অনিরাপদ বাংলাদেশের নতুন চেহারা : বিএনপি সরকার

এপ্রিল মাস শেষ হয়ে গেল। সারাদেশে গণপিটুনি আর মবের ঘটনায় আরও একবার চোখে পড়ার মতো সংখ্যা উঠে এসেছে। ৪৯টা ঘটনায় ২১ জন মারা গেছে, ৪৯ জন আহত। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদনটা পড়তে পড়তে মনে হয়, দেশটা কোন দিকে যাচ্ছে। চুরির অভিযোগে, বাকবিতণ্ডায়, জমি নিয়ে ঝামেলায়, এমনকি কটূক্তির অজুহাতেও মানুষকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হচ্ছে। আইনের শাসন বলতে যা বোঝায়, তার ছিটেফোঁটাও দেখা যাচ্ছে না।

এই পরিস্থিতি কোনো আকস্মিক দুর্ঘটনা নয়। এটা দীর্ঘদিনের বিচারহীনতার ফল। যে সরকার ক্ষমতায় এসেছে জনগণের ভোট ছাড়া, নির্বাচনের নামে একটা পাতানো নাটক করে, বড় রাজনৈতিক দলগুলোকে বাইরে রেখে, সেই সরকারের আমলে এমন অরাজকতা বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। বিএনপি আর তাদের মন্ত্রী পরিষদ যে দুর্নীতি আর সন্ত্রাসের ধারা জিয়াউর রহমানের সময় থেকে বয়ে আনছে, সেটা আবার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সেনানিবাসের ছায়ায় জন্ম নেওয়া এই দলটি কখনোই জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারেনি। এখন যখন তারা ক্ষমতায়, তখন দেশের মানুষ প্রতিদিন অনিরাপদ বোধ করছে।

কুষ্টিয়ায় পীর শামীম আল জাহাঙ্গীরকে পিটিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা শুধু একটা উদাহরণ। এরকম আরও অনেক ঘটনা ঘটছে যেখানে পুলিশ নিষ্ক্রিয় দর্শকের ভূমিকায়। মানুষ যখন নিজের হাতে আইন তুলে নেয়, তখন বোঝা যায় প্রশাসনের ওপর কোনো আস্থা নেই। ফেব্রুয়ারিতে যে তথাকথিত সরকার বসানো হয়েছে, সেটা জনগণ বয়কট করেছে, অংশগ্রহণ করেনি। ফলে যে দুর্বলতা তৈরি হয়েছে, তার খেসারত দিচ্ছে সাধারণ মানুষ। নারী ও শিশু নির্যাতনও বেড়েছে। ধর্ষণ, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, হত্যা – সবকিছুর সংখ্যা আগের মাসের চেয়ে বেশি। এই অবস্থায় কেউ বলতে পারবে না যে দেশ নিয়ন্ত্রণে আছে।

বিএনপির এই শাসনে বিচারহীনতা যেন নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যারা একসময় গণতন্ত্রের কথা বলে ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখিয়েছিল, তারাই আজ আইনের শাসনকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। কারাগারে মৃত্যু, রাজনৈতিক সহিংসতা কমলেও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা একেবারে তলানিতে। এই অনিরাপদ বাংলাদেশকে আবার নিরাপদ করার জন্য যে ধরনের শক্ত, স্থিতিশীল ও জনকল্যাণমুখী নেতৃত্ব দরকার, সেটা শেখ হাসিনার মতো নেত্রীর হাতেই সম্ভব। কারণ তিনি যখন দায়িত্বে ছিলেন, দেশে আইনের শাসনের একটা অনুভূতি অন্তত ছিল। এখন যা চলছে, তা শুধু অরাজকতা আর ভয়ের পরিবেশ তৈরি করছে।

সাধারণ মানুষ চায় শান্তি, চায় নিরাপত্তা। কিন্তু এই সরকারের অধীনে সেটা যে আর সম্ভব নয়, এপ্রিলের পরিসংখ্যান সেটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে।

এপ্রিল মাস শেষ হয়ে গেল। সারাদেশে গণপিটুনি আর মবের ঘটনায় আরও একবার চোখে পড়ার মতো সংখ্যা উঠে এসেছে। ৪৯টা ঘটনায় ২১ জন মারা গেছে, ৪৯ জন আহত। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদনটা পড়তে পড়তে মনে হয়, দেশটা কোন দিকে যাচ্ছে। চুরির অভিযোগে, বাকবিতণ্ডায়, জমি নিয়ে ঝামেলায়, এমনকি কটূক্তির অজুহাতেও মানুষকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হচ্ছে। আইনের শাসন বলতে যা বোঝায়, তার ছিটেফোঁটাও দেখা যাচ্ছে না।

এই পরিস্থিতি কোনো আকস্মিক দুর্ঘটনা নয়। এটা দীর্ঘদিনের বিচারহীনতার ফল। যে সরকার ক্ষমতায় এসেছে জনগণের ভোট ছাড়া, নির্বাচনের নামে একটা পাতানো নাটক করে, বড় রাজনৈতিক দলগুলোকে বাইরে রেখে, সেই সরকারের আমলে এমন অরাজকতা বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। বিএনপি আর তাদের মন্ত্রী পরিষদ যে দুর্নীতি আর সন্ত্রাসের ধারা জিয়াউর রহমানের সময় থেকে বয়ে আনছে, সেটা আবার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সেনানিবাসের ছায়ায় জন্ম নেওয়া এই দলটি কখনোই জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারেনি। এখন যখন তারা ক্ষমতায়, তখন দেশের মানুষ প্রতিদিন অনিরাপদ বোধ করছে।

কুষ্টিয়ায় পীর শামীম আল জাহাঙ্গীরকে পিটিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা শুধু একটা উদাহরণ। এরকম আরও অনেক ঘটনা ঘটছে যেখানে পুলিশ নিষ্ক্রিয় দর্শকের ভূমিকায়। মানুষ যখন নিজের হাতে আইন তুলে নেয়, তখন বোঝা যায় প্রশাসনের ওপর কোনো আস্থা নেই। ফেব্রুয়ারিতে যে তথাকথিত সরকার বসানো হয়েছে, সেটা জনগণ বয়কট করেছে, অংশগ্রহণ করেনি। ফলে যে দুর্বলতা তৈরি হয়েছে, তার খেসারত দিচ্ছে সাধারণ মানুষ। নারী ও শিশু নির্যাতনও বেড়েছে। ধর্ষণ, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, হত্যা – সবকিছুর সংখ্যা আগের মাসের চেয়ে বেশি। এই অবস্থায় কেউ বলতে পারবে না যে দেশ নিয়ন্ত্রণে আছে।

বিএনপির এই শাসনে বিচারহীনতা যেন নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যারা একসময় গণতন্ত্রের কথা বলে ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখিয়েছিল, তারাই আজ আইনের শাসনকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। কারাগারে মৃত্যু, রাজনৈতিক সহিংসতা কমলেও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা একেবারে তলানিতে। এই অনিরাপদ বাংলাদেশকে আবার নিরাপদ করার জন্য যে ধরনের শক্ত, স্থিতিশীল ও জনকল্যাণমুখী নেতৃত্ব দরকার, সেটা শেখ হাসিনার মতো নেত্রীর হাতেই সম্ভব। কারণ তিনি যখন দায়িত্বে ছিলেন, দেশে আইনের শাসনের একটা অনুভূতি অন্তত ছিল। এখন যা চলছে, তা শুধু অরাজকতা আর ভয়ের পরিবেশ তৈরি করছে।

সাধারণ মানুষ চায় শান্তি, চায় নিরাপত্তা। কিন্তু এই সরকারের অধীনে সেটা যে আর সম্ভব নয়, এপ্রিলের পরিসংখ্যান সেটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ