যে মাদ্রাসায় বলাৎকার চলে, সেই মাদ্রাসাই জামায়াতের দুর্গ

মেহেরপুরের মুজিবনগরের সেই মাদ্রাসায় তিন শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর স্থানীয় মানুষের যে প্রতিক্রিয়া দেখলাম, সেটা আসলে বছরের পর বছর ধরে জমে থাকা ক্ষোভের বিস্ফোরণ। মানুষ রাতের অন্ধকারে রাস্তায় নেমে এসেছে, থানা ঘেরাও করেছে, মাদ্রাসা ঘেরাও করেছে। তাদের এই স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদই বলে দিচ্ছে সমাজের নিচতলায় কী পরিমাণ অসন্তোষ দানা বেঁধেছে।

এখন প্রশ্ন হলো এই ঘটনার রাজনৈতিক মালিকানা নিয়ে। মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা মেহেরপুর ১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির মওলানা তাহাজ উদ্দিন। এটা কোনো সাধারণ তথ্য নয়, এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাজনৈতিক সংযোগ। আর এই সংযোগের কারণেই দেখলাম এক অদ্ভুত দৃশ্য। রাতের বেলা যখন স্থানীয় মানুষ শিশুদের উপর নির্যাতনের খবর পেয়ে মাদ্রাসার সামনে জড়ো হয়েছে, তখন তাদের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে জামায়াতের কর্মীরা। তারা কী করতে এসেছিল। শিশুদের উদ্ধার করতে নয়, বিচার দাবি করতে নয়। তারা এসেছিল অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করতে এবং মাদ্রাসা রক্ষা করতে।

এই দৃশ্যটা ভয়ংকর। যে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তিন শিশুকে নিয়মিত ধর্ষণের অভিযোগ, তাকে রক্ষা করতে একটি রাজনৈতিক দলের কর্মীরা রাস্তায় নেমে এলো। জনগণের রোষের মুখে শেষ পর্যন্ত তারা পিছু হটতে বাধ্য হলো, পুলিশের হস্তক্ষেপে গ্রেপ্তার হলো সেই নূর উদ্দিন নামের আরবি শিক্ষক। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, জামায়াতের কর্মীরা কোন সাহসে একজন ধর্ষককে রক্ষা করতে এগিয়ে এলো। তাদের কাছে দলের ভাবমূর্তি কি শিশুদের নিরাপত্তার চেয়েও বড়।

জামায়াতের স্থানীয় নেতা খায়রুল বাশার এরপর যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটা আরো বেশি পীড়াদায়ক। তিনি বলেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায় মাদ্রাসাটিকে জামায়াতের আমিরের বলে প্রচার করা হচ্ছিল, তাই কর্মীরা সেটা মিথ্যা প্রমাণ করতে ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। কী অদ্ভুত যুক্তি। তিন শিশু ধর্ষিত হয়েছে, এলাকার মানুষ ফুঁসছে, আর তখন আপনার মাথাব্যথা হলো মাদ্রাসার মালিকানা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট নিয়ে। শিশুদের কী অবস্থা, অভিযুক্ত শিক্ষক আসলেই দোষী কিনা, সেটা নয়, আগে দলের ভাবমূর্তি বাঁচাতে হবে।

এরপর এলো মাদ্রাসার আরেক শিক্ষক সোহেল রানার বক্তব্য। তিনি বললেন জামায়াতের আমিরের সঙ্গে মাদ্রাসার কোনো সম্পর্ক নেই, মাদ্রাসার পরিচালক তার বড় ভাই সেলিম হোসেন খাঁন আর প্রিন্সিপাল হাফেজ বায়োজিত হোসেন। এই যে সম্পর্ক অস্বীকারের চেষ্টা, সেটা কি সাধারণ মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়। এক ভাই সংসদ সদস্য ও দলের আমির, আরেক ভাই মাদ্রাসা পরিচালনা করছেন, এটা তো সুস্পষ্ট পারিবারিক নিয়ন্ত্রণ। আরেকটি বিষয় লক্ষণীয়, এই শিক্ষক বলেছেন আগে এমন ঘটনা ঘটলে ব্যবস্থা নেওয়া হতো। তার মানে আগেও গুঞ্জন ছিল, আগেও হয়তো ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এটাই তো সবচেয়ে ভয়ের জায়গা।

এখন আসি সেই শিক্ষকের কথায়, যে বলেছে আমরা মাদ্রাসা ঘেরাওয়ের পর ঘটনা শুনেছি। বোর্ডিং মাদ্রাসার ভেতরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ, অথচ কর্তৃপক্ষ কিছুই জানত না। এটা হয় চরম অব্যবস্থাপনা, নয় সরাসরি তথ্য গোপন। শিশুরা কেন তাদের অভিভাবকদের কাছে সরাসরি বলতে পারেনি, কেন এতদিন ধরে এই নীরব অত্যাচার চলেছে। কারণ এই শিক্ষাব্যবস্থায় ভয় আর শাসনের সংস্কৃতি এতটাই প্রকট যে শিশুরা মুখ খুলতে সাহস পায় না।

পুলিশ প্রশাসন তাদের করণীয় করেছে। ওসি জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে, আদালতে পাঠানো হয়েছে, শিশুদের ২২ ধারায় জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই ঘটনার পরেও কি সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদ্রাসা বন্ধ হবে কিনা, পরিচালক বা প্রিন্সিপালের কোনো দায় আছে কিনা, এসব প্রশ্নের উত্তর কে দেবে।

স্থানীয় বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম আর মাজেদুর রহমানের কথাটা ভাবনার বিষয়। তারা বলেছেন এমন অভিযোগ তারা প্রায়ই শুনতেন, কিন্তু বিশ্বাস হয়নি। দেশজুড়ে কত মাদ্রাসা আর বোর্ডিংয়ে এমন ঘটনা ঘটছে, যা গুঞ্জনেই থেকে যাচ্ছে, যতদিন না কোনো বড় ঘটনা ঘটে। আর যখন ঘটে, তখন দেখা যায় রাজনৈতিক প্রভাব আর ক্ষমতার দাপটে সবকিছু চাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

এই যে একই সাথে ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আর রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ, এই মিশ্রণটাই সবচেয়ে বিপজ্জনক। এখানে জবাবদিহিতা নেই, স্বচ্ছতা নেই, শিশুদের নিরাপত্তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। মাদ্রাসার সাইনবোর্ডের আড়ালে চলছে ক্ষমতার রাজনীতি আর তার মধ্যেই বলি হচ্ছে সাধারণ শিশুরা। ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা যে সাহস দেখিয়েছেন, রাত তিনটায় গিয়ে নিজের সন্তানকে উদ্ধার করে থানায় মামলা করেছেন, তার জন্য তাকে ধন্যবাদ জানাতেই হবে। কিন্তু কত বাবা এই সাহস দেখাতে পারেন না, কত শিশু নীরবে অত্যাচার সহ্য করে যায়, তার কোনো হিসাব আছে কি।

এই মামলার বাদী বলেছেন তার ছেলেসহ তিন শিশুকে ওই শিক্ষক মাঝেমধ্যেই গভীর রাতে ডেকে নিয়ে খারাপ কাজ করতেন। এমনকি ঘটনার দিনও তিন চারবার করেছেন। এই তথ্যটা শিউরে ওঠার মতো। যে শিক্ষক দিনের বেলায় কুরআন পড়ান, তিনি রাতের বেলায় কীভাবে এত বড় অপরাধ করতে পারেন। আর এটা চলছে নিয়মিত, কোনো প্রতিবাদ নেই, কোনো ব্যবস্থা নেই। এটাই তো সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা।

এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো এই ঘটনার পরে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসাটি বন্ধ হবে কিনা। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেখানে শিশুদের নিয়মিত ধর্ষণ করা হয়েছে, যেখানে কর্তৃপক্ষ কিছুই জানে না বলে দাবি করছে, সেই প্রতিষ্ঠানের কি শিক্ষা কার্যক্রম চালানোর কোনো নৈতিক অধিকার আছে। যতদিন না এমন প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিরতরে বন্ধ করে দেওয়ার বিধান করা হবে, ততদিন বাংলাদেশের কোনো শিশুই কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ নয়।

মেহেরপুরের মুজিবনগরের সেই মাদ্রাসায় তিন শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর স্থানীয় মানুষের যে প্রতিক্রিয়া দেখলাম, সেটা আসলে বছরের পর বছর ধরে জমে থাকা ক্ষোভের বিস্ফোরণ। মানুষ রাতের অন্ধকারে রাস্তায় নেমে এসেছে, থানা ঘেরাও করেছে, মাদ্রাসা ঘেরাও করেছে। তাদের এই স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদই বলে দিচ্ছে সমাজের নিচতলায় কী পরিমাণ অসন্তোষ দানা বেঁধেছে।

এখন প্রশ্ন হলো এই ঘটনার রাজনৈতিক মালিকানা নিয়ে। মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা মেহেরপুর ১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির মওলানা তাহাজ উদ্দিন। এটা কোনো সাধারণ তথ্য নয়, এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাজনৈতিক সংযোগ। আর এই সংযোগের কারণেই দেখলাম এক অদ্ভুত দৃশ্য। রাতের বেলা যখন স্থানীয় মানুষ শিশুদের উপর নির্যাতনের খবর পেয়ে মাদ্রাসার সামনে জড়ো হয়েছে, তখন তাদের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে জামায়াতের কর্মীরা। তারা কী করতে এসেছিল। শিশুদের উদ্ধার করতে নয়, বিচার দাবি করতে নয়। তারা এসেছিল অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করতে এবং মাদ্রাসা রক্ষা করতে।

এই দৃশ্যটা ভয়ংকর। যে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তিন শিশুকে নিয়মিত ধর্ষণের অভিযোগ, তাকে রক্ষা করতে একটি রাজনৈতিক দলের কর্মীরা রাস্তায় নেমে এলো। জনগণের রোষের মুখে শেষ পর্যন্ত তারা পিছু হটতে বাধ্য হলো, পুলিশের হস্তক্ষেপে গ্রেপ্তার হলো সেই নূর উদ্দিন নামের আরবি শিক্ষক। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, জামায়াতের কর্মীরা কোন সাহসে একজন ধর্ষককে রক্ষা করতে এগিয়ে এলো। তাদের কাছে দলের ভাবমূর্তি কি শিশুদের নিরাপত্তার চেয়েও বড়।

জামায়াতের স্থানীয় নেতা খায়রুল বাশার এরপর যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটা আরো বেশি পীড়াদায়ক। তিনি বলেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায় মাদ্রাসাটিকে জামায়াতের আমিরের বলে প্রচার করা হচ্ছিল, তাই কর্মীরা সেটা মিথ্যা প্রমাণ করতে ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। কী অদ্ভুত যুক্তি। তিন শিশু ধর্ষিত হয়েছে, এলাকার মানুষ ফুঁসছে, আর তখন আপনার মাথাব্যথা হলো মাদ্রাসার মালিকানা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট নিয়ে। শিশুদের কী অবস্থা, অভিযুক্ত শিক্ষক আসলেই দোষী কিনা, সেটা নয়, আগে দলের ভাবমূর্তি বাঁচাতে হবে।

এরপর এলো মাদ্রাসার আরেক শিক্ষক সোহেল রানার বক্তব্য। তিনি বললেন জামায়াতের আমিরের সঙ্গে মাদ্রাসার কোনো সম্পর্ক নেই, মাদ্রাসার পরিচালক তার বড় ভাই সেলিম হোসেন খাঁন আর প্রিন্সিপাল হাফেজ বায়োজিত হোসেন। এই যে সম্পর্ক অস্বীকারের চেষ্টা, সেটা কি সাধারণ মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়। এক ভাই সংসদ সদস্য ও দলের আমির, আরেক ভাই মাদ্রাসা পরিচালনা করছেন, এটা তো সুস্পষ্ট পারিবারিক নিয়ন্ত্রণ। আরেকটি বিষয় লক্ষণীয়, এই শিক্ষক বলেছেন আগে এমন ঘটনা ঘটলে ব্যবস্থা নেওয়া হতো। তার মানে আগেও গুঞ্জন ছিল, আগেও হয়তো ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এটাই তো সবচেয়ে ভয়ের জায়গা।

এখন আসি সেই শিক্ষকের কথায়, যে বলেছে আমরা মাদ্রাসা ঘেরাওয়ের পর ঘটনা শুনেছি। বোর্ডিং মাদ্রাসার ভেতরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ, অথচ কর্তৃপক্ষ কিছুই জানত না। এটা হয় চরম অব্যবস্থাপনা, নয় সরাসরি তথ্য গোপন। শিশুরা কেন তাদের অভিভাবকদের কাছে সরাসরি বলতে পারেনি, কেন এতদিন ধরে এই নীরব অত্যাচার চলেছে। কারণ এই শিক্ষাব্যবস্থায় ভয় আর শাসনের সংস্কৃতি এতটাই প্রকট যে শিশুরা মুখ খুলতে সাহস পায় না।

পুলিশ প্রশাসন তাদের করণীয় করেছে। ওসি জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে, আদালতে পাঠানো হয়েছে, শিশুদের ২২ ধারায় জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই ঘটনার পরেও কি সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদ্রাসা বন্ধ হবে কিনা, পরিচালক বা প্রিন্সিপালের কোনো দায় আছে কিনা, এসব প্রশ্নের উত্তর কে দেবে।

স্থানীয় বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম আর মাজেদুর রহমানের কথাটা ভাবনার বিষয়। তারা বলেছেন এমন অভিযোগ তারা প্রায়ই শুনতেন, কিন্তু বিশ্বাস হয়নি। দেশজুড়ে কত মাদ্রাসা আর বোর্ডিংয়ে এমন ঘটনা ঘটছে, যা গুঞ্জনেই থেকে যাচ্ছে, যতদিন না কোনো বড় ঘটনা ঘটে। আর যখন ঘটে, তখন দেখা যায় রাজনৈতিক প্রভাব আর ক্ষমতার দাপটে সবকিছু চাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

এই যে একই সাথে ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আর রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ, এই মিশ্রণটাই সবচেয়ে বিপজ্জনক। এখানে জবাবদিহিতা নেই, স্বচ্ছতা নেই, শিশুদের নিরাপত্তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। মাদ্রাসার সাইনবোর্ডের আড়ালে চলছে ক্ষমতার রাজনীতি আর তার মধ্যেই বলি হচ্ছে সাধারণ শিশুরা। ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা যে সাহস দেখিয়েছেন, রাত তিনটায় গিয়ে নিজের সন্তানকে উদ্ধার করে থানায় মামলা করেছেন, তার জন্য তাকে ধন্যবাদ জানাতেই হবে। কিন্তু কত বাবা এই সাহস দেখাতে পারেন না, কত শিশু নীরবে অত্যাচার সহ্য করে যায়, তার কোনো হিসাব আছে কি।

এই মামলার বাদী বলেছেন তার ছেলেসহ তিন শিশুকে ওই শিক্ষক মাঝেমধ্যেই গভীর রাতে ডেকে নিয়ে খারাপ কাজ করতেন। এমনকি ঘটনার দিনও তিন চারবার করেছেন। এই তথ্যটা শিউরে ওঠার মতো। যে শিক্ষক দিনের বেলায় কুরআন পড়ান, তিনি রাতের বেলায় কীভাবে এত বড় অপরাধ করতে পারেন। আর এটা চলছে নিয়মিত, কোনো প্রতিবাদ নেই, কোনো ব্যবস্থা নেই। এটাই তো সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা।

এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো এই ঘটনার পরে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসাটি বন্ধ হবে কিনা। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেখানে শিশুদের নিয়মিত ধর্ষণ করা হয়েছে, যেখানে কর্তৃপক্ষ কিছুই জানে না বলে দাবি করছে, সেই প্রতিষ্ঠানের কি শিক্ষা কার্যক্রম চালানোর কোনো নৈতিক অধিকার আছে। যতদিন না এমন প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিরতরে বন্ধ করে দেওয়ার বিধান করা হবে, ততদিন বাংলাদেশের কোনো শিশুই কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ নয়।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ