ধানমণ্ডি ৩২-এ জামায়াতের নেতাকর্মীরা সাংবাদিকদের “আওয়ামী দোসর” ট্যাগ দিয়ে রাস্তায় ফেলে পিটিয়েছে। যমুনা টেলিভিশনের রাব্বী সিদ্দিকীর মুখ দিয়ে রক্ত পড়েছে, বাংলাদেশ মেডিক্যালে পাঠাতে হয়েছে। এটিএন বাংলা, সকালের খবরের সাংবাদিকরাও রেহাই পাননি।
যে দলের শীর্ষ নেতারা একাত্তরের গণহত্যায় অংশগ্রহণের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত হয়েছেন, তারা এখন মাঠে নেমে সাংবাদিক পেটাচ্ছেন। ২০০১ থেকে ২০০৬, সেই কালো অধ্যায়ে গণমাধ্যমকে যেভাবে “শত্রু” তকমা দেয়া হয়েছিল, হুবহু সেই কায়দাই ফিরে এলো।
“আওয়ামী দোসর” ট্যাগটা আসলে একটা অস্ত্র। প্রশ্ন করলেই শত্রু, ক্যামেরা ধরলেই দোসর। এই যুক্তিতে ক্যামেরা বন্ধ রাখো, মাইক নামিয়ে রাখো, আর জামায়াতের ব্রিফিং হুবহু ছাপো, তাহলেই নিরাপদ।
কার এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করছে জামায়াত?

