৫.৮৪ বিলিয়ন ডলার গুনতে পারে, কেবল দুটো নাম মেলাতে পারে না বিএনপি সরকার!

২০২৫-২৬ অর্থবছরে সৌদি আরব থেকে এসেছে ৫.৮৪ বিলিয়ন ডলার, আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৩৭% বেশি। রেমিট্যান্সের এই সবচেয়ে বড় উৎসদেশে ১৪ অক্টোবর মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলো, আর বিএনপি সরকার ঘটনাটা জানল সংবাদমাধ্যম থেকে!

এর স্বপক্ষে সাফাই শুনলে মাথা খারাপ হওয়ার জোগাড় হয়! দূতাবাসের “মহামান্য” কর্মকর্তারা বলছেন, সৌদির দেওয়া বন্দি তালিকায় দুজনের নাম ছিল, কিন্তু মৃত্যুদণ্ডের তথ্য ছিল না, তাই নাম মেলানো যায়নি। আর কেউ নাকি কনস্যুলার সহায়তাও চায়নি। অর্থাৎ তালিকা হাতে ছিল, দুজন লম্বা সময় ধরে জেলেও ছিলেন, তবু কেউ খোঁজ নেননি এঁরা কারা, কী মামলা, উকিল আছে কি না। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের তিন দিন পরও জেদ্দার কনস্যুলেট তাঁদের পরিচয় ও নাগরিকত্ব নিশ্চিত করতে পারেনি!

আবেদনের শর্তটাও অদ্ভুত। সৌদির জেলে বসে একজন শ্রমিক কার কাছে আবেদন করবেন? কনস্যুলার কাজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের, শ্রমকল্যাণ উইং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের, আইনি সহায়তা আইন মন্ত্রণালয়ের। কোন বন্দি সহায়তা পাবেন, তা কে ঠিক করবে, এই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর কারও কাছে নেই। মিশনের নিজের চিঠিই বলছে, সৌদিতে চারিত্রিক মামলায় আটক আছেন ৩০৬ জন বাংলাদেশি। সংখ্যাটা জানা আছে কেবল, প্রতিজনের মামলার অবস্থা সেটা জানে না বিএনপি সরকার!

মন্ত্রীদের প্রতিক্রিয়াও অতি চমৎকার! পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য, ঘটনাটা “আমাদের জন্য শিক্ষা”, প্রবাসীরা যেন সৌদির আইন মেনে চলেন। ক্ষতিপূরণের সুযোগ আছে কি না জানতে চাইলে আরেকজন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, রায় কার্যকর হয়ে গেছে, সুযোগ আর নেই!

তাহলে গাধার দল, তোদের কাজ কি জনগনের ট্যাক্সের টাকায় ফুটানি করা বাদে? এটার জবাব দে আগে!

যে দেশ থেকে বছরে প্রায় ছয় বিলিয়ন ডলার আসে, সেখানে নাগরিকের প্রাণ নিয়ে সরকার প্রথম চিঠি পাঠাল মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরদিন! কি পরিমাণ নাগরিকবান্ধব বিএনপি সরকার, ভাবা যায়?!

২০২৫-২৬ অর্থবছরে সৌদি আরব থেকে এসেছে ৫.৮৪ বিলিয়ন ডলার, আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৩৭% বেশি। রেমিট্যান্সের এই সবচেয়ে বড় উৎসদেশে ১৪ অক্টোবর মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলো, আর বিএনপি সরকার ঘটনাটা জানল সংবাদমাধ্যম থেকে!

এর স্বপক্ষে সাফাই শুনলে মাথা খারাপ হওয়ার জোগাড় হয়! দূতাবাসের “মহামান্য” কর্মকর্তারা বলছেন, সৌদির দেওয়া বন্দি তালিকায় দুজনের নাম ছিল, কিন্তু মৃত্যুদণ্ডের তথ্য ছিল না, তাই নাম মেলানো যায়নি। আর কেউ নাকি কনস্যুলার সহায়তাও চায়নি। অর্থাৎ তালিকা হাতে ছিল, দুজন লম্বা সময় ধরে জেলেও ছিলেন, তবু কেউ খোঁজ নেননি এঁরা কারা, কী মামলা, উকিল আছে কি না। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের তিন দিন পরও জেদ্দার কনস্যুলেট তাঁদের পরিচয় ও নাগরিকত্ব নিশ্চিত করতে পারেনি!

আবেদনের শর্তটাও অদ্ভুত। সৌদির জেলে বসে একজন শ্রমিক কার কাছে আবেদন করবেন? কনস্যুলার কাজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের, শ্রমকল্যাণ উইং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের, আইনি সহায়তা আইন মন্ত্রণালয়ের। কোন বন্দি সহায়তা পাবেন, তা কে ঠিক করবে, এই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর কারও কাছে নেই। মিশনের নিজের চিঠিই বলছে, সৌদিতে চারিত্রিক মামলায় আটক আছেন ৩০৬ জন বাংলাদেশি। সংখ্যাটা জানা আছে কেবল, প্রতিজনের মামলার অবস্থা সেটা জানে না বিএনপি সরকার!

মন্ত্রীদের প্রতিক্রিয়াও অতি চমৎকার! পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য, ঘটনাটা “আমাদের জন্য শিক্ষা”, প্রবাসীরা যেন সৌদির আইন মেনে চলেন। ক্ষতিপূরণের সুযোগ আছে কি না জানতে চাইলে আরেকজন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, রায় কার্যকর হয়ে গেছে, সুযোগ আর নেই!

তাহলে গাধার দল, তোদের কাজ কি জনগনের ট্যাক্সের টাকায় ফুটানি করা বাদে? এটার জবাব দে আগে!

যে দেশ থেকে বছরে প্রায় ছয় বিলিয়ন ডলার আসে, সেখানে নাগরিকের প্রাণ নিয়ে সরকার প্রথম চিঠি পাঠাল মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরদিন! কি পরিমাণ নাগরিকবান্ধব বিএনপি সরকার, ভাবা যায়?!

আরো পড়ুন

সর্বশেষ