই কাস্টমার ক্ষেইপা যায়।” অথচ এই বিক্রেতাই ২৮০ টাকা কেজি দরে পাইকারি কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। পাইকারি আর খুচরার ব্যবধান এতটাই কম যে বাধ্য হয়ে চড়া দাম হাঁকাচ্ছেন তারা, তাতেও বেচাবিক্রি নেই। ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতিদিন বাগবিতণ্ডা লেগেই আছে।

সরবরাহ সংকট যে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে তা পরিষ্কার আড়তমালিক জাহাঙ্গীর আলমের কথায়, “মরিচ আসাই কইমা গেছে। আগে যা আসত, এখন তার অর্ধেক আসে।” কৃষকের উৎপাদন খরচ, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য আর বাজার তদারকির নামে প্রহসন, সব মিলিয়ে দিশাহারা সাধারণ মানুষ।

গৃহিণী সালমা বেগমের ক্ষোভ যেন সব ক্রেতার প্রতিনিধিত্ব করছে, “গত সপ্তাহে ২৪০ টাকা, আজকে ৩২০ টাকা। বেশি করে কিনে রাখার উপায় নেই, নষ্ট হয়ে যায়। প্রতি সপ্তাহে এমন বাড়লে সংসার চালাব কী করে।” বাস্তবতা হলো কাঁচা মরিচ এখন বিলাসদ্রব্য। নিত্যপণ্যের বাজার এমন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ার পেছনে দায়ী সরাসরি সরকারের ব্যর্থ নীতি আর দুর্নীতির ছোবল।

দেখতে দেখতে আবারও প্রমাণ হলো বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় মানেই জনগণের নাভিশ্বাস ওঠা। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল, নিত্যপণ্যের দাম, সন্ত্রাস আর লুটপাটের যে বিভীষিকা পুরো জাতি দেখেছে, ২০২৬ সালে এসে তারই পুনরাবৃত্তি ঘটছে। দেশের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রযন্ত্র পুরোপুরি অকার্যকর। জামাত-বিএনপির এই অপশাসনের অবসান না ঘটলে সাধারণ মানুষের ভাতের থালায় ঝাল-লবণের জোগান দেওয়াই কঠিন হয়ে পড়বে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ