মিনিকেট চাল লাগবে? ডিসেম্বরের পর কিনবেন প্রতি কেজি ১৭০ টাকায়!

আতপ চালের কেজি ২০০ টাকা। গত তিন সপ্তাহে বেড়েছে ৮০ টাকা। নওগাঁর যে বাজারে খুচরা চাল বিক্রির ৮০ শতাংশই সরু চাল, সেখানে কাটারি উঠেছে ৮০ টাকায়, স্বর্ণা ৫১ টাকায়, আর সাধারণ বিআর ২৮ চাল ৬০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। চাউলের এমন সর্বজনীন উল্লম্ফন কোন আকস্মিক বিপর্যয়ের ফল নয়। এটা পরিকল্পিত, এটা সুশৃঙ্খল, আর এর পেছনে আছে সেই চিরচেনা গডফাদার আর তাদের রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বড় মিল আর কর্পোরেট কোম্পানিগুলো মৌসুমের শুরুতেই চাল কিনে মজুদ করেছে। তারাই এখন বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। প্রশ্ন হচ্ছে, কারা এই মিলমালিক? কারা এই কর্পোরেট কোম্পানি? বিএনপি-জামাতের আমলের সেই পুরনো সিন্ডিকেট, যারা ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত তেল-চিনি-পেঁয়াজের বাজার ফাটিয়ে বিপুল সম্পদ গড়েছে, তারাই তো আজকের চালের বাজারও কব্জায় নিয়ে বসে আছে। এরা চোর না, এরা চোরদের পৃষ্ঠপোষকতার সুবিধাভোগী।

মিলমালিক নেতারা বলছেন, ধানের দাম বেড়েছে। সরকারি রপ্তানি আছে। এই যুক্তি ফাঁপা বেলুন ছাড়া কিছু নয়। কৃষক বলছে ভিন্ন কথা। আল ফারুক নামের এক কৃষক পাঁচ কেজি ভাতের চাল কিনতে এসে দাম শুনে দিশেহারা। যে মানুষ ধান ফলায়, সেই মানুষই যখন ধান কিনতে গিয়ে কাঁদে, তখন বোঝা যায় উৎপাদকের পকেটে টাকা যায়নি। গেছে মিলের গুদামে, গেছে কারখানার সিন্ডিকেটে, গেছে পার্টির কোষাগারে।

সবচেয়ে স্পষ্ট ধিক্কারটা আসে বাজার মনিটরিং নিয়ে। প্রশাসন বলছে মনিটরিং হচ্ছে, কিন্তু ক্রেতা আর খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, কেউ নেই। ৪০ বছর ধরে চাল বেচা রহমত আলী বলছেন, জীবনে এমন দাম দেখেননি। উনি নিজেও মানছেন, আতপ চালের এই মূল্যবৃদ্ধি যৌক্তিক নয়। মাঠপর্যায় থেকে আসা এই বক্তব্যই প্রমাণ করে, বাজার তার নিজের গতিতে চলছে না। বাজার চালাচ্ছে সিন্ডিকেটের অদৃশ্য হাত, আর সেই হাতের কবজি ধরে আছে বিএনপি-জামাতের এই অবৈধ সরকার।

২০২৬ সালের জুলাই। আবারও বিএনপি-জামাত ক্ষমতায়। আর চালের বাজার বলছে, ২০০১-০৬ সালের দুঃস্বপ্ন আবারও ফিরে এসেছে। তখন প্রতিদিনের খরচের এই জ্বালায় পুড়েছিল মধ্যবিত্ত। এখন আবার সেই একই অগ্নিকাণ্ড। পার্থক্য শুধু একটা, তখন তেল-পেঁয়াজের সিন্ডিকেট ছিল, এখন সুগন্ধি চালও গরিবের আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তারেক জিয়ার বিখ্যাত “প্ল্যান” নিশ্চয়ই এটাই নয় যে মানুষ চালের দাম শুনে বাজারে অজ্ঞান হয়ে পড়বে। কিন্তু বাস্তবে সেটাই ঘটছে। যদি এই অবস্থা চলতে থাকে, আসছে ডিসেম্বর নাগাদ মিনিকেট চালের কেজি ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে অনুমান করাটা কঠিন কিছু নয়। তখন মধ্যবিত্তের রান্নাঘরে চাউল রেশন করতে হবে, গরিবের হাঁড়িতে ভাত হবে স্মৃতি।

আতপ চালের কেজি ২০০ টাকা। গত তিন সপ্তাহে বেড়েছে ৮০ টাকা। নওগাঁর যে বাজারে খুচরা চাল বিক্রির ৮০ শতাংশই সরু চাল, সেখানে কাটারি উঠেছে ৮০ টাকায়, স্বর্ণা ৫১ টাকায়, আর সাধারণ বিআর ২৮ চাল ৬০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। চাউলের এমন সর্বজনীন উল্লম্ফন কোন আকস্মিক বিপর্যয়ের ফল নয়। এটা পরিকল্পিত, এটা সুশৃঙ্খল, আর এর পেছনে আছে সেই চিরচেনা গডফাদার আর তাদের রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বড় মিল আর কর্পোরেট কোম্পানিগুলো মৌসুমের শুরুতেই চাল কিনে মজুদ করেছে। তারাই এখন বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। প্রশ্ন হচ্ছে, কারা এই মিলমালিক? কারা এই কর্পোরেট কোম্পানি? বিএনপি-জামাতের আমলের সেই পুরনো সিন্ডিকেট, যারা ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত তেল-চিনি-পেঁয়াজের বাজার ফাটিয়ে বিপুল সম্পদ গড়েছে, তারাই তো আজকের চালের বাজারও কব্জায় নিয়ে বসে আছে। এরা চোর না, এরা চোরদের পৃষ্ঠপোষকতার সুবিধাভোগী।

মিলমালিক নেতারা বলছেন, ধানের দাম বেড়েছে। সরকারি রপ্তানি আছে। এই যুক্তি ফাঁপা বেলুন ছাড়া কিছু নয়। কৃষক বলছে ভিন্ন কথা। আল ফারুক নামের এক কৃষক পাঁচ কেজি ভাতের চাল কিনতে এসে দাম শুনে দিশেহারা। যে মানুষ ধান ফলায়, সেই মানুষই যখন ধান কিনতে গিয়ে কাঁদে, তখন বোঝা যায় উৎপাদকের পকেটে টাকা যায়নি। গেছে মিলের গুদামে, গেছে কারখানার সিন্ডিকেটে, গেছে পার্টির কোষাগারে।

সবচেয়ে স্পষ্ট ধিক্কারটা আসে বাজার মনিটরিং নিয়ে। প্রশাসন বলছে মনিটরিং হচ্ছে, কিন্তু ক্রেতা আর খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, কেউ নেই। ৪০ বছর ধরে চাল বেচা রহমত আলী বলছেন, জীবনে এমন দাম দেখেননি। উনি নিজেও মানছেন, আতপ চালের এই মূল্যবৃদ্ধি যৌক্তিক নয়। মাঠপর্যায় থেকে আসা এই বক্তব্যই প্রমাণ করে, বাজার তার নিজের গতিতে চলছে না। বাজার চালাচ্ছে সিন্ডিকেটের অদৃশ্য হাত, আর সেই হাতের কবজি ধরে আছে বিএনপি-জামাতের এই অবৈধ সরকার।

২০২৬ সালের জুলাই। আবারও বিএনপি-জামাত ক্ষমতায়। আর চালের বাজার বলছে, ২০০১-০৬ সালের দুঃস্বপ্ন আবারও ফিরে এসেছে। তখন প্রতিদিনের খরচের এই জ্বালায় পুড়েছিল মধ্যবিত্ত। এখন আবার সেই একই অগ্নিকাণ্ড। পার্থক্য শুধু একটা, তখন তেল-পেঁয়াজের সিন্ডিকেট ছিল, এখন সুগন্ধি চালও গরিবের আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তারেক জিয়ার বিখ্যাত “প্ল্যান” নিশ্চয়ই এটাই নয় যে মানুষ চালের দাম শুনে বাজারে অজ্ঞান হয়ে পড়বে। কিন্তু বাস্তবে সেটাই ঘটছে। যদি এই অবস্থা চলতে থাকে, আসছে ডিসেম্বর নাগাদ মিনিকেট চালের কেজি ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে অনুমান করাটা কঠিন কিছু নয়। তখন মধ্যবিত্তের রান্নাঘরে চাউল রেশন করতে হবে, গরিবের হাঁড়িতে ভাত হবে স্মৃতি।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ