নিজের ব্যর্থতা লুকাতেও আওয়ামী লীগের করা উন্নয়নের সাহায্য নেয়া লাগছে এখন তারেকের!

রূপপুরের ঋণ কিস্তি শুরু হওয়ার কথা ২০২৯ সালের জুন থেকে। রাশিয়ার সাথে চাইলে আরো সময় নেওয়াও সম্ভব, সেটা কূটনৈতিকভাবে করা যায়। কিন্তু তারেক রহমান ক্ষমতায় বসেই ২০২৬ থেকে কিস্তি দেওয়া শুরু করে দিলেন। তারপর মাইকে দাঁড়িয়ে বললেন, “আওয়ামী লীগ আমাদের ঋণের জালে ফেলে গেছে।”

এটা রাজনৈতিক ব্যর্থতা ঢাকার সবচেয়ে পুরনো কৌশল। দেশে এখন হামের টিকা নেই, নিত্যপণ্যের বাজার সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে, জ্বালানি সংকট চলছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গেলে মানুষ হাসে। বিএনপির নেতাকর্মীরা জায়গায় জায়গায় চাঁদাবাজি করছে। এগুলো এখনকার সমস্যা, এখনকার সরকারের ব্যর্থতা। কিন্তু তারেক রহমান এসব নিয়ে কথা বলতে রাজি নন। তিনি ব্যস্ত ২০২৯ সালের একটা ঋণকে ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে সংকট বানাতে।

১২ ফেব্রুয়ারির যে নির্বাচনে বড় দলগুলো ছিল না, মানুষ ভোট দিতে যায়নি, সেই নির্বাচনের বৈধতার জোরে বসে থেকে এখন জাতিকে “ঋণের গল্প” শোনানো হচ্ছে। দায় এড়ানোর এই রাজনীতি বাংলাদেশ ২০০১-০৬ সালেও দেখেছে। নতুন কিছু না।

রূপপুরের ঋণ কিস্তি শুরু হওয়ার কথা ২০২৯ সালের জুন থেকে। রাশিয়ার সাথে চাইলে আরো সময় নেওয়াও সম্ভব, সেটা কূটনৈতিকভাবে করা যায়। কিন্তু তারেক রহমান ক্ষমতায় বসেই ২০২৬ থেকে কিস্তি দেওয়া শুরু করে দিলেন। তারপর মাইকে দাঁড়িয়ে বললেন, “আওয়ামী লীগ আমাদের ঋণের জালে ফেলে গেছে।”

এটা রাজনৈতিক ব্যর্থতা ঢাকার সবচেয়ে পুরনো কৌশল। দেশে এখন হামের টিকা নেই, নিত্যপণ্যের বাজার সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে, জ্বালানি সংকট চলছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গেলে মানুষ হাসে। বিএনপির নেতাকর্মীরা জায়গায় জায়গায় চাঁদাবাজি করছে। এগুলো এখনকার সমস্যা, এখনকার সরকারের ব্যর্থতা। কিন্তু তারেক রহমান এসব নিয়ে কথা বলতে রাজি নন। তিনি ব্যস্ত ২০২৯ সালের একটা ঋণকে ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে সংকট বানাতে।

১২ ফেব্রুয়ারির যে নির্বাচনে বড় দলগুলো ছিল না, মানুষ ভোট দিতে যায়নি, সেই নির্বাচনের বৈধতার জোরে বসে থেকে এখন জাতিকে “ঋণের গল্প” শোনানো হচ্ছে। দায় এড়ানোর এই রাজনীতি বাংলাদেশ ২০০১-০৬ সালেও দেখেছে। নতুন কিছু না।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ