সাঁথিয়া উপজেলা শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক রিপন সরদার কোনো পাতি মাস্তান না। সে দলের অফিশিয়াল পদধারী নেতা। তিন লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে সে ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানকে তুলে নিয়ে হাত-পা ভেঙেছে, সাড়ে তিন লাখ টাকার সোনার আংটি আর নগদ কুড়ি হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে। মানে চাঁদাও পেয়েছে, শাস্তিও দিয়েছে। দুটো একসাথে।
যেটা আরও ভয়ের, এই একই লোককে ২০২৪ সালে সেনাবাহিনী দিয়ে মুচলেকা নেওয়া হয়েছিল। তারপরেও সে ফিরে এসেছে। কারণ সে ভালো করেই জানে, বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে তার গায়ে কেউ ফুলের টোকাও দিতে পারবে না।
এটা ব্যক্তি রিপনের সমস্যা না। বিএনপির ইতিহাসে চাঁদাবাজি কখনো ব্যক্তিগত উদ্যোগ ছিল না, এটা পরিপূর্ণ একটা ইকোসিস্টেম। ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত সারাদেশে যা হয়েছিল, সেটার ধারাবাহিকতা এখন আবার শুরু হয়েছে। দলের পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদা তোলো, কেউ কিছু বললে একটু বলপ্রয়োগ করো, কাজ হয়ে যাবে।
বেড়া থানায় অভিযোগ হয়েছে। কিন্তু কতটুকু এগোবে সেই মামলা, এটা বাংলাদেশের মানুষ বিলক্ষণ বোঝে।

