Sunday, March 1, 2026

খাম্বা তারেকের নেতৃত্বে আবারও সেই অন্ধকারযুগে ফিরছে বাংলাদেশ

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০১-২০০৬ সালের বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলটি বিদ্যুৎ খাতের চরম বিপর্যয়ের জন্য স্মরণীয় হয়ে আছে। সেই সময়ে দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিং এবং বিদ্যুৎ সংযোগ ছাড়াই হাজার হাজার মাইল জুড়ে শুধু ‘বৈদ্যুতিক খুঁটি’ বা ‘খাম্বা’ স্থাপনের ঘটনাটি আজও রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। সেই ঘটনা আবারও ঘটতে যাচ্ছে বাংলাদেশে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে ‘ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ’ (এফইআরবি)-এর কার্যনির্বাহী কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, ‘আমি বিশ্বাস করি ঋণে ডুবে থাকার চেয়ে লোডশেডিংয়ের কষ্ট সহ্য করা ভালো।’

বিএনপি-জামাত জোট সরকারের সময় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ও উৎপাদনের মধ্যে বিশাল ব্যবধান তৈরি হয়েছিল। রাজধানীর পাশাপাশি গ্রামগঞ্জে দিনে ১৬ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং চলত। কল-কারখানায় উৎপাদন স্থবির হয়ে পড়েছিল এবং সাধারণ মানুষের জীবন হয়ে উঠেছিল দুর্বিষহ।

এই বিদ্যুৎ সংকটের প্রতিবাদে ২০০৬ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে সাধারণ মানুষ যখন আন্দোলনে নামে, তখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী নিহত হন। সেই ঘটনাটি তৎকালীন সরকারের জন্য এক বড় কলঙ্ক হিসেবে চিহ্নিত হয়।

সেই সময় বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতির সমার্থক শব্দ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল ‘খাম্বা’। অভিযোগ ওঠে, তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের মালিকানাধীন ‘ওয়ান গ্রুপ’ কোনো টেন্ডার ছাড়াই শত শত কোটি টাকার বৈদ্যুতিক খুঁটি বা খাম্বা সরবরাহের কাজ পায়।

দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুৎ সংযোগ না দিয়েই মাইলের পর মাইল শুধু সিমেন্টের খুঁটি পুঁতে রাখা হয়েছিল। গ্রামবাসী বিদ্যুৎ পাওয়ার আশায় আবেদন করলেও তাদের ভাগ্যে জুটত শুধু সেই শূন্য খাম্বা। বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ ছিল, খাম্বা বা খুঁটি স্থাপনের নামে জনগণের ট্যাক্সের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন ‘হাওয়া ভবন’ সিন্ডিকেট।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যুৎ খাতের সেই অব্যবস্থাপনা এবং কানসাটের রক্তক্ষয়ী আন্দোলন ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবির অন্যতম প্রধান কারণ ছিল। যদিও বিএনপি পরবর্তী সময়ে এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছে, তবে সাধারণ মানুষের স্মৃতিতে ‘বিদ্যুৎ সংকট’ এবং ‘খাম্বা’ শব্দটি আজও জোট সরকারের আমলের প্রতীক হিসেবে রয়ে গেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে সেই পুরোনো ‘খাম্বা সংস্কৃতি’ এবং অব্যবস্থাপনার কারণে ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবি হয়েছিল। বর্তমানে মন্ত্রীর মুখে “লোডশেডিং সহ্য করা ভালো” এমন মন্তব্য শুনে সাধারণ মানুষ আশঙ্কা করছেন, দেশ কি আবারও সেই তারেক রহমানের ‘খাম্বা যুগে’ এবং লোডশেডিংয়ের অন্ধকারে নিমজ্জিত হতে যাচ্ছে?

বিদ্যুৎ খাতের এই নাজুক পরিস্থিতি এবং সরকারের দায়িত্বশীলদের এমন মন্তব্য সাধারণ মানুষের মনে নতুন করে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০১-২০০৬ সালের বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলটি বিদ্যুৎ খাতের চরম বিপর্যয়ের জন্য স্মরণীয় হয়ে আছে। সেই সময়ে দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিং এবং বিদ্যুৎ সংযোগ ছাড়াই হাজার হাজার মাইল জুড়ে শুধু ‘বৈদ্যুতিক খুঁটি’ বা ‘খাম্বা’ স্থাপনের ঘটনাটি আজও রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। সেই ঘটনা আবারও ঘটতে যাচ্ছে বাংলাদেশে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে ‘ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ’ (এফইআরবি)-এর কার্যনির্বাহী কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, ‘আমি বিশ্বাস করি ঋণে ডুবে থাকার চেয়ে লোডশেডিংয়ের কষ্ট সহ্য করা ভালো।’

বিএনপি-জামাত জোট সরকারের সময় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ও উৎপাদনের মধ্যে বিশাল ব্যবধান তৈরি হয়েছিল। রাজধানীর পাশাপাশি গ্রামগঞ্জে দিনে ১৬ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং চলত। কল-কারখানায় উৎপাদন স্থবির হয়ে পড়েছিল এবং সাধারণ মানুষের জীবন হয়ে উঠেছিল দুর্বিষহ।

এই বিদ্যুৎ সংকটের প্রতিবাদে ২০০৬ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে সাধারণ মানুষ যখন আন্দোলনে নামে, তখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী নিহত হন। সেই ঘটনাটি তৎকালীন সরকারের জন্য এক বড় কলঙ্ক হিসেবে চিহ্নিত হয়।

সেই সময় বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতির সমার্থক শব্দ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল ‘খাম্বা’। অভিযোগ ওঠে, তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের মালিকানাধীন ‘ওয়ান গ্রুপ’ কোনো টেন্ডার ছাড়াই শত শত কোটি টাকার বৈদ্যুতিক খুঁটি বা খাম্বা সরবরাহের কাজ পায়।

দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুৎ সংযোগ না দিয়েই মাইলের পর মাইল শুধু সিমেন্টের খুঁটি পুঁতে রাখা হয়েছিল। গ্রামবাসী বিদ্যুৎ পাওয়ার আশায় আবেদন করলেও তাদের ভাগ্যে জুটত শুধু সেই শূন্য খাম্বা। বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ ছিল, খাম্বা বা খুঁটি স্থাপনের নামে জনগণের ট্যাক্সের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন ‘হাওয়া ভবন’ সিন্ডিকেট।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যুৎ খাতের সেই অব্যবস্থাপনা এবং কানসাটের রক্তক্ষয়ী আন্দোলন ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবির অন্যতম প্রধান কারণ ছিল। যদিও বিএনপি পরবর্তী সময়ে এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছে, তবে সাধারণ মানুষের স্মৃতিতে ‘বিদ্যুৎ সংকট’ এবং ‘খাম্বা’ শব্দটি আজও জোট সরকারের আমলের প্রতীক হিসেবে রয়ে গেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে সেই পুরোনো ‘খাম্বা সংস্কৃতি’ এবং অব্যবস্থাপনার কারণে ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবি হয়েছিল। বর্তমানে মন্ত্রীর মুখে “লোডশেডিং সহ্য করা ভালো” এমন মন্তব্য শুনে সাধারণ মানুষ আশঙ্কা করছেন, দেশ কি আবারও সেই তারেক রহমানের ‘খাম্বা যুগে’ এবং লোডশেডিংয়ের অন্ধকারে নিমজ্জিত হতে যাচ্ছে?

বিদ্যুৎ খাতের এই নাজুক পরিস্থিতি এবং সরকারের দায়িত্বশীলদের এমন মন্তব্য সাধারণ মানুষের মনে নতুন করে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ