‘ইউনুসকে বাঁচাও’ মিশনে নামা বিএনপি-জামাতের হাতে প্রতিদিন ঝরছে শিশুদের প্রাণ

বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব এখন মহামারির চেহারা নিয়েছে। ৫০০ পেরিয়ে গেছে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা। শুধু গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ হারিয়েছে ১২ শিশু। অথচ এই মৃত্যুর জন্য দায়ী ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ক্ষমতার পালাবদলের খেলায় নির্লিপ্ত, নির্দোষ। দেশের মানুষ প্রশ্ন করছে, এই হত্যাযজ্ঞের দায় কার?

ইতিহাসের দিকে তাকান। ২০২৪ সালের জুলাই মাস। বিদেশি অর্থায়ন, ইসলামি জঙ্গি সংগঠনের অন্ধ সমর্থন আর সামরিক বাহিনীর একাংশের যোগসাজশে দেশব্যাপী নাশকতা করে বৈধ সরকারকে উৎখাত করা হয়। ক্ষমতার মসনদে বসে সুদী মহাজন ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অবৈধ অ-সরকার।

ক্ষমতায় বসেই তারা বন্ধ করে দেয় ইপিআই প্রোগ্রাম, যে কর্মসূচির আওতায় টিকা দিয়ে হামের মতো রোগ প্রতিরোধ করা হতো। ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রধান রানা ফ্লাওয়ার্স বারবার অনুরোধ করেও মানাতে পারেননি ইউনুস গংকে। শিশুদের জীবনের চেয়ে বড় হয়ে ওঠে তাদের গোঁয়ার্তুমি।

অথচ আজ তারা কেউ ক্ষমতায় নেই। ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে দেশের শাসনভার এখন বিএনপির হাতে। কিন্তু কী অদ্ভুত মিল! ইউনুসের ফেলে যাওয়া সেই ধ্বংসাত্মক নীতিই জারি রেখেছে সেনানিবাসের আঁতুড়ঘর থেকে ওঠা এই দল। টিকা কার্যক্রম ফেরানো হয়নি। শিশুরা বাঁচার অধিকার পায়নি। শুধু তাই নয়, ইউনুসের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ তো দূরের কথা, বিএনপি-জামাত জোট যেন তার দায়মুক্তির প্রশ্রয়দাতায় পরিণত হয়েছে। ইউনুসকে ক্লিনচিট দিতে কী না করছে এই গোষ্ঠী?

ফলাফল ভয়াবহ। ৬২ হাজার ছাড়িয়েছে সন্দেহজনক হাম রোগী। নিশ্চিত আক্রান্ত সাড়ে ৮ হাজারের বেশি। হাসপাতালগুলোতে শয্যা ফুরিয়ে আসছে। অথচ দায় কার? বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সফলতম সরকার আওয়ামী লীগের আমলে গড়ে তোলা ইপিআই নেটওয়ার্ক ধ্বংস করা হয়েছিল, আর এখনকার সরকার সেই ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে।

এটা কোনো রোগের প্রাদুর্ভাব নয়, এটা এক পরিকল্পিত শিশুহত্যা। আর দায়ী ব্যক্তিরা নিজেদের আড়াল করতে রাজনীতির অন্তরালে সাঁটানো ইতিহাস বদলের প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত।

বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব এখন মহামারির চেহারা নিয়েছে। ৫০০ পেরিয়ে গেছে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা। শুধু গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ হারিয়েছে ১২ শিশু। অথচ এই মৃত্যুর জন্য দায়ী ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ক্ষমতার পালাবদলের খেলায় নির্লিপ্ত, নির্দোষ। দেশের মানুষ প্রশ্ন করছে, এই হত্যাযজ্ঞের দায় কার?

ইতিহাসের দিকে তাকান। ২০২৪ সালের জুলাই মাস। বিদেশি অর্থায়ন, ইসলামি জঙ্গি সংগঠনের অন্ধ সমর্থন আর সামরিক বাহিনীর একাংশের যোগসাজশে দেশব্যাপী নাশকতা করে বৈধ সরকারকে উৎখাত করা হয়। ক্ষমতার মসনদে বসে সুদী মহাজন ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অবৈধ অ-সরকার।

ক্ষমতায় বসেই তারা বন্ধ করে দেয় ইপিআই প্রোগ্রাম, যে কর্মসূচির আওতায় টিকা দিয়ে হামের মতো রোগ প্রতিরোধ করা হতো। ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রধান রানা ফ্লাওয়ার্স বারবার অনুরোধ করেও মানাতে পারেননি ইউনুস গংকে। শিশুদের জীবনের চেয়ে বড় হয়ে ওঠে তাদের গোঁয়ার্তুমি।

অথচ আজ তারা কেউ ক্ষমতায় নেই। ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে দেশের শাসনভার এখন বিএনপির হাতে। কিন্তু কী অদ্ভুত মিল! ইউনুসের ফেলে যাওয়া সেই ধ্বংসাত্মক নীতিই জারি রেখেছে সেনানিবাসের আঁতুড়ঘর থেকে ওঠা এই দল। টিকা কার্যক্রম ফেরানো হয়নি। শিশুরা বাঁচার অধিকার পায়নি। শুধু তাই নয়, ইউনুসের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ তো দূরের কথা, বিএনপি-জামাত জোট যেন তার দায়মুক্তির প্রশ্রয়দাতায় পরিণত হয়েছে। ইউনুসকে ক্লিনচিট দিতে কী না করছে এই গোষ্ঠী?

ফলাফল ভয়াবহ। ৬২ হাজার ছাড়িয়েছে সন্দেহজনক হাম রোগী। নিশ্চিত আক্রান্ত সাড়ে ৮ হাজারের বেশি। হাসপাতালগুলোতে শয্যা ফুরিয়ে আসছে। অথচ দায় কার? বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সফলতম সরকার আওয়ামী লীগের আমলে গড়ে তোলা ইপিআই নেটওয়ার্ক ধ্বংস করা হয়েছিল, আর এখনকার সরকার সেই ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে।

এটা কোনো রোগের প্রাদুর্ভাব নয়, এটা এক পরিকল্পিত শিশুহত্যা। আর দায়ী ব্যক্তিরা নিজেদের আড়াল করতে রাজনীতির অন্তরালে সাঁটানো ইতিহাস বদলের প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ