শিশুদের শেখ হাসিনা: এক মমতাময়ী অভিভাবকের গল্প

রৌদ্র রুদ্র
শিশুরাই জাতির প্রাণশক্তি, আগামী দিনের পথচলা এবং দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ। এই সত্যকে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা কথার কথা হিসেবে নয়, বুকের গভীর ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। রাষ্ট্র পরিচালনার শত ব্যস্ততার মাঝেও শিশুদের জন্য তাঁর অন্তরে ছিল মায়ের মতো স্নেহের এক নিভৃত ঠাঁই। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘ছাড়পত্র’ কবিতার পঙ্‌ক্তিগুলো যেন তাঁর কাজের মধ্য দিয়েই প্রাণ পেয়েছিল:

“যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ
প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল,
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য ক’রে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।”

শিশুদের মুখে হাসি দেখার আকুতি এবং ভীতিহীন শৈশব উপহার দেওয়ার তাগিদ তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপে নীরব মমতায় ফুটে উঠেছে। সেই মমতারই গল্প এই লেখা।

▪️ আলোর পথে নবযাত্রা

১ জানুয়ারির কুয়াশাভেজা সকালে নতুন বই বুকে চেপে স্কুলের পথে ছুটছে এক ছোট্ট মেয়ে। বইয়ের নতুন ঘ্রাণে তার চোখে আনন্দের ঝিলিক, ঠোঁটে অকারণ হাসি। প্রতি ১ জানুয়ারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের প্রতিটি শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে এমন নতুন বই পৌঁছে যেত, ফলে ঝরে পড়ার হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

দুই স্তরেই চালু হয় উপবৃত্তি এবং পুষ্টিকর খাবার ও বিস্কুট বিতরণের মিড-ডে মিল। ডিজিটাল শিক্ষার ভিত গড়তে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্থাপিত হয় কম্পিউটার ল্যাব ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম। ওই ছোট্ট মেয়েটির মতো প্রতিটি শিশু যেন জানে, জননেত্রী শেখ হাসিনার রাষ্ট্র তাকে মনে রেখেছে।

▪️ আইনের ছায়ায় শৈশব

শিশুর অধিকার অনুকম্পা নয়, রাষ্ট্রের দায়। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সরকার তাই প্রণয়ন করে জাতীয় শিশুনীতি ও শিশু আইন, ২০১৩। লাখো কন্যাসন্তানের স্বপ্ন অকালে ঝরে যাওয়া থেকে বাঁচাতে কার্যকর হয় বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭, আর ঝুঁকিপূর্ণ শ্রম থেকে মুক্ত করে ছোট্ট হাতে তুলে দেওয়া হয় খাতা-কলম।

যে মেয়েটি আজ বই বুকে স্কুলে যাচ্ছে, আইন তাকে অকাল বিয়ের বন্ধন থেকে বাঁচিয়ে শ্রেণিকক্ষে ধরে রেখেছে। আইনের এই ছায়া যেন মায়ের আঁচল।

▪️ সুস্থ শরীর, কেউ যেন পেছনে না থাকে

টিকাদানে বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃত; বিনামূল্যে টিকার মাধ্যমে হাম, পোলিও ও ধনুষ্টংকারের মতো রোগ প্রায় নির্মূল হয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র সেবা পৌঁছে দিয়েছে মানুষের দোরগোড়ায়, আর ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন দূর করেছে পুষ্টিহীনতা।
মায়ের কোলের ছোট্ট শিশুটির সুস্থতা ছিল দেশরত্ন শেখ হাসিনার নীরব, অথচ গভীর দায়িত্ব।

সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের উদ্যোগে অটিস্টিক ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের মূলধারায় ফেরাতে এবং সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে দেশব্যাপী কার্যক্রম, বিশেষায়িত কেন্দ্র ও সুরক্ষাবলয় গড়ে ওঠে। অবহেলিত পথশিশুদের পুনর্বাসন, শিক্ষা ও বাসস্থানের জন্য চালু হয় শেল্টার হোম ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।
একজন মায়ের কাছে যেমন কোনো সন্তান পর নয়, জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছেও কোনো শিশুই পর ছিল না।

▪️ মনের আকাশে রং

বাংলাদেশ শিশু একাডেমির কার্যক্রম দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে; জাতীয় পর্যায়ে লেখালেখি, ছবি আঁকা, গান ও অভিনয়ে প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি হয়। প্রতিযোগিতা ও শিশুতোষ প্রকাশনার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালি সংস্কৃতির সঠিক ইতিহাস পৌঁছে যায় শিশুদের মননে। শিশুর মনের আকাশে রং ছড়িয়ে দেওয়া ছিল বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার গভীর স্বপ্ন।

▪️ অন্তরের টান

শিশুদের সান্নিধ্যেই প্রকাশ পেত তাঁর সবচেয়ে সুন্দর দিক। উৎসবে তিনি শিশুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করতেন, গণভবনের দরজা তাদের জন্য খোলা রাখতেন, কোনো শিশুর দুর্দশার কথা শুনলে ব্যাকুল হয়ে সাহায্যের হাত বাড়াতেন।

শিশুর মাথায় হাত রাখার সেই স্নেহমাখা স্পর্শে ফুটে উঠত এক মায়ের নীরব আশীর্বাদ। তাঁর নিজের কথায়:

“এদেশের শিশু যেন আগামী দিনে আমাদের মতো স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে বাঁচতে না হয়, তারা যেন সুন্দর জীবন পায়, উন্নত জীবন পায়।”

এ ছিল সহজাত মাতৃহৃদয়ের প্রকাশ, কোনো রাজনৈতিক কৌশল নয়। শিশুরা তাঁকে সরকার প্রধান নয়, আপন অভিভাবক ও নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে দেখত।

▪️ আজকের বাস্তবতা: হারিয়ে যাওয়া হাসি

মমতার সেই অধ্যায়ের বিপরীতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রযন্ত্রের ছন্দপতন ও আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে নিষ্পাপ শিশুরা আজ সবচেয়ে অরক্ষিত।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্যমতে, ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনসহ নানা ঘটনায় ১৫৫ শিশুপ্রাণ ঝরেছে; অন্তত ২৬ জনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে, আর নিখোঁজের পর ৩৬ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্যমতে, জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হয়েছিল, এখনো ২ হাজার ৩৮ জন ঘরে ফেরেনি।

যে হামকে টিকার মাধ্যমে প্রায় নির্মূল করা হয়েছিল, সেই হামের প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত মৃত্যু ১২০০ ছাড়িয়েছে।

যে শিশুদের হাসির জন্য এক মমতাময়ী অভিভাবক নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন, তাদের পৃথিবী আজ শূন্যতা ও আর্তনাদে ভরা। কুয়াশাভেজা সকালে বই বুকে ছুটে চলা সেই মেয়েটি কি আজ নিরাপদে স্কুলে যেতে পারছে?

▪️ আকুল অপেক্ষা

একটি শিশুর হাসিতে লুকিয়ে থাকে পৃথিবীর শান্তি আর সম্ভাবনার আলো। দেশরত্ন শেখ হাসিনা শিশুদের সেই হাসি ও সম্ভাবনাকে রক্ষা করাকেই জীবনের ব্রত করেছিলেন, তিনি ছিলেন দেশের শিশুদের এক মমতাময়ী অভিভাবক।

আজ অবৈধ বিএনপি সরকারের সময়ে শিশু নিরাপত্তার ভয়াবহ পরিস্থিতিতে মানুষ আকুল হয়ে অপেক্ষা করছে সেই মমতাময়ী জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য, যাঁর কাছে শিশুরা ছিল নিরাপদ।

নীতি, আইন আর গভীর ভালোবাসার যে ভিত তিনি গড়ে গেছেন, তা কেবল রাজনৈতিক অর্জন নয়, এক মায়ের চিরন্তন আকুলতা। শিশুদের নিরাপদ শৈশব প্রতিষ্ঠায় তাঁর এই আলোকোজ্জ্বল প্রয়াস চিরদিন অম্লান থাকবে।

লেখা: রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

রৌদ্র রুদ্র
শিশুরাই জাতির প্রাণশক্তি, আগামী দিনের পথচলা এবং দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ। এই সত্যকে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা কথার কথা হিসেবে নয়, বুকের গভীর ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। রাষ্ট্র পরিচালনার শত ব্যস্ততার মাঝেও শিশুদের জন্য তাঁর অন্তরে ছিল মায়ের মতো স্নেহের এক নিভৃত ঠাঁই। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘ছাড়পত্র’ কবিতার পঙ্‌ক্তিগুলো যেন তাঁর কাজের মধ্য দিয়েই প্রাণ পেয়েছিল:

“যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ
প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল,
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য ক’রে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।”

শিশুদের মুখে হাসি দেখার আকুতি এবং ভীতিহীন শৈশব উপহার দেওয়ার তাগিদ তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপে নীরব মমতায় ফুটে উঠেছে। সেই মমতারই গল্প এই লেখা।

▪️ আলোর পথে নবযাত্রা

১ জানুয়ারির কুয়াশাভেজা সকালে নতুন বই বুকে চেপে স্কুলের পথে ছুটছে এক ছোট্ট মেয়ে। বইয়ের নতুন ঘ্রাণে তার চোখে আনন্দের ঝিলিক, ঠোঁটে অকারণ হাসি। প্রতি ১ জানুয়ারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের প্রতিটি শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে এমন নতুন বই পৌঁছে যেত, ফলে ঝরে পড়ার হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

দুই স্তরেই চালু হয় উপবৃত্তি এবং পুষ্টিকর খাবার ও বিস্কুট বিতরণের মিড-ডে মিল। ডিজিটাল শিক্ষার ভিত গড়তে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্থাপিত হয় কম্পিউটার ল্যাব ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম। ওই ছোট্ট মেয়েটির মতো প্রতিটি শিশু যেন জানে, জননেত্রী শেখ হাসিনার রাষ্ট্র তাকে মনে রেখেছে।

▪️ আইনের ছায়ায় শৈশব

শিশুর অধিকার অনুকম্পা নয়, রাষ্ট্রের দায়। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সরকার তাই প্রণয়ন করে জাতীয় শিশুনীতি ও শিশু আইন, ২০১৩। লাখো কন্যাসন্তানের স্বপ্ন অকালে ঝরে যাওয়া থেকে বাঁচাতে কার্যকর হয় বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭, আর ঝুঁকিপূর্ণ শ্রম থেকে মুক্ত করে ছোট্ট হাতে তুলে দেওয়া হয় খাতা-কলম।

যে মেয়েটি আজ বই বুকে স্কুলে যাচ্ছে, আইন তাকে অকাল বিয়ের বন্ধন থেকে বাঁচিয়ে শ্রেণিকক্ষে ধরে রেখেছে। আইনের এই ছায়া যেন মায়ের আঁচল।

▪️ সুস্থ শরীর, কেউ যেন পেছনে না থাকে

টিকাদানে বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃত; বিনামূল্যে টিকার মাধ্যমে হাম, পোলিও ও ধনুষ্টংকারের মতো রোগ প্রায় নির্মূল হয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র সেবা পৌঁছে দিয়েছে মানুষের দোরগোড়ায়, আর ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন দূর করেছে পুষ্টিহীনতা।
মায়ের কোলের ছোট্ট শিশুটির সুস্থতা ছিল দেশরত্ন শেখ হাসিনার নীরব, অথচ গভীর দায়িত্ব।

সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের উদ্যোগে অটিস্টিক ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের মূলধারায় ফেরাতে এবং সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে দেশব্যাপী কার্যক্রম, বিশেষায়িত কেন্দ্র ও সুরক্ষাবলয় গড়ে ওঠে। অবহেলিত পথশিশুদের পুনর্বাসন, শিক্ষা ও বাসস্থানের জন্য চালু হয় শেল্টার হোম ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।
একজন মায়ের কাছে যেমন কোনো সন্তান পর নয়, জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছেও কোনো শিশুই পর ছিল না।

▪️ মনের আকাশে রং

বাংলাদেশ শিশু একাডেমির কার্যক্রম দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে; জাতীয় পর্যায়ে লেখালেখি, ছবি আঁকা, গান ও অভিনয়ে প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি হয়। প্রতিযোগিতা ও শিশুতোষ প্রকাশনার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ ও বাঙালি সংস্কৃতির সঠিক ইতিহাস পৌঁছে যায় শিশুদের মননে। শিশুর মনের আকাশে রং ছড়িয়ে দেওয়া ছিল বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার গভীর স্বপ্ন।

▪️ অন্তরের টান

শিশুদের সান্নিধ্যেই প্রকাশ পেত তাঁর সবচেয়ে সুন্দর দিক। উৎসবে তিনি শিশুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করতেন, গণভবনের দরজা তাদের জন্য খোলা রাখতেন, কোনো শিশুর দুর্দশার কথা শুনলে ব্যাকুল হয়ে সাহায্যের হাত বাড়াতেন।

শিশুর মাথায় হাত রাখার সেই স্নেহমাখা স্পর্শে ফুটে উঠত এক মায়ের নীরব আশীর্বাদ। তাঁর নিজের কথায়:

“এদেশের শিশু যেন আগামী দিনে আমাদের মতো স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে বাঁচতে না হয়, তারা যেন সুন্দর জীবন পায়, উন্নত জীবন পায়।”

এ ছিল সহজাত মাতৃহৃদয়ের প্রকাশ, কোনো রাজনৈতিক কৌশল নয়। শিশুরা তাঁকে সরকার প্রধান নয়, আপন অভিভাবক ও নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে দেখত।

▪️ আজকের বাস্তবতা: হারিয়ে যাওয়া হাসি

মমতার সেই অধ্যায়ের বিপরীতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রযন্ত্রের ছন্দপতন ও আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে নিষ্পাপ শিশুরা আজ সবচেয়ে অরক্ষিত।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্যমতে, ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনসহ নানা ঘটনায় ১৫৫ শিশুপ্রাণ ঝরেছে; অন্তত ২৬ জনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে, আর নিখোঁজের পর ৩৬ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্যমতে, জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হয়েছিল, এখনো ২ হাজার ৩৮ জন ঘরে ফেরেনি।

যে হামকে টিকার মাধ্যমে প্রায় নির্মূল করা হয়েছিল, সেই হামের প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত মৃত্যু ১২০০ ছাড়িয়েছে।

যে শিশুদের হাসির জন্য এক মমতাময়ী অভিভাবক নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন, তাদের পৃথিবী আজ শূন্যতা ও আর্তনাদে ভরা। কুয়াশাভেজা সকালে বই বুকে ছুটে চলা সেই মেয়েটি কি আজ নিরাপদে স্কুলে যেতে পারছে?

▪️ আকুল অপেক্ষা

একটি শিশুর হাসিতে লুকিয়ে থাকে পৃথিবীর শান্তি আর সম্ভাবনার আলো। দেশরত্ন শেখ হাসিনা শিশুদের সেই হাসি ও সম্ভাবনাকে রক্ষা করাকেই জীবনের ব্রত করেছিলেন, তিনি ছিলেন দেশের শিশুদের এক মমতাময়ী অভিভাবক।

আজ অবৈধ বিএনপি সরকারের সময়ে শিশু নিরাপত্তার ভয়াবহ পরিস্থিতিতে মানুষ আকুল হয়ে অপেক্ষা করছে সেই মমতাময়ী জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য, যাঁর কাছে শিশুরা ছিল নিরাপদ।

নীতি, আইন আর গভীর ভালোবাসার যে ভিত তিনি গড়ে গেছেন, তা কেবল রাজনৈতিক অর্জন নয়, এক মায়ের চিরন্তন আকুলতা। শিশুদের নিরাপদ শৈশব প্রতিষ্ঠায় তাঁর এই আলোকোজ্জ্বল প্রয়াস চিরদিন অম্লান থাকবে।

লেখা: রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ