তারেকের লাগামহীন লুটপাটে ফাঁকা কোষাগার: বিএনপির ফাঁকা বুলিতে দিশেহারা জনগণ

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এক গভীর ও নজিরবিহীন সংকটের মুখে পতিত হয়েছে, যেখানে বিএনপি সরকারের চরম ব্যর্থতা, অদূরদর্শিতা এবং সর্বগ্রাসী দুর্নীতির কারণে রাষ্ট্রীয় কোষাগার আজ শূন্যের কোঠায় এসে ঠেকেছে। মৎস্য অধিদপ্তরের একটি ক্ষুদ্র প্রকল্পে মাছের পোনা ক্রয়ের চেয়ে আনুষঙ্গিক খাতে ১৫ গুণ বেশি অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব থেকে শুরু করে মেগা প্রকল্পগুলোর প্রতিটি পদক্ষেপে হরিলুটের যে মহোৎসব চলছে, তার সরাসরি খেসারত দিতে হচ্ছে দেশের সাধারণ মানুষকে। রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি সেক্টরে সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজির রমরমা বিস্তার ঘটলেও প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় অপরাধীরা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। বিএনপি সরকারের এই লাগামহীন অদক্ষতা ও দুর্নীতির ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা এখন সম্পূর্ণ দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) বিশেষ জরিপ অনুযায়ী, জাতীয় পর্যায়ে পরিবারপ্রতি গড় মাসিক আয় ৩৩ হাজার ৫১৩ টাকা হলেও গড় ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৩১২ টাকায়, যার ফলে দেশের প্রায় ৪৭ দশমিক ৪২ শতাংশ পরিবার নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে বাধ্য হয়ে ঋণের ফাঁদে পড়ছে। একদিকে দুর্নীতিবাজদের খপ্পরে পড়ে সরকারি তহবিল শূন্য হচ্ছে, অন্যদিকে লাগাতার মূল্যস্ফীতি ও প্রকৃত মজুরি হ্রাসের কারণে খেটে খাওয়া মানুষের ক্রয়ক্ষমতা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে।

ব্যাংকিং খাতের অবস্থাও আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে, যেখানে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বেনামি কোম্পানি ও ভুয়া জামানতের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এর ফলে দেশের মোট ঋণের প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ ৬ লাখ কোটি টাকারও বেশি অর্থ আজ খেলাপি ঋণে পরিণত হয়েছে এবং মাত্র ১০টি সংকটাপন্ন ও দুর্বল ব্যাংকেই এই খেলাপি ঋণের প্রায় ৭২ শতাংশ কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়েছে। ব্যাংকে পর্যাপ্ত তারল্য না থাকায় সাধারণ আমানতকারীরা যেমন তাঁদের জমানো টাকা তুলতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন, তেমনি সৎ ও প্রকৃত ব্যবসায়ীরা নতুন কোনো ঋণ না পেয়ে কলকারখানা ও ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছেন।

এই ভয়াবহ আর্থিক বিশৃঙ্খলা ও নীতিনির্ধারকদের অপরিপক্ক সিদ্ধান্তের সুযোগে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এবং বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম আশঙ্কার কথা জানিয়েছে। আইএমএফের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে মাত্র ৩ দশমিক ২ শতাংশ এবং ২০২৮ অর্থবছরে ৪ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ দশমিক ২ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, এমনকি আগামী দশকেও এই প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশের নিচে আটকে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্বব্যাংকও চলতি ও আগামী অর্থবছরের বিনিয়োগ ও প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ব্যাপকহারে কমিয়েছে।

দুর্নীতি ও অদক্ষতার এই যাঁতাকলে পড়ে দেশের সাধারণ মানুষের ওপর মূল্যস্ফীতির মারাত্মক বোঝা চেপে বসেছে, যা অর্থনীতিকে আরও বেশি পঙ্গু করে তুলছে। আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২০২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতির হার ৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ দশমিক ৯ শতাংশ করা হয়েছে এবং ২০৩১ অর্থবছরের আগে মূল্যস্ফীতি স্বস্তিদায়ক পর্যায়ে নেমে আসার কোনো সম্ভাবনা নেই। বিশ্বব্যাংকের মতে, বিএনপি সরকারের ভুল নীতি ও বিনিয়োগ খাতের স্থবিরতার কারণে ২০২৬ অর্থবছরে মোট বিনিয়োগ শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ সংকুচিত হতে পারে এবং জিডিপির অনুপাতে বিনিয়োগের হার আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেতে পারে।

অথচ ক্ষমতাসীন বিএনপির রাজনৈতিক বুলি ও ফাঁকা আশ্বাসের বিপরীতে মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষ আজ চরম অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও খাদ্য নিরাপত্তার সংকটে দিন কাটাচ্ছে। রাষ্ট্রীয় কোষাগার ফাঁকা করে দুর্নীতিবাজদের পকেট ভারী করার এই সংস্কৃতি বন্ধ করা না হলে এবং ব্যাংক খাতের সংস্কারসহ কঠোর প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা না হলে পুরো অর্থনীতি এক অপূরণীয় ও দীর্ঘমেয়াদি দেউলিয়া দশার দিকে ধাবিত হবে বলে অর্থনীতিবিদ ও সচেতন মহল তীব্র ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এক গভীর ও নজিরবিহীন সংকটের মুখে পতিত হয়েছে, যেখানে বিএনপি সরকারের চরম ব্যর্থতা, অদূরদর্শিতা এবং সর্বগ্রাসী দুর্নীতির কারণে রাষ্ট্রীয় কোষাগার আজ শূন্যের কোঠায় এসে ঠেকেছে। মৎস্য অধিদপ্তরের একটি ক্ষুদ্র প্রকল্পে মাছের পোনা ক্রয়ের চেয়ে আনুষঙ্গিক খাতে ১৫ গুণ বেশি অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব থেকে শুরু করে মেগা প্রকল্পগুলোর প্রতিটি পদক্ষেপে হরিলুটের যে মহোৎসব চলছে, তার সরাসরি খেসারত দিতে হচ্ছে দেশের সাধারণ মানুষকে। রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি সেক্টরে সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজির রমরমা বিস্তার ঘটলেও প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় অপরাধীরা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। বিএনপি সরকারের এই লাগামহীন অদক্ষতা ও দুর্নীতির ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা এখন সম্পূর্ণ দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) বিশেষ জরিপ অনুযায়ী, জাতীয় পর্যায়ে পরিবারপ্রতি গড় মাসিক আয় ৩৩ হাজার ৫১৩ টাকা হলেও গড় ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৩১২ টাকায়, যার ফলে দেশের প্রায় ৪৭ দশমিক ৪২ শতাংশ পরিবার নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে বাধ্য হয়ে ঋণের ফাঁদে পড়ছে। একদিকে দুর্নীতিবাজদের খপ্পরে পড়ে সরকারি তহবিল শূন্য হচ্ছে, অন্যদিকে লাগাতার মূল্যস্ফীতি ও প্রকৃত মজুরি হ্রাসের কারণে খেটে খাওয়া মানুষের ক্রয়ক্ষমতা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে।

ব্যাংকিং খাতের অবস্থাও আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে, যেখানে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বেনামি কোম্পানি ও ভুয়া জামানতের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এর ফলে দেশের মোট ঋণের প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ ৬ লাখ কোটি টাকারও বেশি অর্থ আজ খেলাপি ঋণে পরিণত হয়েছে এবং মাত্র ১০টি সংকটাপন্ন ও দুর্বল ব্যাংকেই এই খেলাপি ঋণের প্রায় ৭২ শতাংশ কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়েছে। ব্যাংকে পর্যাপ্ত তারল্য না থাকায় সাধারণ আমানতকারীরা যেমন তাঁদের জমানো টাকা তুলতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন, তেমনি সৎ ও প্রকৃত ব্যবসায়ীরা নতুন কোনো ঋণ না পেয়ে কলকারখানা ও ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছেন।

এই ভয়াবহ আর্থিক বিশৃঙ্খলা ও নীতিনির্ধারকদের অপরিপক্ক সিদ্ধান্তের সুযোগে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এবং বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম আশঙ্কার কথা জানিয়েছে। আইএমএফের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে মাত্র ৩ দশমিক ২ শতাংশ এবং ২০২৮ অর্থবছরে ৪ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ দশমিক ২ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, এমনকি আগামী দশকেও এই প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশের নিচে আটকে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্বব্যাংকও চলতি ও আগামী অর্থবছরের বিনিয়োগ ও প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ব্যাপকহারে কমিয়েছে।

দুর্নীতি ও অদক্ষতার এই যাঁতাকলে পড়ে দেশের সাধারণ মানুষের ওপর মূল্যস্ফীতির মারাত্মক বোঝা চেপে বসেছে, যা অর্থনীতিকে আরও বেশি পঙ্গু করে তুলছে। আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২০২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতির হার ৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ দশমিক ৯ শতাংশ করা হয়েছে এবং ২০৩১ অর্থবছরের আগে মূল্যস্ফীতি স্বস্তিদায়ক পর্যায়ে নেমে আসার কোনো সম্ভাবনা নেই। বিশ্বব্যাংকের মতে, বিএনপি সরকারের ভুল নীতি ও বিনিয়োগ খাতের স্থবিরতার কারণে ২০২৬ অর্থবছরে মোট বিনিয়োগ শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ সংকুচিত হতে পারে এবং জিডিপির অনুপাতে বিনিয়োগের হার আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেতে পারে।

অথচ ক্ষমতাসীন বিএনপির রাজনৈতিক বুলি ও ফাঁকা আশ্বাসের বিপরীতে মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষ আজ চরম অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও খাদ্য নিরাপত্তার সংকটে দিন কাটাচ্ছে। রাষ্ট্রীয় কোষাগার ফাঁকা করে দুর্নীতিবাজদের পকেট ভারী করার এই সংস্কৃতি বন্ধ করা না হলে এবং ব্যাংক খাতের সংস্কারসহ কঠোর প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা না হলে পুরো অর্থনীতি এক অপূরণীয় ও দীর্ঘমেয়াদি দেউলিয়া দশার দিকে ধাবিত হবে বলে অর্থনীতিবিদ ও সচেতন মহল তীব্র ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ