বিএনপি সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্বীকার গরিবের চিকিৎসক ডা. সামির হোসেন মিশু

জনগণের পাশে থাকা একজন চিকিৎসককে গ্রেফতার করা গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের ওপর নতুন আঘাত। বগুড়ার চিকিৎসক ও জেলা স্বাচিপ সভাপতি ডা. সামির হোসেন মিশুকে গতকাল রাত সাড়ে ১১টার দিকে একটি পারিবারিক অনুষ্ঠান চলাকালে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে স্বল্প ব্যয়ে চিকিৎসাসেবার জন্য পরিচিত ছিলেন। স্থানীয় পর্যায়ে অনেকেই এটিকে বিএনপির রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

রাষ্ট্র যদি সমালোচনা বা রাজনৈতিক পরিচয়কে অপরাধ হিসেবে দেখতে শুরু করে, তাহলে সাধারণ মানুষের আস্থা কোথায় দাঁড়াবে? দেশে গণতান্ত্রিক চর্চা ও রাজনৈতিক সহনশীলতার পরিবর্তে প্রতিপক্ষকে হয়রানি করার সংস্কৃতি উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিএনপি সরকার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মোকাবিলার পরিবর্তে মামলা ও গ্রেফতারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে, ইউনুস এবং তারেক রহমান দুইজনই একই পথের অনুসারী। মিথ্যা মামলা কোনো রাজনৈতিক সমাধান নয়। বিনা অপরাধে একজন মানুষকে অভিযুক্ত করা শুধু ব্যক্তির অধিকারই ক্ষুণ্ন করে না, বরং বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাকেও দুর্বল করে।

বিএনপি সরকার সহ আইন প্রয়োগকারি সংস্থার উদ্দেশ্যে বলতে চাই- বিনা অপরাধে মিথ্যা মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানি করা ন্যায়বিচারের নয়, ক্ষমতার অপব্যবহারের প্রতীক। একদিন কিন্তু এই ক্ষমতার অপব্যবহারের জন্য আপনাদেরও বিচার হবে, সেদিন খুব বেশি দূরে নয়।

জনগণের পাশে থাকা একজন চিকিৎসককে গ্রেফতার করা গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের ওপর নতুন আঘাত। বগুড়ার চিকিৎসক ও জেলা স্বাচিপ সভাপতি ডা. সামির হোসেন মিশুকে গতকাল রাত সাড়ে ১১টার দিকে একটি পারিবারিক অনুষ্ঠান চলাকালে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে স্বল্প ব্যয়ে চিকিৎসাসেবার জন্য পরিচিত ছিলেন। স্থানীয় পর্যায়ে অনেকেই এটিকে বিএনপির রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

রাষ্ট্র যদি সমালোচনা বা রাজনৈতিক পরিচয়কে অপরাধ হিসেবে দেখতে শুরু করে, তাহলে সাধারণ মানুষের আস্থা কোথায় দাঁড়াবে? দেশে গণতান্ত্রিক চর্চা ও রাজনৈতিক সহনশীলতার পরিবর্তে প্রতিপক্ষকে হয়রানি করার সংস্কৃতি উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিএনপি সরকার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মোকাবিলার পরিবর্তে মামলা ও গ্রেফতারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে, ইউনুস এবং তারেক রহমান দুইজনই একই পথের অনুসারী। মিথ্যা মামলা কোনো রাজনৈতিক সমাধান নয়। বিনা অপরাধে একজন মানুষকে অভিযুক্ত করা শুধু ব্যক্তির অধিকারই ক্ষুণ্ন করে না, বরং বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাকেও দুর্বল করে।

বিএনপি সরকার সহ আইন প্রয়োগকারি সংস্থার উদ্দেশ্যে বলতে চাই- বিনা অপরাধে মিথ্যা মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানি করা ন্যায়বিচারের নয়, ক্ষমতার অপব্যবহারের প্রতীক। একদিন কিন্তু এই ক্ষমতার অপব্যবহারের জন্য আপনাদেরও বিচার হবে, সেদিন খুব বেশি দূরে নয়।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ