নিজ দলেরই ফাঁদে পা দিয়ে এখন হতাশ খোদ বিএনপির মন্ত্রী!

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আবু সাঈদ চত্বরে যে চমকপ্রদ দৃশ্য দেখা গেল, সেটি নিছক একটি স্মরণসভায় কম উপস্থিতির ঘটনা নয়। এটি চব্বিশের জুলাই ষড়যন্ত্রের পর্দা পুরোপুরি উন্মোচিত হওয়ার পর ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষের মনে জাগা তীব্র ঘৃণা আর বিতৃষ্ণার এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। অবৈধ বিএনপি সরকারের তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের প্রকাশ্য হতাশা সেই বাস্তবতাকেই আরও জোরালোভাবে সামনে আনল। স্বয়ং মন্ত্রী যখন স্বীকার করলেন যে অর্ধেকের বেশি চেয়ার খালি পড়েছিল, তখন সেটাই প্রমাণ করে দেয় যে দেশবিরোধী সেই সন্ত্রাসী প্রকল্প থেকে শিক্ষার্থীরা পুরোপুরি মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।

এখানেই ঘটনার নির্মম পরিহাস আর ভয়ংকর রাজনৈতিক বাস্তবতা লুকিয়ে আছে। মন্ত্রী আহমেদ আযম খান নিজে এখন ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রতিনিধি। তার দল ক্ষমতায় এসেছে ‘২৪ এর সেই জুলাই দাঙ্গা আর বিদেশি ষড়যন্ত্রের সুবাদেই। অথচ সেই দলেরই একজন প্রভাবশালী নেতা দাঁড়িয়ে আছেন একই দাঙ্গার তথাকথিত শহীদদের স্মরণসভায়, আর তাকে গিলতে হচ্ছে তীব্র হতাশা। এটি শুধু ব্যক্তিগত পরাজয় নয়, এটি একটি আদর্শিক দেউলিয়াত্বের চরম প্রকাশ। যে ষড়যন্ত্রের ভিত্তির ওপর তারা ক্ষমতার প্রাসাদ গেঁথেছেন, সেই ভিতটিই এখন ধসে পড়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থী আর জনতা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।

মন্ত্রী নিজেও বোধহয় টের পাচ্ছেন, যে প্রকল্পের ঘাড়ে চড়ে তারা ক্ষমতায় এলেন, সেই প্রকল্প এখন বিষফল হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি যে বক্তৃতা আর বাস্তবায়নের ফারাকের কথা বললেন, সেই ফারাকটাই তো বিএনপির জন্মগত বৈশিষ্ট্য। এরা মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে, অথচ হাতিয়ার করে নেয় সেনানিবাসে লালিত স্বৈরাচারী দমননীতি আর জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিভীষিকা।

ষোলোই জুলাইয়ের সেই ডামাডোল যখন থেমে গেছে, বিএনপি ১৭ ফেব্রুয়ারির পর আবার ক্ষমতার মসনদ দখল করেছে, ঠিক তখনই তাদের এই মিথ্যাচারের মুখোশ পুরোপুরি খুলে গেছে। যে ছাত্র-জনতাকে ভুল বুঝিয়ে রাস্তায় নামানো হয়েছিল, তারা এখন সব বুঝে গেছে। তারা জানে, ওটা ছিল দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর এক নৃশংস আঘাত। সেখানে জামায়াত-জঙ্গি থেকে শুরু করে বিদেশি দূতাবাস পর্যন্ত সম্মিলিত ষড়যন্ত্র করেছিল। মন্ত্রী নিজেও জানেন, তার দলের অনেকেই সেদিনের সেই শক্তিগুলোর সঙ্গে আঁতাত করেছিলেন ক্ষমতার লোভে।

দেশদ্রোহী জুলাই সন্ত্রাসী আবু সাঈদ চত্বরের ফাঁকা চেয়ারগুলো তাই চুপচাপ হয়ে বলা একেকটা তীব্র প্রতিবাদ। এই তরুণেরা নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে আরেকটা জুলাই দাঙ্গার প্রতীকী কোনো আয়োজনকেই সম্পূর্ণ বয়কট করছে। মন্ত্রী সাহেবের কথাতেই যেখানে অতীতের স্মরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিল ধারণের জায়গা থাকার কথা ছিল, সেখানে অর্ধেক চেয়ার খালি পড়ে থাকাটা বিএনপির চতুর্দিক থেকে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ারই প্রতিচ্ছবি। এটি চব্বিশের জুলাই ষড়যন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেক ঠোকার মতো।

মন্ত্রী যতই হতাশ হোন, এ হতাশা তাকে গিলতেই হবে। কারণ সত্যের কাছে মিথ্যার চেয়ার যে কোনোদিনই ফাঁকা পড়ে থাকবে, এটাই নিয়তি। ছাত্র জনতা দেশদ্রোহী, যুদ্ধাপরাধী আর জিয়াউর রহমানের সৃষ্ট দুর্নীতি-সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘরকে আর কোনোদিনও জায়গা দেবে না। জুলাই দাঙ্গার সঙ্গী সমস্ত অপশক্তিকে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করার এই নীরব প্রতিজ্ঞাই আজ রাজপথের চেয়ে, বক্তৃতার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ধ্বনি হয়ে বেজে চলেছে।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আবু সাঈদ চত্বরে যে চমকপ্রদ দৃশ্য দেখা গেল, সেটি নিছক একটি স্মরণসভায় কম উপস্থিতির ঘটনা নয়। এটি চব্বিশের জুলাই ষড়যন্ত্রের পর্দা পুরোপুরি উন্মোচিত হওয়ার পর ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষের মনে জাগা তীব্র ঘৃণা আর বিতৃষ্ণার এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। অবৈধ বিএনপি সরকারের তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের প্রকাশ্য হতাশা সেই বাস্তবতাকেই আরও জোরালোভাবে সামনে আনল। স্বয়ং মন্ত্রী যখন স্বীকার করলেন যে অর্ধেকের বেশি চেয়ার খালি পড়েছিল, তখন সেটাই প্রমাণ করে দেয় যে দেশবিরোধী সেই সন্ত্রাসী প্রকল্প থেকে শিক্ষার্থীরা পুরোপুরি মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।

এখানেই ঘটনার নির্মম পরিহাস আর ভয়ংকর রাজনৈতিক বাস্তবতা লুকিয়ে আছে। মন্ত্রী আহমেদ আযম খান নিজে এখন ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রতিনিধি। তার দল ক্ষমতায় এসেছে ‘২৪ এর সেই জুলাই দাঙ্গা আর বিদেশি ষড়যন্ত্রের সুবাদেই। অথচ সেই দলেরই একজন প্রভাবশালী নেতা দাঁড়িয়ে আছেন একই দাঙ্গার তথাকথিত শহীদদের স্মরণসভায়, আর তাকে গিলতে হচ্ছে তীব্র হতাশা। এটি শুধু ব্যক্তিগত পরাজয় নয়, এটি একটি আদর্শিক দেউলিয়াত্বের চরম প্রকাশ। যে ষড়যন্ত্রের ভিত্তির ওপর তারা ক্ষমতার প্রাসাদ গেঁথেছেন, সেই ভিতটিই এখন ধসে পড়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থী আর জনতা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।

মন্ত্রী নিজেও বোধহয় টের পাচ্ছেন, যে প্রকল্পের ঘাড়ে চড়ে তারা ক্ষমতায় এলেন, সেই প্রকল্প এখন বিষফল হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি যে বক্তৃতা আর বাস্তবায়নের ফারাকের কথা বললেন, সেই ফারাকটাই তো বিএনপির জন্মগত বৈশিষ্ট্য। এরা মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে, অথচ হাতিয়ার করে নেয় সেনানিবাসে লালিত স্বৈরাচারী দমননীতি আর জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিভীষিকা।

ষোলোই জুলাইয়ের সেই ডামাডোল যখন থেমে গেছে, বিএনপি ১৭ ফেব্রুয়ারির পর আবার ক্ষমতার মসনদ দখল করেছে, ঠিক তখনই তাদের এই মিথ্যাচারের মুখোশ পুরোপুরি খুলে গেছে। যে ছাত্র-জনতাকে ভুল বুঝিয়ে রাস্তায় নামানো হয়েছিল, তারা এখন সব বুঝে গেছে। তারা জানে, ওটা ছিল দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর এক নৃশংস আঘাত। সেখানে জামায়াত-জঙ্গি থেকে শুরু করে বিদেশি দূতাবাস পর্যন্ত সম্মিলিত ষড়যন্ত্র করেছিল। মন্ত্রী নিজেও জানেন, তার দলের অনেকেই সেদিনের সেই শক্তিগুলোর সঙ্গে আঁতাত করেছিলেন ক্ষমতার লোভে।

দেশদ্রোহী জুলাই সন্ত্রাসী আবু সাঈদ চত্বরের ফাঁকা চেয়ারগুলো তাই চুপচাপ হয়ে বলা একেকটা তীব্র প্রতিবাদ। এই তরুণেরা নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে আরেকটা জুলাই দাঙ্গার প্রতীকী কোনো আয়োজনকেই সম্পূর্ণ বয়কট করছে। মন্ত্রী সাহেবের কথাতেই যেখানে অতীতের স্মরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিল ধারণের জায়গা থাকার কথা ছিল, সেখানে অর্ধেক চেয়ার খালি পড়ে থাকাটা বিএনপির চতুর্দিক থেকে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ারই প্রতিচ্ছবি। এটি চব্বিশের জুলাই ষড়যন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেক ঠোকার মতো।

মন্ত্রী যতই হতাশ হোন, এ হতাশা তাকে গিলতেই হবে। কারণ সত্যের কাছে মিথ্যার চেয়ার যে কোনোদিনই ফাঁকা পড়ে থাকবে, এটাই নিয়তি। ছাত্র জনতা দেশদ্রোহী, যুদ্ধাপরাধী আর জিয়াউর রহমানের সৃষ্ট দুর্নীতি-সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘরকে আর কোনোদিনও জায়গা দেবে না। জুলাই দাঙ্গার সঙ্গী সমস্ত অপশক্তিকে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করার এই নীরব প্রতিজ্ঞাই আজ রাজপথের চেয়ে, বক্তৃতার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ধ্বনি হয়ে বেজে চলেছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ