জোহার অপরাধে মুখে কুলুপ এঁটেছে এবার তথাকথিত জুলাই ট্রাইব্যুনাল!

তথাকথিত জুলাই গণহত্যার ট্রাইব্যুনালে একের পর এক যা ঘটে চলছে, তা কেবল একজন পুলিশ সদস্যের অভিযোগ নয়। এটা একটা গোটা ব্যবস্থারই দলিল, যে ব্যবস্থা ক্যু আর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে বিচারের নামে প্রতিশোধের রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছে। আদালতকক্ষে দাঁড়িয়ে প্রাক্তন এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার যে বয়ান দিয়েছেন, তা শুনলে তৃতীয় বিশ্বের কোনো স্বৈরশাসকের পাতানো ট্রায়ালের কথাই যেন মনে পড়ে।

চঞ্চল চন্দ্র বলেছেন, ২০২৫ সালের ২৭ জানুয়ারি জেলের ভেতর ওসির কক্ষে ডেকে নেওয়া হয় তাকে। দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেখানে প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা নিজের পরিচয় দিয়ে উপস্থিত হন এবং অকপটে জানিয়ে দেন, তাকে যা বলানো হবে তা বলতেই হবে। প্রসিকিউটরের মুখে এই ভাষা কোনো আইনজীবীর হতে পারে না। এটি কোনো আসামিপক্ষের কৌঁসুলির উক্তি নয়, এটা সরাসরি ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটরের কথা। যে লোকটা রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে অভিযোগ প্রমাণের দায়িত্বে আছেন, তিনিই যখন ওসির কক্ষে গিয়ে আসামিকে স্বীকারোক্তি দেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন, উগ্র আচরণ করছেন, তখন বিচার প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা বা ন্যায্যতার প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। কিন্তু তারচেয়েও ভয়াবহ হল, চঞ্চল চন্দ্র রাজি না হওয়ায় জোহা প্রথমে তাকে নিজে হত্যার হুমকি দিয়েছেন এবং সর্বশেষ তার নিকটাত্মীয়দের হত্যার হুমকিও দিয়েছেন। একজন প্রসিকিউটর, যিনি আইনের রক্ষক হওয়ার কথা, তিনি নিজেই যখন খুনের ভয় দেখান, তখন তাকে আর প্রসিকিউটর নয়, অপরাধী বলাই সঙ্গত।

এই ঘটনা মোটেও কোনো বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। গত দুই বছরে জুলাই মামলার নামে যেসব ট্রায়াল চলছে, সেসবের প্রায় প্রতিটির চরিত্র এক। অভিযুক্ত সবাই পুলিশ, বা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী। আর বিচারক, প্রসিকিউটর আর তদন্ত কর্মকর্তা সবাই একই রাজনৈতিক বলয়ের লোক। যে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে দালালি করার প্রমাণ আছে, সে ট্রাইব্যুনালে বসে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করাটাই হাস্যকর। প্রসিকিউটর জোহার বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ শুধু তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, এটা গোটা তথাকথিত জুলাই ট্রায়াল প্রক্রিয়ারই দিনলিপি।

আসুন, ঘটনাপ্রবাহটা একটু পিছিয়ে গিয়ে দেখি। ২০২৪ সালে দেশব্যাপী দাঙ্গা বাঁধিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা হল। সেই ক্যু-তে প্রত্যক্ষ আর পরোক্ষ মদদ দিয়েছে একাধিক বিদেশি শক্তি, যুদ্ধাপরাধী জামায়াতে ইসলামী এবং জিয়াউর রহমানের সৃষ্ট দুর্নীতি আর সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর বিএনপি। তারা ক্ষমতা দখল করে যেদিন ড. ইউনুসকে প্রধান করে সরকার গঠন করল, সেদিনই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল বিচারবিভাগ আর ট্রাইব্যুনালে কী ঘটতে যাচ্ছে।

ইউনুসের নেতৃত্বাধীন সরকার প্রথম দিন থেকেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে ট্রাইব্যুনাল গঠন করে। এই ট্রাইব্যুনালে যারা বিচারক, যারা প্রসিকিউটর, তারা সবাই জামায়াতের আইনজীবী, বিএনপির সহযোগী, কিংবা ইউনুসের ঘনিষ্ঠ। জামায়াতের হয়ে যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে সওয়াল করা আইনজীবীরা এখন ট্রাইব্যুনালে বিচারকের আসনে বসে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিচার করছেন। এ এক অদ্ভুত ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি।

এই যে চঞ্চল চন্দ্রর ঘটনায় দেখা গেল আসামি তৈরি করার জন্য আগে স্বীকারোক্তি আদায় তারপর তদন্ত, এটা এই ট্রাইব্যুনালগুলোর সাধারণ অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। চঞ্চল চন্দ্রর বিরুদ্ধে যে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়, তার প্রতিটাই সাজানো গল্প। রামপুরার একটি নির্মাণাধীন ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা ব্যক্তিকে গুলির ঘটনা, আরেকজনকে গুলি করে হত্যা এবং এক শিশুকে লক্ষ্য করে গুলি করলে সেটি শিশুর মাথা ভেদ করে পেছনে থাকা তার দাদির মৃত্যুর ঘটনা, এসবই যে কত বড় মিথ্যা, তা এখন প্রমাণিত।

চঞ্চল চন্দ্র বলেছেন, আমি গুলি করিনি। কিন্তু প্রসিকিউটর জোহা তার কথায় গুরুত্ব দিতে রাজি নন। বরং তিনি সাজানো স্বীকারোক্তি চান। আর এই স্বীকারোক্তি আদায় করতে কিনা হাজির হন জেলের ভেতর ওসির কক্ষে, দরজা বন্ধ করে, সঙ্গে এক নারী সঙ্গী যাকে নিজের হবু স্ত্রী পরিচয় দেন। কী অদ্ভুত! একজন প্রসিকিউটর আদালতে নয়, জেলখানায় গিয়ে বন্ধ ঘরে আসামিকে ভয় দেখিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা করবেন, এটা কোন আইনে হয়? কোথায় লেখা আছে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর জেলগেটে গিয়ে আসামির স্বীকারোক্তি জোগাড় করবেন?

এখন প্রশ্ন হল, ট্রাইব্যুনাল কেন এমনটি ঘটতে দিচ্ছে? কেন প্রসিকিউটর জোহার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না? কারণ, ট্রাইব্যুনালের কাজই হল অপরাজনীতির হাতিয়ার হওয়া। এই ট্রাইব্যুনাল গঠিতই হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্মূল করতে। সুতরাং প্রসিকিউটর যে পদ্ধতিতেই কাজ করুক, ট্রাইব্যুনালের বিচারকরা তাতে প্রশ্ন তুলবেন না। জোহা যা করছেন, তা ট্রাইব্যুনালের মিশনেরই অংশ। কিন্তু এই মিশন যে ব্যর্থতায় পর্যবসিত, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ইউনুস সরকার এখন আর ক্ষমতায় নেই। ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে বিএনপি ক্ষমতায়। কিন্তু এরপরও পুরনো সেই নাটক চলছে, সেই একই ট্রাইব্যুনাল, সেই একই প্রসিকিউটর, সেই একইভাবে মিথ্যা মামলা আর ভয় দেখিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা। এর অর্থ, বিএনপি ক্ষমতায় এসেও পুরনো অপশক্তির নেটওয়ার্ক বজায় রেখেছে।

চঞ্চল চন্দ্রর এই অভিযোগ জাতির সামনে সুস্পষ্ট করে দিল যে জুলাই ট্রায়াল বলে যে প্রহসনমূলক বিচারের আয়োজন চলছে, তা আন্তর্জাতিকভাবেও স্বীকৃত কোনো মানদণ্ডে টিকবে না। প্রসিকিউটর জোহার চরিত্র আর তার ভূমিকা প্রমাণ করে যে আইনের শাসনের ধ্বজা নিয়ে যারা বিচার করছেন, তারাই সবচেয়ে বড় আইন ভঙ্গকারী। এই ট্রাইব্যুনাল বাতিল হওয়া উচিত, এবং জোহা সহ যারা বিচারবিভাগকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার বানিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এখন সময়ের দাবী।

তথাকথিত জুলাই গণহত্যার ট্রাইব্যুনালে একের পর এক যা ঘটে চলছে, তা কেবল একজন পুলিশ সদস্যের অভিযোগ নয়। এটা একটা গোটা ব্যবস্থারই দলিল, যে ব্যবস্থা ক্যু আর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে বিচারের নামে প্রতিশোধের রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছে। আদালতকক্ষে দাঁড়িয়ে প্রাক্তন এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার যে বয়ান দিয়েছেন, তা শুনলে তৃতীয় বিশ্বের কোনো স্বৈরশাসকের পাতানো ট্রায়ালের কথাই যেন মনে পড়ে।

চঞ্চল চন্দ্র বলেছেন, ২০২৫ সালের ২৭ জানুয়ারি জেলের ভেতর ওসির কক্ষে ডেকে নেওয়া হয় তাকে। দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেখানে প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা নিজের পরিচয় দিয়ে উপস্থিত হন এবং অকপটে জানিয়ে দেন, তাকে যা বলানো হবে তা বলতেই হবে। প্রসিকিউটরের মুখে এই ভাষা কোনো আইনজীবীর হতে পারে না। এটি কোনো আসামিপক্ষের কৌঁসুলির উক্তি নয়, এটা সরাসরি ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটরের কথা। যে লোকটা রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে অভিযোগ প্রমাণের দায়িত্বে আছেন, তিনিই যখন ওসির কক্ষে গিয়ে আসামিকে স্বীকারোক্তি দেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন, উগ্র আচরণ করছেন, তখন বিচার প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা বা ন্যায্যতার প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। কিন্তু তারচেয়েও ভয়াবহ হল, চঞ্চল চন্দ্র রাজি না হওয়ায় জোহা প্রথমে তাকে নিজে হত্যার হুমকি দিয়েছেন এবং সর্বশেষ তার নিকটাত্মীয়দের হত্যার হুমকিও দিয়েছেন। একজন প্রসিকিউটর, যিনি আইনের রক্ষক হওয়ার কথা, তিনি নিজেই যখন খুনের ভয় দেখান, তখন তাকে আর প্রসিকিউটর নয়, অপরাধী বলাই সঙ্গত।

এই ঘটনা মোটেও কোনো বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। গত দুই বছরে জুলাই মামলার নামে যেসব ট্রায়াল চলছে, সেসবের প্রায় প্রতিটির চরিত্র এক। অভিযুক্ত সবাই পুলিশ, বা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী। আর বিচারক, প্রসিকিউটর আর তদন্ত কর্মকর্তা সবাই একই রাজনৈতিক বলয়ের লোক। যে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে দালালি করার প্রমাণ আছে, সে ট্রাইব্যুনালে বসে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করাটাই হাস্যকর। প্রসিকিউটর জোহার বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ শুধু তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, এটা গোটা তথাকথিত জুলাই ট্রায়াল প্রক্রিয়ারই দিনলিপি।

আসুন, ঘটনাপ্রবাহটা একটু পিছিয়ে গিয়ে দেখি। ২০২৪ সালে দেশব্যাপী দাঙ্গা বাঁধিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা হল। সেই ক্যু-তে প্রত্যক্ষ আর পরোক্ষ মদদ দিয়েছে একাধিক বিদেশি শক্তি, যুদ্ধাপরাধী জামায়াতে ইসলামী এবং জিয়াউর রহমানের সৃষ্ট দুর্নীতি আর সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর বিএনপি। তারা ক্ষমতা দখল করে যেদিন ড. ইউনুসকে প্রধান করে সরকার গঠন করল, সেদিনই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল বিচারবিভাগ আর ট্রাইব্যুনালে কী ঘটতে যাচ্ছে।

ইউনুসের নেতৃত্বাধীন সরকার প্রথম দিন থেকেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে ট্রাইব্যুনাল গঠন করে। এই ট্রাইব্যুনালে যারা বিচারক, যারা প্রসিকিউটর, তারা সবাই জামায়াতের আইনজীবী, বিএনপির সহযোগী, কিংবা ইউনুসের ঘনিষ্ঠ। জামায়াতের হয়ে যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে সওয়াল করা আইনজীবীরা এখন ট্রাইব্যুনালে বিচারকের আসনে বসে আওয়ামী লীগ নেতাদের বিচার করছেন। এ এক অদ্ভুত ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি।

এই যে চঞ্চল চন্দ্রর ঘটনায় দেখা গেল আসামি তৈরি করার জন্য আগে স্বীকারোক্তি আদায় তারপর তদন্ত, এটা এই ট্রাইব্যুনালগুলোর সাধারণ অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। চঞ্চল চন্দ্রর বিরুদ্ধে যে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়, তার প্রতিটাই সাজানো গল্প। রামপুরার একটি নির্মাণাধীন ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা ব্যক্তিকে গুলির ঘটনা, আরেকজনকে গুলি করে হত্যা এবং এক শিশুকে লক্ষ্য করে গুলি করলে সেটি শিশুর মাথা ভেদ করে পেছনে থাকা তার দাদির মৃত্যুর ঘটনা, এসবই যে কত বড় মিথ্যা, তা এখন প্রমাণিত।

চঞ্চল চন্দ্র বলেছেন, আমি গুলি করিনি। কিন্তু প্রসিকিউটর জোহা তার কথায় গুরুত্ব দিতে রাজি নন। বরং তিনি সাজানো স্বীকারোক্তি চান। আর এই স্বীকারোক্তি আদায় করতে কিনা হাজির হন জেলের ভেতর ওসির কক্ষে, দরজা বন্ধ করে, সঙ্গে এক নারী সঙ্গী যাকে নিজের হবু স্ত্রী পরিচয় দেন। কী অদ্ভুত! একজন প্রসিকিউটর আদালতে নয়, জেলখানায় গিয়ে বন্ধ ঘরে আসামিকে ভয় দেখিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা করবেন, এটা কোন আইনে হয়? কোথায় লেখা আছে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর জেলগেটে গিয়ে আসামির স্বীকারোক্তি জোগাড় করবেন?

এখন প্রশ্ন হল, ট্রাইব্যুনাল কেন এমনটি ঘটতে দিচ্ছে? কেন প্রসিকিউটর জোহার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না? কারণ, ট্রাইব্যুনালের কাজই হল অপরাজনীতির হাতিয়ার হওয়া। এই ট্রাইব্যুনাল গঠিতই হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্মূল করতে। সুতরাং প্রসিকিউটর যে পদ্ধতিতেই কাজ করুক, ট্রাইব্যুনালের বিচারকরা তাতে প্রশ্ন তুলবেন না। জোহা যা করছেন, তা ট্রাইব্যুনালের মিশনেরই অংশ। কিন্তু এই মিশন যে ব্যর্থতায় পর্যবসিত, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ইউনুস সরকার এখন আর ক্ষমতায় নেই। ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে বিএনপি ক্ষমতায়। কিন্তু এরপরও পুরনো সেই নাটক চলছে, সেই একই ট্রাইব্যুনাল, সেই একই প্রসিকিউটর, সেই একইভাবে মিথ্যা মামলা আর ভয় দেখিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা। এর অর্থ, বিএনপি ক্ষমতায় এসেও পুরনো অপশক্তির নেটওয়ার্ক বজায় রেখেছে।

চঞ্চল চন্দ্রর এই অভিযোগ জাতির সামনে সুস্পষ্ট করে দিল যে জুলাই ট্রায়াল বলে যে প্রহসনমূলক বিচারের আয়োজন চলছে, তা আন্তর্জাতিকভাবেও স্বীকৃত কোনো মানদণ্ডে টিকবে না। প্রসিকিউটর জোহার চরিত্র আর তার ভূমিকা প্রমাণ করে যে আইনের শাসনের ধ্বজা নিয়ে যারা বিচার করছেন, তারাই সবচেয়ে বড় আইন ভঙ্গকারী। এই ট্রাইব্যুনাল বাতিল হওয়া উচিত, এবং জোহা সহ যারা বিচারবিভাগকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার বানিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এখন সময়ের দাবী।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ