শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড বাতিলের দাবি: ট্রাইব্যুনালকে লন্ডনভিত্তিক ল’ফার্মের আইনি নোটিশ

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) জুলাই দাঙ্গা পরবর্তী মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিলের দাবি জানিয়েছে লন্ডনের প্রখ্যাত আইন সংস্থা ‘কিংসলে নেপলি’। সংস্থাটি এই বিচার প্রক্রিয়াকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী এবং মৌলিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে ট্রাইব্যুনাল বরাবর একটি আনুষ্ঠানিক আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে।

লন্ডনভিত্তিক এই ল’ফার্মের চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, শেখ হাসিনাকে তার অনুপস্থিতিতেই বিচার করে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তারা উল্লেখ করেছে যে, অভিযুক্তকে আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো সুযোগ না দেওয়া এবং প্রমাণের অনুপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করা নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তির (আইসিসিপিআর) ১৪ অনুচ্ছেদের সরাসরি লঙ্ঘন।

আইনি নোটিশে আইনজীবীরা বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে ‘শত্রুভাবাপন্ন’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে: ২০২৫ সালে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার ফলে দলটির সমর্থকদের ওপর দমনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক সহিংসতা এবং আইনজীবীদের ওপর হামলার কারণে একটি সুষ্ঠু বিচারিক পরিবেশ অনুপস্থিত ছিল। প্রসিকিউশন টিমের প্রধান এবং সদস্যদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বিচার প্রক্রিয়াকে শুরু থেকেই পক্ষপাতমূলক করে তুলেছে।

চিঠিতে ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। কিংসলে নেপলি দাবি করেছে, রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থাকা ব্যক্তিদের দিয়ে বেঞ্চ গঠন করায় বিচারিক স্বাধীনতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। এমনকি একজন বিচারক রায় ঘোষণার আগেই অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছে।

ল’ফার্মটি বলেছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মূলত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন অপরাধ বিচারের জন্য গঠিত হয়েছিল। পরবর্তীতে আইন সংশোধন করে এর এখতিয়ার যেভাবে বাড়ানো হয়েছে, তা আইনিভাবে ত্রুটিপূর্ণ। এছাড়া হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং ইন্টারন্যাশনাল বার অ্যাসোসিয়েশনের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর উদ্বেগের বিষয়টিও নোটিশে রেফারেন্স হিসেবে টানা হয়েছে।

লন্ডনভিত্তিক আইন প্রতিষ্ঠান কিংসলে নেপলি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ঘোষিত বর্তমান রায় নিয়ে চারটি মূল দাবি উত্থাপন করেছে। তাদের মতে, প্রথমত এই রায় অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। দ্বিতীয়ত, কোনো পরিস্থিতিতেই ঘোষিত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে না। তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও ন্যায়বিচারের নীতিমালা অনুসরণ করে একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ পুনর্বিচারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। চতুর্থত, আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্রকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

জুলাই দাঙ্গার পর গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনালের এই রায় নিয়ে ইতোমধ্যেই দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও বিতর্ক চলছিল। কিংসলে নেপলির পাঠানো এই আইনি নোটিশ সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক পরিসরেও আরও বেশি আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) জুলাই দাঙ্গা পরবর্তী মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিলের দাবি জানিয়েছে লন্ডনের প্রখ্যাত আইন সংস্থা ‘কিংসলে নেপলি’। সংস্থাটি এই বিচার প্রক্রিয়াকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী এবং মৌলিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে ট্রাইব্যুনাল বরাবর একটি আনুষ্ঠানিক আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে।

লন্ডনভিত্তিক এই ল’ফার্মের চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, শেখ হাসিনাকে তার অনুপস্থিতিতেই বিচার করে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তারা উল্লেখ করেছে যে, অভিযুক্তকে আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো সুযোগ না দেওয়া এবং প্রমাণের অনুপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করা নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তির (আইসিসিপিআর) ১৪ অনুচ্ছেদের সরাসরি লঙ্ঘন।

আইনি নোটিশে আইনজীবীরা বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে ‘শত্রুভাবাপন্ন’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে: ২০২৫ সালে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার ফলে দলটির সমর্থকদের ওপর দমনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক সহিংসতা এবং আইনজীবীদের ওপর হামলার কারণে একটি সুষ্ঠু বিচারিক পরিবেশ অনুপস্থিত ছিল। প্রসিকিউশন টিমের প্রধান এবং সদস্যদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বিচার প্রক্রিয়াকে শুরু থেকেই পক্ষপাতমূলক করে তুলেছে।

চিঠিতে ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। কিংসলে নেপলি দাবি করেছে, রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থাকা ব্যক্তিদের দিয়ে বেঞ্চ গঠন করায় বিচারিক স্বাধীনতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। এমনকি একজন বিচারক রায় ঘোষণার আগেই অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছে।

ল’ফার্মটি বলেছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মূলত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন অপরাধ বিচারের জন্য গঠিত হয়েছিল। পরবর্তীতে আইন সংশোধন করে এর এখতিয়ার যেভাবে বাড়ানো হয়েছে, তা আইনিভাবে ত্রুটিপূর্ণ। এছাড়া হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং ইন্টারন্যাশনাল বার অ্যাসোসিয়েশনের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর উদ্বেগের বিষয়টিও নোটিশে রেফারেন্স হিসেবে টানা হয়েছে।

লন্ডনভিত্তিক আইন প্রতিষ্ঠান কিংসলে নেপলি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ঘোষিত বর্তমান রায় নিয়ে চারটি মূল দাবি উত্থাপন করেছে। তাদের মতে, প্রথমত এই রায় অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। দ্বিতীয়ত, কোনো পরিস্থিতিতেই ঘোষিত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে না। তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও ন্যায়বিচারের নীতিমালা অনুসরণ করে একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ পুনর্বিচারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। চতুর্থত, আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্রকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

জুলাই দাঙ্গার পর গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনালের এই রায় নিয়ে ইতোমধ্যেই দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও বিতর্ক চলছিল। কিংসলে নেপলির পাঠানো এই আইনি নোটিশ সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক পরিসরেও আরও বেশি আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ