জিয়াউর রহমান যখন জন্মানওনি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তখন থেকেই “প্রাচ্যের অক্সফোর্ড”

১৯২১ সাল। ব্রিটিশ ভারত। অক্সফোর্ডের হুবহু কাঠামোয় তৈরি হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, আবাসিক হল, টিউটোরিয়াল সিস্টেম, শিক্ষক-ছাত্রের সেই ঘনিষ্ঠ একাডেমিক সংস্কৃতি। সেই থেকেই নামটা চালু। জিয়াউর রহমান তখন পৃথিবীতে নেই, আসতে আরো পনেরো বছর বাকি।

তথাকথিত শিক্ষামন্ত্রী মিলন আজ দাঁড়িয়ে বললেন জিয়া এই বিশ্ববিদ্যালয়কে “প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বানিয়েছিলেন।” মানে যে উপাধি ঢাবি পেয়েছে ১৯২১ থেকে, সেটার কৃতিত্ব দেওয়া হচ্ছে এমন একজনকে যিনি ১৯৭৭ সালের আগে রাষ্ট্রক্ষমতার ধারেকাছেও ছিলেন না। পঞ্চাশ বছর আগের ঘটনার মালিকানা দাবি করা হচ্ছে এখনকার সময়ে দাঁড়িয়ে!

দেশের শিক্ষামন্ত্রী জানেন না, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জানেন না, “প্রাচ্যের অক্সফোর্ড” কথাটা কোথা থেকে এলো। জানেন শুধু একটাই, সব কিছুর কৃতিত্ব জিয়াউর রহমানকে দিতে হবে। ইতিহাস যাই বলুক না কেনো!

১৯২১ সাল। ব্রিটিশ ভারত। অক্সফোর্ডের হুবহু কাঠামোয় তৈরি হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, আবাসিক হল, টিউটোরিয়াল সিস্টেম, শিক্ষক-ছাত্রের সেই ঘনিষ্ঠ একাডেমিক সংস্কৃতি। সেই থেকেই নামটা চালু। জিয়াউর রহমান তখন পৃথিবীতে নেই, আসতে আরো পনেরো বছর বাকি।

তথাকথিত শিক্ষামন্ত্রী মিলন আজ দাঁড়িয়ে বললেন জিয়া এই বিশ্ববিদ্যালয়কে “প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বানিয়েছিলেন।” মানে যে উপাধি ঢাবি পেয়েছে ১৯২১ থেকে, সেটার কৃতিত্ব দেওয়া হচ্ছে এমন একজনকে যিনি ১৯৭৭ সালের আগে রাষ্ট্রক্ষমতার ধারেকাছেও ছিলেন না। পঞ্চাশ বছর আগের ঘটনার মালিকানা দাবি করা হচ্ছে এখনকার সময়ে দাঁড়িয়ে!

দেশের শিক্ষামন্ত্রী জানেন না, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জানেন না, “প্রাচ্যের অক্সফোর্ড” কথাটা কোথা থেকে এলো। জানেন শুধু একটাই, সব কিছুর কৃতিত্ব জিয়াউর রহমানকে দিতে হবে। ইতিহাস যাই বলুক না কেনো!

আরো পড়ুন

সর্বশেষ