ইতিহাসের নির্মম সত্য বারবার প্রমাণিত হচ্ছে—‘বিএনপি-জামায়াত যখনই ক্ষমতায় আসে বা প্রভাব বিস্তার করে, এদেশের সাধারণ মানুষের কপালে জোটে কেবল নিরাপত্তাহীনতা, ভয়, আতঙ্ক, গুম ও খুনের মহোৎসব।
এর নিকৃষ্টতম প্রমাণ মিলল বরগুনা জেলা পরিষদের সরকারি ডাকবাংলোর ঘটনায়। যেখানে কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত সরকারি ভবনের ভেতর থেকে মা ইতি রানী (৩৪) এবং তাঁর দুই মেয়ে আরাধ্যা বিশ্বাস (১২) এর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা কোনো সাধারণ আত্মহত্যা নয়; এটি একটি সুপরিকল্পিত ও পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড পুলিশ প্রশাসন ও এনজিওর ঋণের নাটক সাজিয়ে এই নৃশংস খুনের ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে।
আজ বাংলাদেশ এক জীবন্ত মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। এই ব্যর্থ ও জনবিচ্ছিন্ন বিএনপি-জামায়াত আমলের অরাজকতায় দেশের কোথাও আজ সাধারণ মানুষের জীবনের ন্যূনতম নিরাপত্তা নেই। একদিকে সিন্ডিকেটের চক্রান্তে মানুষের বেঁচে থাকা দায়, অন্যদিকে একের পর এক টার্গেটেড কিলিং ও ঘরে-বাইরে লাশ ফেলার উৎসবে মত্ত এই উগ্রবাদী চক্র।
যে রাষ্ট্রে সরকারি সুরক্ষিত ডাকবাংলোর ভেতরে মা ও শিশুকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, সেটিকে কোনো সভ্য সমাজ বলা চলে না। এটি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা এবং বিএনপি-জামায়াত পন্থী সন্ত্রাসীদের মদদপুষ্ট অরাজকতারই প্রত্যক্ষ ফল।

