বিএনপির সিন্ডিকেট সিন্ডিকেট খেলা: ২৯ কোম্পানির তালিকা, প্রতিযোগিতা নেই পাঁচটার বাইরে!

আরামকো ট্রেডিং স্বল্পমেয়াদি চুক্তিতে ১৮টা কার্গো দিতে রাজি হয়েছে মাত্র ৬ সেন্ট প্রিমিয়ামে, আর টোটাল এনার্জিস স্পট মার্কেটে একই মালের জন্য নিচ্ছে জেকেএম সূচকের চেয়ে ২ ডলার বেশি। এই একটা তুলনাই বলে দেয়, সরকার যে বলছে “উপায় ছিল না, বাজারের অবস্থা এমনই”, সেটা আসলে অজুহাত। দাম কমানোর রাস্তা খোলাই ছিল, শুধু সময়মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সদিচ্ছা ছিল না।

২৭ দশমিক ৫৪ ডলারে কার্গো কিনতে গিয়ে এক চালানেই ৯০ লাখ ডলার গচ্চা যাওয়ার পর মন্ত্রিসভা কমিটি যখন টনক নড়ে দুটো কার্গোর অনুমোদন আটকায়, ততক্ষণে ছয় মাসে ২৬৭ কোটি ৭১ লাখ ডলারের বিল হাতে চলে এসেছে। সিদ্ধান্তহীনতার দাম মেটাচ্ছে সাধারণ গ্রাহক, শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎ গ্রাহক, সবাই।

২৯টা তালিকাভুক্ত কোম্পানির মধ্যে মাত্র পাঁচটা টেন্ডারে অংশ নেয়, বাকিরা আসে না কারণ জেরার মতো কোম্পানিকেও বিল বকেয়া রেখে সময়মতো টাকা দেওয়া হয়নি। অর্থাৎ প্রতিযোগিতা কমে যাওয়ার পেছনে বাজারের দোষ যতটা, রাষ্ট্রের বিশ্বাসযোগ্যতা হারানোর দোষ তার চেয়ে কম না। এই বিশ্বাসঘাতকতার মাশুল এখন পুরো জাতি গুনছে প্রতি কার্গোতে।

বিএনপি বিশ বছর পর ক্ষমতায় ফিরেই জ্বালানি আর ব্যাংকিং খাতকে সিন্ডিকেটের হাতে তুলে দিয়েছে। ভুক্তভোগী জনগণের মুখে তাই শোনা যাচ্ছে, ” কি চমৎকার দেখা গেলো, তারেক ভাইয়া আইসাই সব খাইয়া দিলো!”

আরামকো ট্রেডিং স্বল্পমেয়াদি চুক্তিতে ১৮টা কার্গো দিতে রাজি হয়েছে মাত্র ৬ সেন্ট প্রিমিয়ামে, আর টোটাল এনার্জিস স্পট মার্কেটে একই মালের জন্য নিচ্ছে জেকেএম সূচকের চেয়ে ২ ডলার বেশি। এই একটা তুলনাই বলে দেয়, সরকার যে বলছে “উপায় ছিল না, বাজারের অবস্থা এমনই”, সেটা আসলে অজুহাত। দাম কমানোর রাস্তা খোলাই ছিল, শুধু সময়মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সদিচ্ছা ছিল না।

২৭ দশমিক ৫৪ ডলারে কার্গো কিনতে গিয়ে এক চালানেই ৯০ লাখ ডলার গচ্চা যাওয়ার পর মন্ত্রিসভা কমিটি যখন টনক নড়ে দুটো কার্গোর অনুমোদন আটকায়, ততক্ষণে ছয় মাসে ২৬৭ কোটি ৭১ লাখ ডলারের বিল হাতে চলে এসেছে। সিদ্ধান্তহীনতার দাম মেটাচ্ছে সাধারণ গ্রাহক, শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎ গ্রাহক, সবাই।

২৯টা তালিকাভুক্ত কোম্পানির মধ্যে মাত্র পাঁচটা টেন্ডারে অংশ নেয়, বাকিরা আসে না কারণ জেরার মতো কোম্পানিকেও বিল বকেয়া রেখে সময়মতো টাকা দেওয়া হয়নি। অর্থাৎ প্রতিযোগিতা কমে যাওয়ার পেছনে বাজারের দোষ যতটা, রাষ্ট্রের বিশ্বাসযোগ্যতা হারানোর দোষ তার চেয়ে কম না। এই বিশ্বাসঘাতকতার মাশুল এখন পুরো জাতি গুনছে প্রতি কার্গোতে।

বিএনপি বিশ বছর পর ক্ষমতায় ফিরেই জ্বালানি আর ব্যাংকিং খাতকে সিন্ডিকেটের হাতে তুলে দিয়েছে। ভুক্তভোগী জনগণের মুখে তাই শোনা যাচ্ছে, ” কি চমৎকার দেখা গেলো, তারেক ভাইয়া আইসাই সব খাইয়া দিলো!”

আরো পড়ুন

সর্বশেষ