ইউনূসের মেটিকুলাস ডিজাইনে দেশে ভুয়া নির্বাচন, স্বীকার করল বিএনপি-জামায়াত

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা নির্বাচনী কারসাজির মাধ্যমে জনগণের রায় পাল্টে দেওয়ার অভিযোগ তুলে বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

শুক্রবার জুমার নামাজের পর রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেট থেকে ঢাকা মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে এই মিছিল বের হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বল ছে, বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের (ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন) ‘মেটিকুলাস ডিজাইন’ বা সূক্ষ্ম পরিকল্পনায় নির্বাচনে কারচুপি করা হয়েছে, যাতে জনগণের প্রকৃত ম্যান্ডেট প্রতিফলিত না হয়। তারা দাবি করেন, এই প্রক্রিয়ায় সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও ড. খলিলুর রহমানের ভূমিকা ছিল, যা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট দলকে সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা।

এদিকে বিএনপির পক্ষ থেকেও নির্বাচনের পর একই ধরনের অভিযোগ উঠেছিল। দলের নির্বাচন পরিচালনা/স্টিয়ারিং কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন নির্দিষ্ট আসনে (যেমন ঢাকা-৮, ঢাকা-১১, ঢাকা-১৩, ঢাকা-১৬) ভোট গণনায় বিলম্ব, ফলাফল ঘোষণায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দেরি ইত্যাদির অভিযোগ তুলে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ বলে অভিহিত করেছেন।

বিএনপির কয়েকজন প্রার্থীও নিজ নির্বাচনী এলাকায় একই অভিযোগ করেছেন— ঢাকা-১৬ আসনের প্রার্থী আমিনুল হক পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়ে ভোট জালিয়াতি ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কথা বলেছেন। ঢাকা-১১-এ এমএ কাউয়ুম এবং রংপুর-৪-এ এমদাদুল হক ভরসাসহ অন্যান্য প্রার্থীরা অনুরূপ অভিযোগ তুলেছেন।

নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, কেন্দ্রভিত্তিক ভোটে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে (প্রায় ২১২+ আসন) জয়ী হলেও পোস্টাল ব্যালটের ফলাফলে সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র।

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, ২৯৯টি আসনের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা ২৫৫টি আসনে পোস্টাল ব্যালটে বিজয়ী হয়েছেন। বিএনপি প্রার্থীরা মাত্র ৪০টি আসনে এবং স্বতন্ত্ররা ৩টিতে এগিয়ে ছিলেন।

পোস্টাল ভোটে প্রায় ১৫ লাখ নিবন্ধিত ভোটারের মধ্যে ৭০% (প্রায় ১০ লাখ ৬৩ হাজার) ভোট দিয়েছেন। যাচাই-বাছাইয়ে ৫৭ হাজারের বেশি বাতিল হয়েছে। তবে এই পোস্টাল ভোট চূড়ান্ত ফলাফলে মাত্র দুটি আসন (সিরাজগঞ্জ-৪ ও মাদারীপুর-১) প্রভাবিত করেছে, যেখানে জামায়াত জোট প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।

এই বিপরীত ফলাফলকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে অভিযোগ উঠেছে যে, অন্তর্বর্তী সরকারের ‘মেটিকুলাস ডিজাইন’-এ নির্বাচনকে প্রভাবিত করা হয়েছে, যাতে জনগণের প্রকৃত রায় (বিএনপির বড় জয়) পাল্টে যায়। জামায়াতের বিক্ষোভে এই ভোটকে ‘ভুয়া নির্বাচন’ হিসেবে চিহ্নিত করে সাবেক উপদেষ্টাদের শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনা নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে, যেখানে অনেকে মনে করছেন এটি অন্তর্বর্তী সরকারের পরিকল্পিত কৌশলের ফসল।

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা নির্বাচনী কারসাজির মাধ্যমে জনগণের রায় পাল্টে দেওয়ার অভিযোগ তুলে বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

শুক্রবার জুমার নামাজের পর রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেট থেকে ঢাকা মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে এই মিছিল বের হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বল ছে, বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের (ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন) ‘মেটিকুলাস ডিজাইন’ বা সূক্ষ্ম পরিকল্পনায় নির্বাচনে কারচুপি করা হয়েছে, যাতে জনগণের প্রকৃত ম্যান্ডেট প্রতিফলিত না হয়। তারা দাবি করেন, এই প্রক্রিয়ায় সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও ড. খলিলুর রহমানের ভূমিকা ছিল, যা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট দলকে সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা।

এদিকে বিএনপির পক্ষ থেকেও নির্বাচনের পর একই ধরনের অভিযোগ উঠেছিল। দলের নির্বাচন পরিচালনা/স্টিয়ারিং কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন নির্দিষ্ট আসনে (যেমন ঢাকা-৮, ঢাকা-১১, ঢাকা-১৩, ঢাকা-১৬) ভোট গণনায় বিলম্ব, ফলাফল ঘোষণায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দেরি ইত্যাদির অভিযোগ তুলে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ বলে অভিহিত করেছেন।

বিএনপির কয়েকজন প্রার্থীও নিজ নির্বাচনী এলাকায় একই অভিযোগ করেছেন— ঢাকা-১৬ আসনের প্রার্থী আমিনুল হক পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়ে ভোট জালিয়াতি ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কথা বলেছেন। ঢাকা-১১-এ এমএ কাউয়ুম এবং রংপুর-৪-এ এমদাদুল হক ভরসাসহ অন্যান্য প্রার্থীরা অনুরূপ অভিযোগ তুলেছেন।

নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, কেন্দ্রভিত্তিক ভোটে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে (প্রায় ২১২+ আসন) জয়ী হলেও পোস্টাল ব্যালটের ফলাফলে সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র।

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, ২৯৯টি আসনের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা ২৫৫টি আসনে পোস্টাল ব্যালটে বিজয়ী হয়েছেন। বিএনপি প্রার্থীরা মাত্র ৪০টি আসনে এবং স্বতন্ত্ররা ৩টিতে এগিয়ে ছিলেন।

পোস্টাল ভোটে প্রায় ১৫ লাখ নিবন্ধিত ভোটারের মধ্যে ৭০% (প্রায় ১০ লাখ ৬৩ হাজার) ভোট দিয়েছেন। যাচাই-বাছাইয়ে ৫৭ হাজারের বেশি বাতিল হয়েছে। তবে এই পোস্টাল ভোট চূড়ান্ত ফলাফলে মাত্র দুটি আসন (সিরাজগঞ্জ-৪ ও মাদারীপুর-১) প্রভাবিত করেছে, যেখানে জামায়াত জোট প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।

এই বিপরীত ফলাফলকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে অভিযোগ উঠেছে যে, অন্তর্বর্তী সরকারের ‘মেটিকুলাস ডিজাইন’-এ নির্বাচনকে প্রভাবিত করা হয়েছে, যাতে জনগণের প্রকৃত রায় (বিএনপির বড় জয়) পাল্টে যায়। জামায়াতের বিক্ষোভে এই ভোটকে ‘ভুয়া নির্বাচন’ হিসেবে চিহ্নিত করে সাবেক উপদেষ্টাদের শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনা নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে, যেখানে অনেকে মনে করছেন এটি অন্তর্বর্তী সরকারের পরিকল্পিত কৌশলের ফসল।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ