ভরসা হারাল জাতিসংঘ, শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণের তালিকা থেকে বাদ পড়লো বাংলাদেশ

যে দেশ একসময় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষায় বুক ফুলিয়ে দাঁড়াতো, সেই দেশ থেকে গত ৯ মাসে একজন সেনা সদস্যও নেয়নি জাতিসংঘ। খবরটা সেনা দরবারে উঠে এসেছে, আর এক সিনিয়র অফিসারের প্রশ্নটা সরাসরি আর্মি চিফের দিকেই ছিল। এত লম্বা সময় নিয়োগ বন্ধ থাকলে জাতিসংঘকে চিঠি দিতে হয়, সেই চিঠি আদৌ গেছে কি না?

উত্তরটা কেউ জানে না।

আসলে জানার কথাও না। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের সেই চেনা অপশাসন যেন নতুন মোড়কে ফিরে এসেছে ২০২৬ সালে। যাদের হাতে রাষ্ট্র, তাদের কাছে দেশের সম্মান আর বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পরিচয় নিয়ে ভাবার সময় কোথায়? সততা আর পেশাদারিত্ব থাকলে জাতিসংঘ মুখ ফিরিয়ে নিত না। যারা টাকার জন্য দেশটাকেই বেঁচে দিতে দ্বিধা করেনি, তাদের হাতে এই বিশ্বাসযোগ্যতা টিকবে কীভাবে? জাতিসংঘও সেটা বোঝে, তাই আর নেয়নি।

যে বাহিনী পুলিশকে বাঁচাতে পারেনি, উল্টো জঙ্গিদের সামনে আত্মসমর্পণ করেছিল, তাদের ওপর বিশ্ব আস্থা রাখবে কেন? শান্তি রক্ষার কাজ সাহস আর শৃঙ্খলার, আর সেই দুটোর হিসাব এখন প্রশ্নের মুখে। ৯ মাস পার হয়ে গেল, জবাব কেউ দিচ্ছে না। চুপ থাকাটাই কি তাহলে উত্তর?

যে দেশ একসময় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষায় বুক ফুলিয়ে দাঁড়াতো, সেই দেশ থেকে গত ৯ মাসে একজন সেনা সদস্যও নেয়নি জাতিসংঘ। খবরটা সেনা দরবারে উঠে এসেছে, আর এক সিনিয়র অফিসারের প্রশ্নটা সরাসরি আর্মি চিফের দিকেই ছিল। এত লম্বা সময় নিয়োগ বন্ধ থাকলে জাতিসংঘকে চিঠি দিতে হয়, সেই চিঠি আদৌ গেছে কি না?

উত্তরটা কেউ জানে না।

আসলে জানার কথাও না। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের সেই চেনা অপশাসন যেন নতুন মোড়কে ফিরে এসেছে ২০২৬ সালে। যাদের হাতে রাষ্ট্র, তাদের কাছে দেশের সম্মান আর বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পরিচয় নিয়ে ভাবার সময় কোথায়? সততা আর পেশাদারিত্ব থাকলে জাতিসংঘ মুখ ফিরিয়ে নিত না। যারা টাকার জন্য দেশটাকেই বেঁচে দিতে দ্বিধা করেনি, তাদের হাতে এই বিশ্বাসযোগ্যতা টিকবে কীভাবে? জাতিসংঘও সেটা বোঝে, তাই আর নেয়নি।

যে বাহিনী পুলিশকে বাঁচাতে পারেনি, উল্টো জঙ্গিদের সামনে আত্মসমর্পণ করেছিল, তাদের ওপর বিশ্ব আস্থা রাখবে কেন? শান্তি রক্ষার কাজ সাহস আর শৃঙ্খলার, আর সেই দুটোর হিসাব এখন প্রশ্নের মুখে। ৯ মাস পার হয়ে গেল, জবাব কেউ দিচ্ছে না। চুপ থাকাটাই কি তাহলে উত্তর?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ