বিএনপির শাসনে রসাতলে যাচ্ছে দেশ, খুন-ধর্ষণে বাড়ছে জনমনে শঙ্কা

সারাদেশে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই ও ডাকাতিসহ নানা সামাজিক অপরাধ। বিশেষ করে গত কয়েক মাসে হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা এবং নৃশংসতা জনমনে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও শঙ্কা তৈরি করেছে। পুলিশের পরিসংখ্যান এবং মাঠ পর্যায়ের চিত্র বলছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। সাধারণ মানুষের ভাষায়—দেশ যেন ক্রমে রসাতলে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড় থেকে তিনজনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উত্তর শীলখালী এলাকায় ঘটে যাওয়া এই হত্যাকাণ্ড এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। অন্যদিকে নওগাঁর নিয়ামতপুরে এক দম্পতি ও তাদের দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় উঠে এসেছে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের ভয়াবহ চিত্র। এই ঘটনায় ভাগনে সবুজ হোসেনকে আটক করা হয়েছে।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরেও থামছে না খুনের উৎসব। ১২ এপ্রিল আধিপত্য বিস্তারের জেরে এলেক্স ইমনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার তিনদিন পর ১৫ এপ্রিল গভীর রাতে আসাদুল হক নামে আরেক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। এছাড়া রাঙামাটির কুতুবছড়িতে ইউপিডিএফ নেতা ধর্মশিং চাকমা এবং কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আবদুর রহমান শামীমকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার ঘটনাগুলো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতিকেই তুলে ধরছে।

গত দুই মাসে মিরপুর ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় উপহারের লোভ দেখিয়ে অন্তত ১৩ জন নারীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষক রাশেদুল ইসলাম রাব্বিকে গ্রেফতার করা হলেও নারীদের মধ্যে আতঙ্ক কমছে না। মানিকগঞ্জে ৮ বছরের এক শিশুকে হত্যার পর গণপিটুনিতে দুই ভাই নিহত হওয়ার ঘটনা বিচারহীনতার সংস্কৃতির দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে। ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ৪ বছরের শিশু মরিয়মকে হত্যার পর রান্নাঘরের চুলার ভেতর লাশ লুকিয়ে রাখার মতো পৈশাচিক ঘটনাও ঘটেছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসের তুলনায় ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে দেশে হত্যাকাণ্ড বেড়েছে ১৪ শতাংশ। ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসে (জানুয়ারি-মার্চ) মোট হত্যা মামলা হয়েছিল ৭৫০টি। ২০২৬ সালের একই সময়ে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৫৪টিতে। অর্থাৎ কেবল মার্চ মাসেই ৩১৭টি হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

খুলনা অঞ্চলেও পরিস্থিতি ভয়াবহ। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণ (৬৫টি) হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসেই জেলায় গুলিতে নিহত হয়েছেন ২১ জন।

অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, পরিস্থিতির এভাবে অবনতি হতে থাকলে তীব্র জনরোষ সৃষ্টি হতে পারে। এদিকে ময়মনসিংহ, সিলেট, চাঁদপুর এবং সাতক্ষীরাসহ বিভিন্ন জেলায় চুরিবাদ, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসা লাগামহীন হয়ে পড়েছে। চট্টগ্রামের পটিয়ায় ডাকাতি ও ছিনতাই নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়ালেও ভুক্তভোগীরা থানায় গিয়ে সঠিক সেবা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই ক্রমাবনতি সরকারকে এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে, যা সামাল দিতে না পারলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অসম্ভব হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সারাদেশে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই ও ডাকাতিসহ নানা সামাজিক অপরাধ। বিশেষ করে গত কয়েক মাসে হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা এবং নৃশংসতা জনমনে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও শঙ্কা তৈরি করেছে। পুলিশের পরিসংখ্যান এবং মাঠ পর্যায়ের চিত্র বলছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। সাধারণ মানুষের ভাষায়—দেশ যেন ক্রমে রসাতলে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড় থেকে তিনজনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উত্তর শীলখালী এলাকায় ঘটে যাওয়া এই হত্যাকাণ্ড এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। অন্যদিকে নওগাঁর নিয়ামতপুরে এক দম্পতি ও তাদের দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় উঠে এসেছে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের ভয়াবহ চিত্র। এই ঘটনায় ভাগনে সবুজ হোসেনকে আটক করা হয়েছে।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরেও থামছে না খুনের উৎসব। ১২ এপ্রিল আধিপত্য বিস্তারের জেরে এলেক্স ইমনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার তিনদিন পর ১৫ এপ্রিল গভীর রাতে আসাদুল হক নামে আরেক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। এছাড়া রাঙামাটির কুতুবছড়িতে ইউপিডিএফ নেতা ধর্মশিং চাকমা এবং কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আবদুর রহমান শামীমকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার ঘটনাগুলো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতিকেই তুলে ধরছে।

গত দুই মাসে মিরপুর ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় উপহারের লোভ দেখিয়ে অন্তত ১৩ জন নারীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষক রাশেদুল ইসলাম রাব্বিকে গ্রেফতার করা হলেও নারীদের মধ্যে আতঙ্ক কমছে না। মানিকগঞ্জে ৮ বছরের এক শিশুকে হত্যার পর গণপিটুনিতে দুই ভাই নিহত হওয়ার ঘটনা বিচারহীনতার সংস্কৃতির দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে। ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ৪ বছরের শিশু মরিয়মকে হত্যার পর রান্নাঘরের চুলার ভেতর লাশ লুকিয়ে রাখার মতো পৈশাচিক ঘটনাও ঘটেছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসের তুলনায় ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে দেশে হত্যাকাণ্ড বেড়েছে ১৪ শতাংশ। ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসে (জানুয়ারি-মার্চ) মোট হত্যা মামলা হয়েছিল ৭৫০টি। ২০২৬ সালের একই সময়ে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৫৪টিতে। অর্থাৎ কেবল মার্চ মাসেই ৩১৭টি হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

খুলনা অঞ্চলেও পরিস্থিতি ভয়াবহ। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণ (৬৫টি) হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসেই জেলায় গুলিতে নিহত হয়েছেন ২১ জন।

অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, পরিস্থিতির এভাবে অবনতি হতে থাকলে তীব্র জনরোষ সৃষ্টি হতে পারে। এদিকে ময়মনসিংহ, সিলেট, চাঁদপুর এবং সাতক্ষীরাসহ বিভিন্ন জেলায় চুরিবাদ, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসা লাগামহীন হয়ে পড়েছে। চট্টগ্রামের পটিয়ায় ডাকাতি ও ছিনতাই নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়ালেও ভুক্তভোগীরা থানায় গিয়ে সঠিক সেবা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই ক্রমাবনতি সরকারকে এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে, যা সামাল দিতে না পারলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অসম্ভব হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ