হামে মরছে শিশু, মাঠে কাঁদছে কৃষক, স্ত্রীর হাত ধরে ঘুরছেন তারেক

দেশ যখন প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর মহামারির দ্বিমুখী সংকটে জর্জরিত, তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একটি ব্যক্তিগত মুহূর্ত। একদিকে অকাল বন্যায় ফসলের ক্ষতি দেখে কৃষকের মৃত্যু এবং হামে শত শত শিশুর প্রাণহানি ঘটছে, অন্যদিকে সিলেটে স্ত্রীর হাত ধরে বৃষ্টিতে ভেজা তারেক রহমানের ছবি বিএনপির নেতা-কর্মীদের মাঝে তৈরি করেছে এক অদ্ভুত উন্মাদনা।

সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত শেষে বের হওয়ার সময় একটি ছবি আজ সোশ্যাল মিডিয়া দখল করে নিয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, বৃষ্টিভেজা দিনে কোনো প্রটোকল ছাড়াই নিজে ছাতা ধরে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের হাত ধরে হাঁটছেন তারেক রহমান।

ভাইরাল হওয়া এই রোমান্টিক ছবির বিপরীতে দেশের কৃষি খাতের চিত্রটি অত্যন্ত ভয়াবহ। আজ সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে নিজের আবাদ করা ছয় বিঘা জমি পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যেতে দেখে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন কৃষক আহাদ মিয়া (৫৫)। শ্রমিকের মজুরি দিয়ে ধান কাটার স্বপ্ন দেখা এই কৃষকের মৃত্যু অকাল বন্যার এক মর্মান্তিক দলিল। সুনামগঞ্জ, সিলেট ও নেত্রকোনার বিস্তীর্ণ বোরো ধান এখন পানির নিচে, যা কৃষকদের নিঃস্ব করে দিচ্ছে।

দেশজুড়ে ২০২৬ সালের শুরু থেকে চলা হামের প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, গত দেড় মাসে ৪২ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে এবং প্রায় ২৭৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মহামারির এই মরণকামড়ে যখন হাসপাতালগুলোতে মায়েদের আহাজারি চলছে, তখন শীর্ষ নেতৃত্বের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এই অতি-উচ্ছ্বাস সচেতন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।

একদিকে সিলেটে বৃষ্টিভেজা বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর রোমান্টিক পদচারণা, অন্যদিকে বন্যার পানিতে কৃষকের স্বপ্নভঙ্গ আর মহামারিতে শিশুর লাশ—এই দুই ভিন্নধর্মী চিত্র আজ বাংলাদেশকে এক অদ্ভুত বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসার জোয়ার থাকলেও প্রশ্ন উঠছে: সংকটাপন্ন দেশের সাধারণ মানুষের কান্নার চেয়ে কি একটি ব্যক্তিগত ছবিই বড় হয়ে উঠল?

সোশ্যাল মিডিয়ায় তারেক রহমানের ছবি নিয়ে বিএনপির উৎসবমুখর পরিবেশ থাকলেও, সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে বাস্তব পরিস্থিতি নিয়ে। যেখানে দেশের একাংশ বন্যায় ফসল হারাচ্ছে এবং শিশুরা মহামারিতে মারা যাচ্ছে, সেখানে রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এই অতি-উচ্ছ্বাস কতটা যৌক্তিক—তা নিয়ে বইছে বিতর্কের ঝড়।

দেশ যখন প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর মহামারির দ্বিমুখী সংকটে জর্জরিত, তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একটি ব্যক্তিগত মুহূর্ত। একদিকে অকাল বন্যায় ফসলের ক্ষতি দেখে কৃষকের মৃত্যু এবং হামে শত শত শিশুর প্রাণহানি ঘটছে, অন্যদিকে সিলেটে স্ত্রীর হাত ধরে বৃষ্টিতে ভেজা তারেক রহমানের ছবি বিএনপির নেতা-কর্মীদের মাঝে তৈরি করেছে এক অদ্ভুত উন্মাদনা।

সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত শেষে বের হওয়ার সময় একটি ছবি আজ সোশ্যাল মিডিয়া দখল করে নিয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, বৃষ্টিভেজা দিনে কোনো প্রটোকল ছাড়াই নিজে ছাতা ধরে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের হাত ধরে হাঁটছেন তারেক রহমান।

ভাইরাল হওয়া এই রোমান্টিক ছবির বিপরীতে দেশের কৃষি খাতের চিত্রটি অত্যন্ত ভয়াবহ। আজ সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে নিজের আবাদ করা ছয় বিঘা জমি পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যেতে দেখে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন কৃষক আহাদ মিয়া (৫৫)। শ্রমিকের মজুরি দিয়ে ধান কাটার স্বপ্ন দেখা এই কৃষকের মৃত্যু অকাল বন্যার এক মর্মান্তিক দলিল। সুনামগঞ্জ, সিলেট ও নেত্রকোনার বিস্তীর্ণ বোরো ধান এখন পানির নিচে, যা কৃষকদের নিঃস্ব করে দিচ্ছে।

দেশজুড়ে ২০২৬ সালের শুরু থেকে চলা হামের প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, গত দেড় মাসে ৪২ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে এবং প্রায় ২৭৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মহামারির এই মরণকামড়ে যখন হাসপাতালগুলোতে মায়েদের আহাজারি চলছে, তখন শীর্ষ নেতৃত্বের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এই অতি-উচ্ছ্বাস সচেতন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।

একদিকে সিলেটে বৃষ্টিভেজা বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর রোমান্টিক পদচারণা, অন্যদিকে বন্যার পানিতে কৃষকের স্বপ্নভঙ্গ আর মহামারিতে শিশুর লাশ—এই দুই ভিন্নধর্মী চিত্র আজ বাংলাদেশকে এক অদ্ভুত বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসার জোয়ার থাকলেও প্রশ্ন উঠছে: সংকটাপন্ন দেশের সাধারণ মানুষের কান্নার চেয়ে কি একটি ব্যক্তিগত ছবিই বড় হয়ে উঠল?

সোশ্যাল মিডিয়ায় তারেক রহমানের ছবি নিয়ে বিএনপির উৎসবমুখর পরিবেশ থাকলেও, সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে বাস্তব পরিস্থিতি নিয়ে। যেখানে দেশের একাংশ বন্যায় ফসল হারাচ্ছে এবং শিশুরা মহামারিতে মারা যাচ্ছে, সেখানে রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এই অতি-উচ্ছ্বাস কতটা যৌক্তিক—তা নিয়ে বইছে বিতর্কের ঝড়।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ