সুইস ব্যাংকে ৮৩ কোটি ফ্রাঁর মালিক কারা, এই প্রশ্নেই লাপাত্তা বিএনপি-জামাতের অবৈধ সরকার!

২০০১-০৬ মেয়াদ শেষে ভেবেছিলাম দুঃস্বপ্ন বুঝি চিরতরে গেল। ভুল ছিল। ২০২৬ সালে এসে আবার সেই একই ছবি দেখছি। এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত বেড়েছে সাড়ে ৪১ শতাংশ, অথচ ক্ষমতাসীনদের মুখে কুলুপ।

গতকাল প্রকাশিত সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রতিবেদনটা চোখে লাগার মতোই লজ্জার। ২০২৫ সাল শেষে সুইস ব্যাংকে জমা পড়েছে ৮৩ কোটি ৪১ লাখ সুইস ফ্রাঁ, যা বাংলাদেশি টাকায় ১২ হাজার ২৫০ কোটি টাকার বেশি। অথচ ২০২৩ সালে এই অংকটা ছিল মাত্র ১ কোটি ৭৭ লাখ সুইস ফ্রাঁ। দুই বছরে এই উল্লম্ফন চুরির মহড়া ছাড়া আর কী!

২০২৬ সালের জুনে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন জাগে, দেশ চালাচ্ছে কারা? যে বিএনপি-জামাত জোট ২০০১-০৬ মেয়াদে দুর্নীতির মহোৎসব বানিয়েছিল, তারা আবার ক্ষমতায় বসে চোখ বুজে আছে। তারা কি চায় না আমরা জানি এই টাকা কার? নাকি চেনা মুখগুলোই আবার সরব হয়েছে?

পাকিস্তান আর ভারতের আমানত কমলেও বাংলাদেশ কেন উল্টো পথে হাঁটছে, তার জবাব এই সরকার দেবে না। কারণ জবাব দিতে গেলে নিজেদের দিকেও আঙুল তুলতে হবে। শুধু সংখ্যা দেখিয়ে জনগণকে বোকা বানানোর দিন শেষ। ১২ হাজার কোটি টাকা দেশের ব্যাংকিং চ্যানেলে এলে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াত, কিন্তু সেটা তো হতে দেওয়া যাবে না। পাচারকারীদের সুরক্ষা দিতেই তো এত আয়োজন। বিএনপি-জামাতের এই নীরবতা তাদের পুরনো চরিত্রকেই ফাঁস করছে বারবার।

২০০১-০৬ মেয়াদ শেষে ভেবেছিলাম দুঃস্বপ্ন বুঝি চিরতরে গেল। ভুল ছিল। ২০২৬ সালে এসে আবার সেই একই ছবি দেখছি। এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত বেড়েছে সাড়ে ৪১ শতাংশ, অথচ ক্ষমতাসীনদের মুখে কুলুপ।

গতকাল প্রকাশিত সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রতিবেদনটা চোখে লাগার মতোই লজ্জার। ২০২৫ সাল শেষে সুইস ব্যাংকে জমা পড়েছে ৮৩ কোটি ৪১ লাখ সুইস ফ্রাঁ, যা বাংলাদেশি টাকায় ১২ হাজার ২৫০ কোটি টাকার বেশি। অথচ ২০২৩ সালে এই অংকটা ছিল মাত্র ১ কোটি ৭৭ লাখ সুইস ফ্রাঁ। দুই বছরে এই উল্লম্ফন চুরির মহড়া ছাড়া আর কী!

২০২৬ সালের জুনে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন জাগে, দেশ চালাচ্ছে কারা? যে বিএনপি-জামাত জোট ২০০১-০৬ মেয়াদে দুর্নীতির মহোৎসব বানিয়েছিল, তারা আবার ক্ষমতায় বসে চোখ বুজে আছে। তারা কি চায় না আমরা জানি এই টাকা কার? নাকি চেনা মুখগুলোই আবার সরব হয়েছে?

পাকিস্তান আর ভারতের আমানত কমলেও বাংলাদেশ কেন উল্টো পথে হাঁটছে, তার জবাব এই সরকার দেবে না। কারণ জবাব দিতে গেলে নিজেদের দিকেও আঙুল তুলতে হবে। শুধু সংখ্যা দেখিয়ে জনগণকে বোকা বানানোর দিন শেষ। ১২ হাজার কোটি টাকা দেশের ব্যাংকিং চ্যানেলে এলে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াত, কিন্তু সেটা তো হতে দেওয়া যাবে না। পাচারকারীদের সুরক্ষা দিতেই তো এত আয়োজন। বিএনপি-জামাতের এই নীরবতা তাদের পুরনো চরিত্রকেই ফাঁস করছে বারবার।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ