ইউনূসের অপশাসন থেকে বিএনপি জোটের বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকটে দেউলিয়া বাংলাদেশের অর্থনীতি

স্বাধীনতার পর থেকে গড়ে ওঠা বাংলাদেশের শিল্প ভিত্তি ও রপ্তানি খাতকে গত দুই বছরে সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের পরবর্তী সময়ে ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও শিল্প খাত আজ এক অভূতপূর্ব মহাসংকটের মুখোমুখি।

ক্ষমতায় এসেই ক্ষমতা দখলকারী শিশু হত্যাকারী ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতকে অরক্ষিত অবস্থায় ফেলে রেখেছিল। অস্থিতিশীলতা, রাজনৈতিক সহিংসতা ও আইন-শৃঙ্খলার অবনতিকে উস্কে দিয়ে একের পর এক রপ্তানিমুখী কারখানা বন্ধ হতে দেওয়া হয়েছে। কেবল নারায়ণগঞ্জেই শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের তথ্যমতে ১১০টিরও বেশি কারখানা বন্ধ হয়ে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার শ্রমিক-কর্মচারীকে রাতারাতি রাস্তায় বসিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ইউনুস রাজনৈতিক প্রতিহিংসা মেটাতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গাজী টায়ার্স ও গাজী পাইপ-ডোর কারখানার মতো দেশের অন্যতম বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোতে একের পর এক ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালানো হয়েছে। এতে ১৮২ (ইউনুসের প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, বাস্তবে এটা ৫০০ শতাধিক প্রায়) জনের প্রাণহানির পাশাপাশি ধ্বংস হয়ে গেছে কোটি কোটি টাকার জাতীয় সম্পদ, কর্মহীন হয়েছেন প্রায় সাত হাজার শ্রমিক। এভাবে মব সহিংসতাকে আশকারা দিয়ে বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস পুরোপুরি ধূলিসাৎ করে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে একটা অবৈধ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় এসে, বিএনপি সরকারের নীতিগত ব্যর্থতা ও তদারকহীনতার কারণে দেশে শুরু হয়েছে চরম তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট। বিকেএমইএ-এর তথ্যমতে, তীব্র গ্যাস সংকটে উৎপাদন থমকে গিয়ে দেশের প্রায় ৩০০ কারখানা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে রপ্তানি আয় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দেশ হারিয়েছে প্রায় দুই বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক মুদ্রা।

ইউনূস প্রশাসন যে ধ্বংসস্তূপ রেখে গিয়েছিল, তারেক রহমানের আমল এসে তাতে শেষ পেরেকটি ঠুকে দিয়েছে। দেশে তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকট তৈরি করে শিল্পকারখানার চাকা স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছে। 

একদিকে ইউনূস আমলের রাষ্ট্রীয় উদাসীনতায় আইনশৃঙ্খলা বিনষ্ট, অন্যদিকে বর্তমান তারেক প্রশাসনের নীতিগত ব্যর্থতায় তীব্র জ্বালানি সংকট—এই দুইয়ের যাঁতাকলে পড়ে দেশের রপ্তানি খাত আজ ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ ধ্বসের মুখে। শ্রমিকদের রুটি-রুজি কেড়ে নিয়ে দেশজুড়ে এক নীরব দুর্ভিক্ষের আবহ তৈরি করা হচ্ছে।

৫ই আগস্ট ২০২৪-এর পর থেকে পরিকল্পিতভাবে একের পর এক শিল্পকারখানা ধ্বংস করে বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করা হচ্ছে! ইউনূস প্রশাসনের অপশাসন ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় দেশের পোশাক খাত যখন বন্ধের মুখে ঢলে পড়েছিল, ঠিক তখনই বিএনপি জোট সরকারের তৈরি চরম জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে এখন বেশির ভাগ কল কারখানা পুরোপুরি অচল! শ্রমিকদের পেটে লাথি মেরে এ কেমন ‘পরিবর্তন’?

স্বাধীনতার পর থেকে গড়ে ওঠা বাংলাদেশের শিল্প ভিত্তি ও রপ্তানি খাতকে গত দুই বছরে সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের পরবর্তী সময়ে ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও শিল্প খাত আজ এক অভূতপূর্ব মহাসংকটের মুখোমুখি।

ক্ষমতায় এসেই ক্ষমতা দখলকারী শিশু হত্যাকারী ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতকে অরক্ষিত অবস্থায় ফেলে রেখেছিল। অস্থিতিশীলতা, রাজনৈতিক সহিংসতা ও আইন-শৃঙ্খলার অবনতিকে উস্কে দিয়ে একের পর এক রপ্তানিমুখী কারখানা বন্ধ হতে দেওয়া হয়েছে। কেবল নারায়ণগঞ্জেই শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের তথ্যমতে ১১০টিরও বেশি কারখানা বন্ধ হয়ে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার শ্রমিক-কর্মচারীকে রাতারাতি রাস্তায় বসিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ইউনুস রাজনৈতিক প্রতিহিংসা মেটাতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গাজী টায়ার্স ও গাজী পাইপ-ডোর কারখানার মতো দেশের অন্যতম বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোতে একের পর এক ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালানো হয়েছে। এতে ১৮২ (ইউনুসের প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, বাস্তবে এটা ৫০০ শতাধিক প্রায়) জনের প্রাণহানির পাশাপাশি ধ্বংস হয়ে গেছে কোটি কোটি টাকার জাতীয় সম্পদ, কর্মহীন হয়েছেন প্রায় সাত হাজার শ্রমিক। এভাবে মব সহিংসতাকে আশকারা দিয়ে বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস পুরোপুরি ধূলিসাৎ করে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে একটা অবৈধ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় এসে, বিএনপি সরকারের নীতিগত ব্যর্থতা ও তদারকহীনতার কারণে দেশে শুরু হয়েছে চরম তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট। বিকেএমইএ-এর তথ্যমতে, তীব্র গ্যাস সংকটে উৎপাদন থমকে গিয়ে দেশের প্রায় ৩০০ কারখানা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে রপ্তানি আয় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দেশ হারিয়েছে প্রায় দুই বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক মুদ্রা।

ইউনূস প্রশাসন যে ধ্বংসস্তূপ রেখে গিয়েছিল, তারেক রহমানের আমল এসে তাতে শেষ পেরেকটি ঠুকে দিয়েছে। দেশে তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকট তৈরি করে শিল্পকারখানার চাকা স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছে। 

একদিকে ইউনূস আমলের রাষ্ট্রীয় উদাসীনতায় আইনশৃঙ্খলা বিনষ্ট, অন্যদিকে বর্তমান তারেক প্রশাসনের নীতিগত ব্যর্থতায় তীব্র জ্বালানি সংকট—এই দুইয়ের যাঁতাকলে পড়ে দেশের রপ্তানি খাত আজ ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ ধ্বসের মুখে। শ্রমিকদের রুটি-রুজি কেড়ে নিয়ে দেশজুড়ে এক নীরব দুর্ভিক্ষের আবহ তৈরি করা হচ্ছে।

৫ই আগস্ট ২০২৪-এর পর থেকে পরিকল্পিতভাবে একের পর এক শিল্পকারখানা ধ্বংস করে বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করা হচ্ছে! ইউনূস প্রশাসনের অপশাসন ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় দেশের পোশাক খাত যখন বন্ধের মুখে ঢলে পড়েছিল, ঠিক তখনই বিএনপি জোট সরকারের তৈরি চরম জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে এখন বেশির ভাগ কল কারখানা পুরোপুরি অচল! শ্রমিকদের পেটে লাথি মেরে এ কেমন ‘পরিবর্তন’?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ