ময়মনসিংহে দীপু চন্দ্র দাসকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারলো, রাজবাড়ীতে কবর থেকে নুরা পাগলার লাশ তুলে জ্বালালো, সাতক্ষীরায় ধর্ম-অবমাননার অভিযোগে শামীমকে পিটিয়ে মারলো। এই তিনটা হত্যা যাদের কাছে অবিচার না, তাদের কাছে অবিচার তাহলে কোনটা?
মাদ্রাসাগুলোতে প্রতি মাসে গড়ে ৪৫ জনের বেশি ছাত্র ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। এটা প্রকাশিত সংখ্যা। প্রকাশ না পাওয়া সংখ্যাটা কত, সেটা ভাবলেও গা শিউরে ওঠে। অথচ এই অপরাধের বিরুদ্ধে একটা কথা বললেই নাস্তিক, মুরতাদের তকমা পড়ে। বলাৎকারী মোল্লার গালে চড় পড়লেই সদলবলে প্রতিরোধে নেমে পড়ে তৌহিদি জনতা আর পায়ুসৈনিকেরা। তখন আর ধর্ম কম বা বেশি বোঝার আলাপ আসে না! এদের অপরাধের ফিরিস্তি দিতে গেলে কয়েক কোটি পৃষ্ঠা লাগবে। নুনুভূতিতে আঘাতের নাম দিয়ে ধর্মীয় দাঙ্গা, মতের বিরুদ্ধে গেলেই নাস্তিক আখ্যা দিয়ে হত্যা, শিশুদের বলাৎকার – কোনটা বাদ রেখেছে তারা?
নারায়ে তাকবির এখন এক ভীতির স্লোগান। চব্বিশের জুলাই-আগস্টের দাঙ্গায় এই স্লোগান দিয়েই পুলিশদের ঝুলিয়ে পিটিয়ে মারা হয়েছে। এই স্লোগানকে ভীতিকর পর্যায়ে নিয়ে গেছে কারা, সেটা কারো অজানা নেই। এরা নিজেদেরকে খোদার পরের কেউ ভেবে থাকে, কিন্তু কাজেকর্মে শয়তানের অনুসারী। সমাজে যে ভয় ও সম্মানের আসন ছিল তাদের, নিজেদের কর্মদোষ আর দ্বিচারিতায় সেটা নষ্ট করেছে এই মোল্লারাই।
আর রাষ্ট্র বিচারের বদলে এইসব ইসলামিক হুলিগানদের পেছন বাঁচাচ্ছে! ফলাফল, ভুক্তভোগী নাগরিকেরা নিজেরের নিরাপত্তার জন্যই মোল্লা নির্মূলে নেমেছে। যেখানেই মোল্লাদের অনাচার সেখানেই প্রতিরোধ। সাম্প্রতিকতম উদাহরণ হিসেবে টঙ্গীর ঘটনা তো আমাদের চোখের সামনেই আছে।

