জামাত-বিএনপির ক্যাডারদের দুধেল গাই এখন নিকাহ রেজিস্ট্রি

২০২৬ সালের জুলাই। দ্রব্যমূল্যের মূল্যস্ফীতি নামক চিতাবাঘের পিঠে চড়ে যখন সাধারণ মানুষ দিশেহারা, ঠিক তখনই চোখে পড়ল রাষ্ট্রীয় লুটপাটের আরেক নগ্ন চিত্র। কাজিদের আয় ১৪৪০ কোটি টাকা, অথচ সরকারি কোষাগারে জমা হয়নি এক ফোঁটাও। প্রশ্ন উঠছে, এই অর্থ কার পকেটে যাচ্ছে? আর এই সিন্ডিকেটের পেছনে অভিভাবক কারা?

মুসলিম নিকাহ নিবন্ধন এখন পুরোদস্তুর দলীয় ক্যাডারদের দুধেল গাই। নিয়োগ বাণিজ্য থেকে শুরু করে মাসোহারা, সব জায়গায় বিএনপির এমপি ও জামাতে ইসলামের স্থানীয় নেতাদের হাত। রাজধানীতে চল্লিশ লাখ টাকা ঘুষ ছাড়া কাজির লাইসেন্স মেলে না। অথচ এই ঘুষের টাকা সুপারিশকারী নেতার পকেটে যায়, সরকারি কোষাগারে নয়। কাজিরা বাধ্যতামূলকভাবে দেন দলীয় সমিতির চাঁদা, তবেই টিকে থাকা যায়।

নিয়ম বলছে, দেনমোহরে সরকারি কমিশন কাটতে হবে। কাটাও হয়। কিন্তু কোষাগারে জমা হয় না। এই ফাঁকি দেওয়া টাকা ঘুরে ফিরে যায় বিএনপি-জামাতের কর্মী থেকে নেতা হওয়া কাজিদের ব্যাংক ব্যালেন্সে। সরকারকে কর দেওয়া দূরে থাক, নিজেদের স্ত্রী-সন্তানের নামে ফ্ল্যাট-গাড়ি কিনে চলছে দেদার কালোটাকা সাদা করার মহোৎসব। অথচ আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নির্লজ্জের মতো বলছেন, “হিসাব রাখার দায়িত্ব আমাদের না।”

একটা সময় ছিল যখন দুর্নীতি নিয়ে মুখে ফেনা তুলতেন জামাত-বিএনপির নেতারা। আর এখন তারাই কিনা ৩০০ বাতিল হওয়া কাজির পক্ষে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে, সিন্ডিকেট বাঁচাতে জামিন করাচ্ছে। মাঠপর্যায়ে একেকটি রেজিস্ট্রেশন নম্বরের আড়ালে দলের চার-পাঁচজন ক্যাডার বসে নিকাহ রেজিস্ট্রি করে কোটি কোটি টাকা লুটছেন। তাদের কেউ আইন পড়েনি, শুধু দলের ঠিকাদারি মনোভাব আর গডফাদারদের ছত্রছায়া থাকলেই হলো।

২০২৬ সালের জুলাই। দ্রব্যমূল্যের মূল্যস্ফীতি নামক চিতাবাঘের পিঠে চড়ে যখন সাধারণ মানুষ দিশেহারা, ঠিক তখনই চোখে পড়ল রাষ্ট্রীয় লুটপাটের আরেক নগ্ন চিত্র। কাজিদের আয় ১৪৪০ কোটি টাকা, অথচ সরকারি কোষাগারে জমা হয়নি এক ফোঁটাও। প্রশ্ন উঠছে, এই অর্থ কার পকেটে যাচ্ছে? আর এই সিন্ডিকেটের পেছনে অভিভাবক কারা?

মুসলিম নিকাহ নিবন্ধন এখন পুরোদস্তুর দলীয় ক্যাডারদের দুধেল গাই। নিয়োগ বাণিজ্য থেকে শুরু করে মাসোহারা, সব জায়গায় বিএনপির এমপি ও জামাতে ইসলামের স্থানীয় নেতাদের হাত। রাজধানীতে চল্লিশ লাখ টাকা ঘুষ ছাড়া কাজির লাইসেন্স মেলে না। অথচ এই ঘুষের টাকা সুপারিশকারী নেতার পকেটে যায়, সরকারি কোষাগারে নয়। কাজিরা বাধ্যতামূলকভাবে দেন দলীয় সমিতির চাঁদা, তবেই টিকে থাকা যায়।

নিয়ম বলছে, দেনমোহরে সরকারি কমিশন কাটতে হবে। কাটাও হয়। কিন্তু কোষাগারে জমা হয় না। এই ফাঁকি দেওয়া টাকা ঘুরে ফিরে যায় বিএনপি-জামাতের কর্মী থেকে নেতা হওয়া কাজিদের ব্যাংক ব্যালেন্সে। সরকারকে কর দেওয়া দূরে থাক, নিজেদের স্ত্রী-সন্তানের নামে ফ্ল্যাট-গাড়ি কিনে চলছে দেদার কালোটাকা সাদা করার মহোৎসব। অথচ আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নির্লজ্জের মতো বলছেন, “হিসাব রাখার দায়িত্ব আমাদের না।”

একটা সময় ছিল যখন দুর্নীতি নিয়ে মুখে ফেনা তুলতেন জামাত-বিএনপির নেতারা। আর এখন তারাই কিনা ৩০০ বাতিল হওয়া কাজির পক্ষে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে, সিন্ডিকেট বাঁচাতে জামিন করাচ্ছে। মাঠপর্যায়ে একেকটি রেজিস্ট্রেশন নম্বরের আড়ালে দলের চার-পাঁচজন ক্যাডার বসে নিকাহ রেজিস্ট্রি করে কোটি কোটি টাকা লুটছেন। তাদের কেউ আইন পড়েনি, শুধু দলের ঠিকাদারি মনোভাব আর গডফাদারদের ছত্রছায়া থাকলেই হলো।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ